জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে এ বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। দিবসটির গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি সংস্থাগুলোকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস সফলভাবে উদযাপনের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মাঠ প্রশাসনকে পৃথক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও নানা কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য তথ্য ও সম্প্রচার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় গণমাধ্যমেও দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরা হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া, স্বাস্থ্য, কৃষি, স্থানীয় সরকার এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ফলে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, বরং বিভিন্ন খাতভিত্তিক কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটির তাৎপর্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এছাড়া জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজ নিজ এলাকায় অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠান, আলোকসজ্জা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসকে জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদার সঙ্গে উদযাপনের লক্ষ্যে সরকার সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে জাতীয় ইতিহাস ও গণআন্দোলনের স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও সুসংহতভাবে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।



























