হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গণ–অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হলে দেশের প্রয়োজনীয় সংস্কারের দায়িত্ব জনগণ ও রাজনৈতিক শক্তিগুলোকেই নিতে হবে। ঝালকাঠির রাজাপুরে এনসিপির পদযাত্রা শেষে আয়োজিত পথসভায় তিনি বলেন, বিকল্প রাজনীতির প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিতে দল কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এনসিপি জনগণের স্বার্থে সংসদ ও রাজপথ—দুই জায়গাতেই সক্রিয় রয়েছে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কোনো চাপ বা ভয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংসদে নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গত কয়েক মাসে তিনি দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, ভূমি দখল, ভোট জালিয়াতি এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে সরব ছিলেন। অতীত ও বর্তমান—উভয় সময়ের অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনো বালু, নদী ও গবাদিপশু চুরিসহ নানা ধরনের অনিয়ম চলছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও জনগণের অংশগ্রহণ জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সমাবেশে দুর্নীতি, লুটপাট ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জনগণের সম্পদ রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না। স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই এনসিপির লক্ষ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দলের রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য আলী আহসান জুনায়েদ, সরোয়ার তুষার, মাহমুদা আলম, আরিফুর রহমানসহ অন্য নেতারা বক্তব্য দেন। এ সময় মো. আরিফুর রহমানকে রাজাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।





























