ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কাঁঠালের দাম: মৌসুম শেষে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা Logo কানাডায় গায়কের গাড়ি লক্ষ্য করে সাত রাউন্ড গুলি! Logo বাল্যবিবাহের অপরাধে কেরানীগঞ্জে বরসহ ৩ জনের কারাদণ্ড Logo চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে ট্যাংক দুর্ঘটনায় ২ সেনা নিহত, আহত ১ Logo এমবাপ্পের রেকর্ডের রাতে ইন্টারকে হারাল রিয়াল Logo হালান্ডের জোড়া গোল, পোর্তোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানসিটির দাপুটে জয় Logo আরব আমিরাতকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, শেষ চারে ভারতের মুখোমুখি Logo রোনালদোর ২ রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়লেন মেসি, ২০ বছর পরও ব্যালন ডি’অরের তালিকায় Logo অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, হংকংকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে Logo নিজের ছবি দিয়ে ৯০-এর দশকের লুক, জানুন ১০টি AI Prompt

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার হবে সেনা আইনে’

জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার সেনা আইনে চাইল বিএনপি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচার বেসামরিক আদালতে নয়, বরং সেনা আইনের আওতায় হওয়া উচিত। তার দাবি, যেহেতু হত্যাকাণ্ডটি সেনানিবাসের ভেতরে সংঘটিত হয়েছিল এবং এতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা জড়িত ছিলেন, তাই সেনা আইন অনুযায়ী বিচার করাই হবে সবচেয়ে উপযুক্ত ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া।

তিনি বলেন, দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পার হলেও জিয়াউর রহমান হত্যার প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারী এবং পরিকল্পনাকারীদের এখনো আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নতুন করে তদন্ত ও সেনা আইনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানান তিনি।

বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক সামরিক অভ্যুত্থানের সময় নিহত হন। ওই ঘটনার পর সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগে সামরিক আদালতে বিচার অনুষ্ঠিত হয় এবং বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

তবে বিএনপির দাবি, সেই বিচার মূলত বিদ্রোহে অংশ নেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ছিল; কিন্তু হত্যার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা বা রাজনৈতিকভাবে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা কখনো পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত করা হয়নি।

সালাহউদ্দিন আহমেদের মতে, ঘটনাটি সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে সংঘটিত হওয়ায় আর্মি অ্যাক্ট (সেনা আইন) অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার হওয়া উচিত। তিনি বলেন, এতে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের সুযোগ তৈরি হবে এবং দীর্ঘদিনের বিতর্কেরও অবসান ঘটবে।

তিনি আরও দাবি করেন, রাষ্ট্রের স্বার্থে এবং ইতিহাসের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত জরুরি।

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই এই হত্যার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমতও দেখা গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য ভবিষ্যতে নতুন তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনাকে আরও তীব্র করতে পারে। তবে সেনা আইনে নতুন করে বিচার হবে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁঠালের দাম: মৌসুম শেষে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার হবে সেনা আইনে’

Update Time : ০৯:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচার বেসামরিক আদালতে নয়, বরং সেনা আইনের আওতায় হওয়া উচিত। তার দাবি, যেহেতু হত্যাকাণ্ডটি সেনানিবাসের ভেতরে সংঘটিত হয়েছিল এবং এতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা জড়িত ছিলেন, তাই সেনা আইন অনুযায়ী বিচার করাই হবে সবচেয়ে উপযুক্ত ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া।

তিনি বলেন, দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পার হলেও জিয়াউর রহমান হত্যার প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারী এবং পরিকল্পনাকারীদের এখনো আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নতুন করে তদন্ত ও সেনা আইনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুন  চমকপ্রদ রূপগঞ্জ ইউপি প্রশাসক নিয়োগ: সদস্যদের সবাই বিএনপির নেতা

বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক সামরিক অভ্যুত্থানের সময় নিহত হন। ওই ঘটনার পর সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগে সামরিক আদালতে বিচার অনুষ্ঠিত হয় এবং বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

তবে বিএনপির দাবি, সেই বিচার মূলত বিদ্রোহে অংশ নেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ছিল; কিন্তু হত্যার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা বা রাজনৈতিকভাবে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা কখনো পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত করা হয়নি।

আরও পড়ুন  সরোয়ারের প্রার্থিতা মামলা: ২৭ জুলাই শুনানির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

সালাহউদ্দিন আহমেদের মতে, ঘটনাটি সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে সংঘটিত হওয়ায় আর্মি অ্যাক্ট (সেনা আইন) অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার হওয়া উচিত। তিনি বলেন, এতে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের সুযোগ তৈরি হবে এবং দীর্ঘদিনের বিতর্কেরও অবসান ঘটবে।

তিনি আরও দাবি করেন, রাষ্ট্রের স্বার্থে এবং ইতিহাসের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত জরুরি।

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই এই হত্যার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমতও দেখা গেছে।

আরও পড়ুন  তত্ত্বাবধায়ক-গণভোট ফেরানোর রায় বহাল, বাকি সুরাহা সংসদে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য ভবিষ্যতে নতুন তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনাকে আরও তীব্র করতে পারে। তবে সেনা আইনে নতুন করে বিচার হবে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।