ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নুসরাত হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ Logo হজযাত্রীদের নতুন স্বাস্থ্যবিধি: কী আছে এতে? Logo জয়া ও সমরজিতের কণ্ঠে ‘মনঘুড়ি’ Logo ভিউ নয়, ভালো গল্পেই তটিনীর আস্থা Logo চন্দনাইশে ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্স’ উপলক্ষ্যে গাছবাড়িয়া সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ Logo শেখ হাসিনাকে আসতে হবে না, ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা Logo ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে নিপ্পন ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ Logo ফুলবাড়ীতে গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী Logo কালো তিলে ৬ উপকার, দিনে কতটা খাবেন? Logo চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়সহ কনটেইনার গায়েব

শেখ হাসিনাকে আসতে হবে না, ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিং করছেন তথ্য উপদেষ্টা। ছবি: সংগৃহীত

শেখ হাসিনা প্রত্যর্পণ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবস্থান বর্তমানে অত্যন্ত দৃঢ় ও স্পষ্ট রয়েছে। সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার প্রক্রিয়া কার্যকর করতে চায় প্রশাসন। এটি কেবল কোনো কূটনৈতিক কৌশল নয়, বরং আইনগত বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে আইনি কাঠামোর আওতায় এনে সাজা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হওয়ায় এবং আপিলের সুযোগ না থাকায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি আরও জোরালো হয়েছে। দেশবাসীর প্রত্যাশাও এই বিচার প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার দিকেই রয়েছে।

এদিকে ভারতে অবস্থানকালে শেখ হাসিনার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়া এবং রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করাকে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত বলে মনে করছে প্রশাসন। বিশেষ করে দুই দেশের বন্ধুসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখার স্বার্থে এই ধরণের কার্যক্রম বন্ধ রাখা উচিত ছিল বলে অভিমত প্রকাশ করা হয়েছে।

তথ্য উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেছেন যে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কার্যক্রমে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনা দরকার ছিল। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে এবং পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে এই বিষয়গুলোতে আরও বেশি সংবেদনশীল হওয়া জরুরি। বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কে এটি একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন তারা ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে এই বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চান। শেখ হাসিনার বিতর্কিত বক্তব্য ও কার্যক্রম দুই দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করছে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।

পরিশেষে, শেখ হাসিনা প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সফল করতে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই অব্যাহত রাখবে বলে সংবাদ সম্মেলনে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নুসরাত হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

শেখ হাসিনাকে আসতে হবে না, ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা

Update Time : ০৬:৪১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনা প্রত্যর্পণ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবস্থান বর্তমানে অত্যন্ত দৃঢ় ও স্পষ্ট রয়েছে। সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার প্রক্রিয়া কার্যকর করতে চায় প্রশাসন। এটি কেবল কোনো কূটনৈতিক কৌশল নয়, বরং আইনগত বাধ্যবাধকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে আইনি কাঠামোর আওতায় এনে সাজা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হওয়ায় এবং আপিলের সুযোগ না থাকায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি আরও জোরালো হয়েছে। দেশবাসীর প্রত্যাশাও এই বিচার প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার দিকেই রয়েছে।

আরও পড়ুন  ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক: ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

এদিকে ভারতে অবস্থানকালে শেখ হাসিনার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়া এবং রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করাকে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত বলে মনে করছে প্রশাসন। বিশেষ করে দুই দেশের বন্ধুসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখার স্বার্থে এই ধরণের কার্যক্রম বন্ধ রাখা উচিত ছিল বলে অভিমত প্রকাশ করা হয়েছে।

তথ্য উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেছেন যে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কার্যক্রমে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনা দরকার ছিল। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে এবং পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে এই বিষয়গুলোতে আরও বেশি সংবেদনশীল হওয়া জরুরি। বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কে এটি একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন  চীনের রাষ্ট্রীয় ভোজে তারেক রহমান: লি কিয়াংয়ের আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন তারা ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে এই বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চান। শেখ হাসিনার বিতর্কিত বক্তব্য ও কার্যক্রম দুই দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করছে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।

পরিশেষে, শেখ হাসিনা প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সফল করতে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই অব্যাহত রাখবে বলে সংবাদ সম্মেলনে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে চন্দনাইশে ছাত্রশিবিরের 'অদম্য জুলাই' সাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত