ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালো তিলে ৬ উপকার, দিনে কতটা খাবেন?

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৩:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১৫

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ কালো তিল পরিমিত পরিমাণে খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

কালো তিল আকারে ছোট হলেও এতে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, উদ্ভিজ্জ আমিষ, খাদ্যআঁশ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও দস্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে কালো তিল খেলে হৃদযন্ত্রের যত্ন, হজমশক্তি, হাড় ও পেশির স্বাভাবিক কার্যক্রমসহ শরীরের সামগ্রিক সুস্থতায় উপকার মিলতে পারে। তবে তিলে ক্যালরির পরিমাণ বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত না খেয়ে দিনে ১০ থেকে ২০ গ্রাম বা ১ থেকে ২ টেবিল চামচ খাওয়াই যথেষ্ট।

ভারতীয় খাদ্য উপাদান তালিকা অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম কালো তিলে প্রায় ৫০৬ ক্যালরি, ১৯ দশমিক ২ গ্রাম আমিষ এবং ১৭ দশমিক ২ গ্রাম খাদ্যআঁশ থাকে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে জারণজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি তিলের অসম্পৃক্ত চর্বি তুলনামূলক কম স্বাস্থ্যকর চর্বির বিকল্প হিসেবে খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

কালো তিলের অন্যতম উপকারিতা হলো হৃদযন্ত্রের সুস্থতায় সহায়তা করা। এতে থাকা অসম্পৃক্ত চর্বি ও লিগন্যান স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে তিলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষকে ক্ষতিকর জারণজনিত চাপ থেকে সুরক্ষায় সহায়ক। তবে কোনো খাবারই হৃদরোগের চিকিৎসার বিকল্প নয়।তিলে থাকা খাদ্যআঁশ হজমশক্তি ভালো রাখতে এবং নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে পারে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে ওজন কমানোর জন্য শুধু তিলের ওপর নির্ভর না করে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের দিকেও নজর দিতে হবে।

হাড় ও পেশির স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসও পাওয়া যায় কালো তিলে। এতে থাকা খাদ্যআঁশ, আমিষ ও স্বাস্থ্যকর চর্বি খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা তুলনামূলক স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করতে পারে। তিলের দস্তা, লোহা ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ও চুলের স্বাভাবিক পুষ্টিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রতিদিন ১ থেকে ২ টেবিল চামচ কালো তিল দই, সালাদ, চাটনি, পানীয় বা বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। তবে বেশি খেলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে এমন নয়। তিলে ক্যালরি বেশি থাকায় যারা ওজন বা মোট ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করছেন, তাদের পরিমাণের দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া উচিত। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই কালো তিল খাওয়া সবচেয়ে ভালো।

জনপ্রিয় সংবাদ

কালো তিলে ৬ উপকার, দিনে কতটা খাবেন?

Update Time : ০৩:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কালো তিল আকারে ছোট হলেও এতে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, উদ্ভিজ্জ আমিষ, খাদ্যআঁশ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও দস্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে কালো তিল খেলে হৃদযন্ত্রের যত্ন, হজমশক্তি, হাড় ও পেশির স্বাভাবিক কার্যক্রমসহ শরীরের সামগ্রিক সুস্থতায় উপকার মিলতে পারে। তবে তিলে ক্যালরির পরিমাণ বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত না খেয়ে দিনে ১০ থেকে ২০ গ্রাম বা ১ থেকে ২ টেবিল চামচ খাওয়াই যথেষ্ট।

ভারতীয় খাদ্য উপাদান তালিকা অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম কালো তিলে প্রায় ৫০৬ ক্যালরি, ১৯ দশমিক ২ গ্রাম আমিষ এবং ১৭ দশমিক ২ গ্রাম খাদ্যআঁশ থাকে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে জারণজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি তিলের অসম্পৃক্ত চর্বি তুলনামূলক কম স্বাস্থ্যকর চর্বির বিকল্প হিসেবে খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

কালো তিলের অন্যতম উপকারিতা হলো হৃদযন্ত্রের সুস্থতায় সহায়তা করা। এতে থাকা অসম্পৃক্ত চর্বি ও লিগন্যান স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে তিলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষকে ক্ষতিকর জারণজনিত চাপ থেকে সুরক্ষায় সহায়ক। তবে কোনো খাবারই হৃদরোগের চিকিৎসার বিকল্প নয়।তিলে থাকা খাদ্যআঁশ হজমশক্তি ভালো রাখতে এবং নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে পারে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে ওজন কমানোর জন্য শুধু তিলের ওপর নির্ভর না করে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের দিকেও নজর দিতে হবে।

হাড় ও পেশির স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসও পাওয়া যায় কালো তিলে। এতে থাকা খাদ্যআঁশ, আমিষ ও স্বাস্থ্যকর চর্বি খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা তুলনামূলক স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করতে পারে। তিলের দস্তা, লোহা ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ও চুলের স্বাভাবিক পুষ্টিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রতিদিন ১ থেকে ২ টেবিল চামচ কালো তিল দই, সালাদ, চাটনি, পানীয় বা বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। তবে বেশি খেলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে এমন নয়। তিলে ক্যালরি বেশি থাকায় যারা ওজন বা মোট ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করছেন, তাদের পরিমাণের দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া উচিত। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবেই কালো তিল খাওয়া সবচেয়ে ভালো।