চীনের রাষ্ট্রীয় ভোজে তারেক রহমান—আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নিয়ে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সময় কাটিয়েছেন তিনি। কূটনৈতিক এই আয়োজন ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্থানীয় সময় রাতে চীনের দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে এই বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লি কিয়াং। বিশ্ব অর্থনীতি, বাণিজ্য ও সহযোগিতা নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলাপেরও সুযোগ তৈরি হয় এই আয়োজনে।
চীনের রাষ্ট্রীয় ভোজে তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও। দুজনকে একসঙ্গে নৈশভোজে অংশ নিতে দেখা যায়, যা কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন অনেকে।
নৈশভোজে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, গিনি, মন্টিনিগ্রো এবং কাজাখস্তান-এর সরকারপ্রধানরা। বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে বসে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা ভবিষ্যৎ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, এই নৈশভোজে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। একসঙ্গে সময় কাটানোর মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ক ও উন্মুক্ত আলোচনার নতুন পথ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় ভোজে তারেক রহমান অংশ নেওয়ার পর জানা গেছে, বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলনে যোগদান শেষে তিনি বুলেট ট্রেনে বেইজিং যাবেন। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে এই সফর বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
























