ঢাকা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি সফরে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

চীনের দালিয়ানে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫ মিনিটে তাঁকে বহনকারী বিশেষ ফ্লাইট দালিয়ান ঝুশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী । বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানান লিয়াওনিং প্রদেশের ভাইস গভর্নর এবং চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। উষ্ণ অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।

বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে দালিয়ানের শাংগ্রি-লা হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সফরের প্রথম দুই দিন তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন। চীনের স্থানীয় প্রশাসন ও প্রোটোকল কর্মকর্তারা তাঁর সফরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকি করছেন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। ফলে সফরটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সরকারের অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ব অর্থনীতি, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়িক নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এই সম্মেলনটি ‘সামার দাভোস’ নামেও পরিচিত। এখানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রার চিত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দালিয়ানের কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী যাবেন বেইজিং-এ। সেখানে শুরু হবে সফরের মূল দ্বিপক্ষীয় কার্যক্রম। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, জ্বালানি এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ ও চীন এর কূটনৈতিক সম্পর্ক আগামী সময়ে ‘সোনালি ৫০ বছর’-এ প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সফরটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন রূপরেখা নির্ধারণে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চীন বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। বিভিন্ন মেগা প্রকল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিল্প খাতে চীনের বিনিয়োগ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়টি সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সেখানে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম-এর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, শ্রমবাজার এবং বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়।

কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক এবং দুটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিগুলো দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মালয়েশিয়া ও চীন—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ এশীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর সেই কৌশল বাস্তবায়নেরই একটি ধাপ।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীনের মতো অর্থনৈতিক পরাশক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

এছাড়া প্রযুক্তি স্থানান্তর, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্মার্ট অবকাঠামো এবং ডিজিটাল অর্থনীতি খাতেও নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে। সফরে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

চীনে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নেতার সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন। এর মাধ্যমে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও এই সফর ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী মহলও সফরটির দিকে গভীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছে। তারা আশা করছে, সফরের মাধ্যমে নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করবে।

কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সূচনায় এই সফর একটি মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার ক্ষেত্রে সফরটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আগামী ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। সফর শেষে অর্জিত সমঝোতা, চুক্তি এবং কূটনৈতিক অগ্রগতি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে তাই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে চীন সফরকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা বিরাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি সফরে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Update Time : ০৯:৩৩:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫ মিনিটে তাঁকে বহনকারী বিশেষ ফ্লাইট দালিয়ান ঝুশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী । বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানান লিয়াওনিং প্রদেশের ভাইস গভর্নর এবং চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। উষ্ণ অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।

বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে দালিয়ানের শাংগ্রি-লা হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সফরের প্রথম দুই দিন তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন। চীনের স্থানীয় প্রশাসন ও প্রোটোকল কর্মকর্তারা তাঁর সফরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকি করছেন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। ফলে সফরটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সরকারের অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ব অর্থনীতি, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়িক নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানের আহ্বান: শহীদ জিয়ার আদর্শে দেশ গড়তে চায় বিএনপি

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এই সম্মেলনটি ‘সামার দাভোস’ নামেও পরিচিত। এখানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রার চিত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দালিয়ানের কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী যাবেন বেইজিং-এ। সেখানে শুরু হবে সফরের মূল দ্বিপক্ষীয় কার্যক্রম। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, জ্বালানি এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ ও চীন এর কূটনৈতিক সম্পর্ক আগামী সময়ে ‘সোনালি ৫০ বছর’-এ প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সফরটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন রূপরেখা নির্ধারণে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চীন বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। বিভিন্ন মেগা প্রকল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিল্প খাতে চীনের বিনিয়োগ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়টি সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আরও পড়ুন  দুই কোটি শিশুকে হামের ভ্যাকসিন দিতে পারবে প্রধানমন্ত্রী

সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সেখানে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম-এর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, শ্রমবাজার এবং বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়।

কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক এবং দুটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিগুলো দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মালয়েশিয়া ও চীন—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ এশীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর সেই কৌশল বাস্তবায়নেরই একটি ধাপ।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীনের মতো অর্থনৈতিক পরাশক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

এছাড়া প্রযুক্তি স্থানান্তর, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্মার্ট অবকাঠামো এবং ডিজিটাল অর্থনীতি খাতেও নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে। সফরে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে OIC-এর সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চীনে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নেতার সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন। এর মাধ্যমে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও এই সফর ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী মহলও সফরটির দিকে গভীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছে। তারা আশা করছে, সফরের মাধ্যমে নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করবে।

কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সূচনায় এই সফর একটি মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার ক্ষেত্রে সফরটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আগামী ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। সফর শেষে অর্জিত সমঝোতা, চুক্তি এবং কূটনৈতিক অগ্রগতি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে তাই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে চীন সফরকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা বিরাজ করছে।