ঢাকা ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্পেন বিশ্বকাপ ইতিহাস: পুরুষ ও নারী বিশ্বকাপ একসঙ্গে জিতে অনন্য নজির Logo যে কারণে বাতিল হলো নিকো উইলিয়ামসের গোল Logo স্পেন বিশ্বকাপ জয়: দুর্দান্ত জয়ে ১৬ বছর পর আবার বিশ্বসেরা Logo অবিস্মরণীয় ফেরান তোরেস বিশ্বকাপ ফাইনাল গোল, স্পেনের ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান Logo যেকোনো সময় হামলার শঙ্কা! বিশ্বজুড়ে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র Logo বড় সিদ্ধান্ত লিবিয়ার! ডলার ছেড়ে চীনা পেমেন্ট সিস্টেমে যোগ Logo ছাত্রদলের জুলাই আন্দোলন: শক্তিশালী বার্তায় রাকিবুল ইসলামের প্রতিশ্রুতি Logo বার্নিকাট হামলা মামলা: আদালতে আরও দুই সাক্ষীর জবানবন্দি Logo ৫ বছরে দ্বিগুণ হতে পারে সোনার দাম, জানাল ডয়চে ব্যাংক Logo চমকপ্রদ রূপগঞ্জ ইউপি প্রশাসক নিয়োগ: সদস্যদের সবাই বিএনপির নেতা

হরমুজ প্রণালী সংকটে তেলের দাম আকাশছোঁয়া, বিশ্ববাজারে নতুন রেকর্ড

হরমুজ প্রণালী সংকটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।ছবি- সংগ্রহীত

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতের কারণে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ Strait of Hormuz-এ তেল পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইউরোপ ও এশিয়ার শোধনাগারগুলোকে প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য প্রায় ১৫০ ডলার পর্যন্ত মূল্য দিতে হচ্ছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি দাম।

বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, যা বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা বৈশ্বিক চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ।

ফিউচার মার্কেটের তুলনায় সরাসরি বা স্পট মার্কেটে তেলের দাম আরও দ্রুত বেড়েছে। যদিও সম্প্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও, বর্তমান সংকটে বাস্তব সরবরাহের ক্ষেত্রে দাম আরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইউরোপ ও এশিয়ার রিফাইনারিগুলো এখন বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে আফ্রিকার কিছু তেলের গ্রেডের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সেগুলোর দামও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

“পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজারেও স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।”

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেন বিশ্বকাপ ইতিহাস: পুরুষ ও নারী বিশ্বকাপ একসঙ্গে জিতে অনন্য নজির

হরমুজ প্রণালী সংকটে তেলের দাম আকাশছোঁয়া, বিশ্ববাজারে নতুন রেকর্ড

Update Time : ১১:৫০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতের কারণে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ Strait of Hormuz-এ তেল পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইউরোপ ও এশিয়ার শোধনাগারগুলোকে প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য প্রায় ১৫০ ডলার পর্যন্ত মূল্য দিতে হচ্ছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি দাম।

আরও পড়ুন  জ্বালানি সংকট প্রভাব: জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি বিশ্লেষণ

বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, যা বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা বৈশ্বিক চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ।

ফিউচার মার্কেটের তুলনায় সরাসরি বা স্পট মার্কেটে তেলের দাম আরও দ্রুত বেড়েছে। যদিও সম্প্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও, বর্তমান সংকটে বাস্তব সরবরাহের ক্ষেত্রে দাম আরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও পড়ুন  সাংস্কৃতিক আয়ে চমক, জাদুঘর-সার্কাস এগিয়ে, নাটক-থিয়েটার সবচেয়ে পিছিয়ে

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইউরোপ ও এশিয়ার রিফাইনারিগুলো এখন বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে আফ্রিকার কিছু তেলের গ্রেডের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সেগুলোর দামও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আরও পড়ুন  ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জনের আশা, অর্থমন্ত্রীর

“পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজারেও স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।”