ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা

নতুন চুক্তির দিকে এগোচ্ছে দুই দেশ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা চুক্তি বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাবে।

নতুন এই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা গত ৮ এপ্রিল কার্যকর হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে আরও স্থিতিশীল করতে এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান সীমিত সামরিক পাল্টাপাল্টি হামলা, লেবানন ঘিরে উত্তেজনা ও বড় সংঘাতের দীর্ঘদিনের যে আশঙ্কা ছিল তা সম্পূর্ণ দূর করতে একটি বড় মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সামুদ্রিক বাণিজ্য স্থবির হওয়া, ইরানের জাহাজে হামলা এবং মার্কিন কড়া নজরদারির কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে গভীর অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, এই ঐতিহাসিক সমঝোতা ও পারস্পরিক কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহারের মাধ্যমে সেই গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক জলপথে আবার স্বাভাবিক বাণিজ্য চালু হবে।

এই সমঝোতা স্মারক দুই দেশের শীর্ষ আলোচকদের সামনে আগামী ৬০ দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেবে, যার মধ্যে তারা জাতিসংঘ নির্দেশিত বৈশ্বিক শান্তি নীতিমালার আওতায় আরও বিস্তারিত একটি স্থায়ী চুক্তির দিকে এগিয়ে যেতে পারবে, যা আমাদের আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষণ রিপোর্টেও উঠে এসেছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

দুবাই ভ্রমণ: মরুভূমি, বিলাসিতা ও আধুনিক শহরের অভিজ্ঞতা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা

Update Time : ০৮:৪২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা চুক্তি বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাবে।

নতুন এই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা গত ৮ এপ্রিল কার্যকর হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে আরও স্থিতিশীল করতে এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান সীমিত সামরিক পাল্টাপাল্টি হামলা, লেবানন ঘিরে উত্তেজনা ও বড় সংঘাতের দীর্ঘদিনের যে আশঙ্কা ছিল তা সম্পূর্ণ দূর করতে একটি বড় মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।

আরও পড়ুন  সম্মানজনক কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত সংবর্ধনা: কেবিসিসিআইয়ের নতুন উদ্যোগ

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সামুদ্রিক বাণিজ্য স্থবির হওয়া, ইরানের জাহাজে হামলা এবং মার্কিন কড়া নজরদারির কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে গভীর অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, এই ঐতিহাসিক সমঝোতা ও পারস্পরিক কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহারের মাধ্যমে সেই গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক জলপথে আবার স্বাভাবিক বাণিজ্য চালু হবে।

এই সমঝোতা স্মারক দুই দেশের শীর্ষ আলোচকদের সামনে আগামী ৬০ দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেবে, যার মধ্যে তারা জাতিসংঘ নির্দেশিত বৈশ্বিক শান্তি নীতিমালার আওতায় আরও বিস্তারিত একটি স্থায়ী চুক্তির দিকে এগিয়ে যেতে পারবে, যা আমাদের আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষণ রিপোর্টেও উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  তেলের দামে ধস, শেয়ারবাজারে উল্লম্ফন—যুদ্ধবিরতির প্রভাব