ডিএসই লেনদেন আজ ইতিবাচক প্রবণতায় শুরু হয়েছে। সপ্তাহের মধ্যভাগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের প্রথম ৪০ মিনিটেই ১৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান সূচকের উত্থান এবং অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আশাবাদ দেখা গেছে।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টা থেকে লেনদেন শুরু হওয়ার পরপরই বাজারে ক্রয়চাপ বাড়তে থাকে। লেনদেনের প্রথম আট মিনিটেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট পর্যন্ত বেড়ে যায়। যদিও পরবর্তী সময়ে উত্থানের গতি কিছুটা কমে আসে, তবুও সূচকটি ইতিবাচক অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়।
সকাল ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইএক্স সূচক ৯ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬১৪ দশমিক ৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করে। একই সময়ে শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক শূন্য দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১৪০ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে। তবে ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ডিএস৩০ সূচক সামান্য শূন্য দশমিক ০১ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১২৭ দশমিক ৩৬ পয়েন্টে নেমে আসে।
লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ইতিবাচক চিত্রই বেশি দেখা গেছে। এ সময়ে ১৯০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে এবং ৮৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, অধিক সংখ্যক কোম্পানির দর বৃদ্ধির ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা শক্তিশালী হয়েছে।
লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মা, যার শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এছাড়া ন্যাশনাল ফিডের ৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা, ডমিনেজ স্টিলের ৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা, ব্র্যাক ব্যাংকের ৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের ৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ঘিরে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, কেডিএস এক্সেসরিজ, সিনোবাংলা এবং মনোস্পুল পেপারও লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় জায়গা করে নেয়। দিনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ও উচ্চ লেনদেনের পরিমাণ বাজারে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। তবে দিনের বাকি সময় এই ধারা কতটা স্থায়ী হয়, সেটিই এখন বিনিয়োগকারীদের প্রধান নজরকাড়া বিষয়।



























