ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পূর্ব ফ্রান্সে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ১১ জন নিহত Logo ৯ জুলাই খামেনির দাফন, শেষ বিদায়ে ২ কোটি মানুষের প্রস্তুতি Logo আফগানিস্তান–পাকিস্তানে একই দিনে দুই ভূমিকম্প, আতঙ্ক ছড়াল Logo প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীরা Logo হাসপাতাল থেকে ক্যান্সার রোগী নিখোঁজ Logo নুজসাত মৃত্যু মামলায় এক দিনের রিমান্ডে সাকিন, জামিন নাকচ Logo অনিয়মের জবাব চাইলে হাসনাত একচুলও নড়তে পারবে না : মো. তারেক Logo পাগলির মেলা: শতবর্ষী ঐতিহ্যের রঙিন উৎসব, যা দেখতে ভিড় করেন হাজারো মানুষ Logo দারুণ সুযোগ! নতুনধরা আবাসন প্রকল্পে ১০ বছরে কিস্তিতে প্লট বুকিং Logo ওষুধ ও রসায়ন খাতের শক্তিশালী দাপট, লেনদেনে শীর্ষে ডিএসই

প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীরা

জাতীয় সংসদ ভবনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজ। ছবি: সংগৃহীত

সংসদে শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজ আয়োজনটি জাতীয় সংসদ ভবনে এক ভিন্নমাত্রার পরিবেশ তৈরি করেছে। সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। আনুষ্ঠানিক এই আয়োজন পরিণত হয় প্রাণবন্ত এক মতবিনিময় সভায়, যেখানে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা, শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

জাতীয় সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে অংশ নেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের ২৯ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগী সংস্থা ‘সুরভী’-এর মাধ্যমে আসা সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ ২১ জন এবং তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির ১৬ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। সংসদ অধিবেশন সরাসরি দেখার সুযোগের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই টেবিলে বসে মধ্যাহ্নভোজ করার অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারীদের জন্য স্মরণীয় হয়ে ওঠে।

মধ্যাহ্নভোজ চলাকালে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত আগ্রহ সম্পর্কে জানতে চান। তিনি বলেন, কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, খেলাধুলা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় থাকতে হবে। একজন শিক্ষার্থীকে যোগ্য, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।

আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, সততা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম ধারণ করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। তার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন উপস্থিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

সংসদ অধিবেশন পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীরা সংসদের কার্যপ্রণালি, আইন প্রণয়নের ধাপ এবং জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন। অনেক শিক্ষার্থী জানান, পাঠ্যবইয়ে সংসদ সম্পর্কে যা পড়েছেন, বাস্তবে তা কাছ থেকে দেখার সুযোগ তাদের শেখার পরিধি আরও বিস্তৃত করেছে। সংসদের পরিবেশ, অধিবেশন পরিচালনার নিয়ম এবং আলোচনার ধরণ তাদের কাছে ছিল নতুন ও আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষকদের মতে, এ ধরনের শিক্ষা সফর শুধু জ্ঞান অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে। তারা বলেন, শ্রেণিকক্ষের পাঠের পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা একজন শিক্ষার্থীর চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও সমৃদ্ধ করে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষতা উন্নয়নের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি নৈতিকতা এবং দায়িত্ববোধও সমানভাবে প্রয়োজন। দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ, মানবিক সহায়তা এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একজন তরুণ দেশের উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে পারেন। শিক্ষাজীবন থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলি ও ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

মধ্যাহ্নভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা সংসদ ভবন পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা এবং নিজেদের অনুভূতি ভাগাভাগি করেন। অনেকেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন নেতার সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগকে জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

আয়োজনে উপস্থিত সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরাও নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তারা জানান, জাতীয় সংসদ ভবন ঘুরে দেখা এবং এমন একটি আয়োজনে অংশ নেওয়া তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তরুণদের মধ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামো সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারে।

সব মিলিয়ে সংসদে শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজ আয়োজনটি ছিল শিক্ষা, অনুপ্রেরণা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ করা, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় এবং রাষ্ট্রীয় পরিবেশকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ চিন্তা ও নেতৃত্ব বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্ব ফ্রান্সে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ১১ জন নিহত

প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীরা

Update Time : ০৫:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সংসদে শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজ আয়োজনটি জাতীয় সংসদ ভবনে এক ভিন্নমাত্রার পরিবেশ তৈরি করেছে। সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। আনুষ্ঠানিক এই আয়োজন পরিণত হয় প্রাণবন্ত এক মতবিনিময় সভায়, যেখানে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা, শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

জাতীয় সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে অংশ নেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের ২৯ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগী সংস্থা ‘সুরভী’-এর মাধ্যমে আসা সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ ২১ জন এবং তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির ১৬ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। সংসদ অধিবেশন সরাসরি দেখার সুযোগের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই টেবিলে বসে মধ্যাহ্নভোজ করার অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারীদের জন্য স্মরণীয় হয়ে ওঠে।

মধ্যাহ্নভোজ চলাকালে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত আগ্রহ সম্পর্কে জানতে চান। তিনি বলেন, কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, খেলাধুলা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় থাকতে হবে। একজন শিক্ষার্থীকে যোগ্য, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি সম্পর্ক আরও গভীর করতে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা

আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, সততা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম ধারণ করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। তার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন উপস্থিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

সংসদ অধিবেশন পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীরা সংসদের কার্যপ্রণালি, আইন প্রণয়নের ধাপ এবং জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন। অনেক শিক্ষার্থী জানান, পাঠ্যবইয়ে সংসদ সম্পর্কে যা পড়েছেন, বাস্তবে তা কাছ থেকে দেখার সুযোগ তাদের শেখার পরিধি আরও বিস্তৃত করেছে। সংসদের পরিবেশ, অধিবেশন পরিচালনার নিয়ম এবং আলোচনার ধরণ তাদের কাছে ছিল নতুন ও আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষকদের মতে, এ ধরনের শিক্ষা সফর শুধু জ্ঞান অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে। তারা বলেন, শ্রেণিকক্ষের পাঠের পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা একজন শিক্ষার্থীর চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও সমৃদ্ধ করে।

আরও পড়ুন  তাপপ্রবাহ ১১ জেলায়, টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস রোববার থেকে

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষতা উন্নয়নের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি নৈতিকতা এবং দায়িত্ববোধও সমানভাবে প্রয়োজন। দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ, মানবিক সহায়তা এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একজন তরুণ দেশের উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে পারেন। শিক্ষাজীবন থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলি ও ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

মধ্যাহ্নভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা সংসদ ভবন পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা এবং নিজেদের অনুভূতি ভাগাভাগি করেন। অনেকেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন নেতার সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগকে জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে কুয়ালালামপুর যাত্রা

আয়োজনে উপস্থিত সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরাও নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তারা জানান, জাতীয় সংসদ ভবন ঘুরে দেখা এবং এমন একটি আয়োজনে অংশ নেওয়া তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তরুণদের মধ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামো সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারে।

সব মিলিয়ে সংসদে শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজ আয়োজনটি ছিল শিক্ষা, অনুপ্রেরণা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ করা, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় এবং রাষ্ট্রীয় পরিবেশকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ চিন্তা ও নেতৃত্ব বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।