সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল)-এর তত্ত্বাবধানে এবং অফিসার ইনচার্জ, চকরিয়া থানার নেতৃত্বে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ও চকরিয়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ডাকাতি মামলার এজাহারনামীয় ও একাধিক মামলার আসামি জিসান (২৫)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. দুপুর ১টা ১০ মিনিটে চকরিয়া থানাধীন পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের বটতলী বাজারের দক্ষিণ কোনাখালী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত জিসান চকরিয়া থানার চাঞ্চল্যকর ডাকাতি সহ ধর্ষণ মামলা নং-২০/২৪৭, তারিখ-১০/০৬/২০২৬ খ্রি., ধারা ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫)-এর এজাহারনামীয় ২নং আসামি।
গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১.৪৫ ঘটিকার সময় কোনাখালী ইউনিয়নের খাসপাড়া, দক্ষিণ কোনাখালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আসামির দেখানো ও শনাক্ত মতে ০৮নং ওয়ার্ডের নূর মোহাম্মদের টিনের বসতঘরের কাঠের সিলিংয়ের ওপর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায়
▪️ ০১টি পুরাতন দেশীয় তৈরি একনলা এলজি বন্দুক
▪️ ০১টি সেলাই র্যা ঞ্জ গ্রীল কাটার
▪️ ০১টি দামা
▪️ ০১টি কিরিচ
উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতসমূহ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে যথাযথভাবে জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো ডাকাতির কাজে ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছে বলে জানা যায়।
উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে চকরিয়া থানার এফআইআর নং-৪৫, তারিখ-২৯/০৮/২০২৬ খ্রি., জিআর নং-৩৬৯, ধারা ১৯(এ), The Arms Act, 1878 মূলে মামলা রুজু করা হয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
চকরিয়া থানা পুলিশ অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে।



























