ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে ৭% ঋণ, মিলবে বড় সুবিধা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:২২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১৬

হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে নতুন ঋণ সুবিধা। ছবি: সংগৃহীত

হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোক্তাদের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার প্রাক্‌-অর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন যোগ্য উদ্যোক্তারা। রপ্তানি বাড়ানো, বৈদেশিক মুদ্রা আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে তহবিলের আওতায় ঋণ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সুবিধা পেতে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে অংশগ্রহণকারী চুক্তি করতে হবে।

তহবিলের অর্থ দিয়ে হিমায়িত চিংড়ি, মাছ ও মৎস্যজাত পণ্যসহ বিভিন্ন খাদ্য প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানিসংশ্লিষ্ট কাজে বিনিয়োগ করা যাবে। কাঁচামাল কেনা, কারখানা সম্প্রসারণ, আধুনিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণেও ঋণের অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

বন্ধ বা আংশিক সচল কারখানা পুনরায় চালু করার পাশাপাশি উৎপাদন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রেও এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে। পরিবেশগত ক্ষতি কমানোর উদ্যোগেও তহবিলের সুবিধা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

নতুন কারখানা নির্মাণে সর্বোচ্চ সাত বছর এবং বিদ্যমান কারখানা সংস্কার বা আধুনিকায়নে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর মেয়াদে ঋণ পাওয়া যাবে। চলতি মূলধনের ঋণের মেয়াদ এক বছর। ব্যাংক ও গ্রাহকের অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ৭০:৩০ নির্ধারণ করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, বিদ্যমান কারখানা সংস্কার বা আধুনিকায়নে সর্বোচ্চ ২০ কোটি এবং নতুন কারখানা নির্মাণে সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা মেয়াদি ঋণ দেওয়া যাবে। চলতি মূলধনের সংকটে বন্ধ হয়ে যাওয়া রপ্তানিকারকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে খেলাপি ঋণগ্রহীতা বা একই খাতে সরকারি অন্য তহবিলের সুবিধা চলমান থাকা প্রতিষ্ঠান এই ঋণ পাবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

২১ বছর পর লেস্টার ছাড়ছেন হামজা, নতুন ঠিকানা শেফিল্ড

হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে ৭% ঋণ, মিলবে বড় সুবিধা

Update Time : ০৯:২২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোক্তাদের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার প্রাক্‌-অর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন যোগ্য উদ্যোক্তারা। রপ্তানি বাড়ানো, বৈদেশিক মুদ্রা আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে তহবিলের আওতায় ঋণ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সুবিধা পেতে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে অংশগ্রহণকারী চুক্তি করতে হবে।

আরও পড়ুন  এনভিডিয়ার বিশাল সহায়তা: ওপেনএআই ডেটা সেন্টারে ২৫০ বিলিয়ন ডলারের নতুন পরিকল্পনা

তহবিলের অর্থ দিয়ে হিমায়িত চিংড়ি, মাছ ও মৎস্যজাত পণ্যসহ বিভিন্ন খাদ্য প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানিসংশ্লিষ্ট কাজে বিনিয়োগ করা যাবে। কাঁচামাল কেনা, কারখানা সম্প্রসারণ, আধুনিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণেও ঋণের অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

বন্ধ বা আংশিক সচল কারখানা পুনরায় চালু করার পাশাপাশি উৎপাদন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রেও এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে। পরিবেশগত ক্ষতি কমানোর উদ্যোগেও তহবিলের সুবিধা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন  সঞ্চয়পত্র নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা

নতুন কারখানা নির্মাণে সর্বোচ্চ সাত বছর এবং বিদ্যমান কারখানা সংস্কার বা আধুনিকায়নে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর মেয়াদে ঋণ পাওয়া যাবে। চলতি মূলধনের ঋণের মেয়াদ এক বছর। ব্যাংক ও গ্রাহকের অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ৭০:৩০ নির্ধারণ করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, বিদ্যমান কারখানা সংস্কার বা আধুনিকায়নে সর্বোচ্চ ২০ কোটি এবং নতুন কারখানা নির্মাণে সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা মেয়াদি ঋণ দেওয়া যাবে। চলতি মূলধনের সংকটে বন্ধ হয়ে যাওয়া রপ্তানিকারকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে খেলাপি ঋণগ্রহীতা বা একই খাতে সরকারি অন্য তহবিলের সুবিধা চলমান থাকা প্রতিষ্ঠান এই ঋণ পাবে না।

আরও পড়ুন  অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় চুক্তি, গ্যাসে ঝুঁকছে আরডব্লিউই