চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের মীরসরাই ইকোনমিক জোনে নির্মাণাধীন একটি কারখানায় ডাকাতির ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। টানা ৩২ ঘণ্টার অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত প্রায় ২৫০ মিটার বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ৯ আগস্ট ২০২৬ রাত ২টা থেকে ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে জোরারগঞ্জ থানাধীন মীরসরাই ইকোনমিক জোনের বাংলাদেশ অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নির্মাণাধীন ফ্যাক্টরিতে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল প্রবেশ করে। এ সময় তারা নিরাপত্তাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ৩টি মোবাইল ফোন, আনুমানিক ২৫০ মিটার বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর জোরারগঞ্জ থানায় মামলা করা হলে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই (নিঃ) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ-এর ওপর।
ঘটনার পরপরই চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায়, সহকারী পুলিশ সুপার, মীরসরাই সার্কেল নাদিম হায়দায় চৌধুরী-এর তত্ত্বাবধানে এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল হালিম-এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান শুরু করে পুলিশ।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) আব্দুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মীরসরাই ইকোনমিক জোন ও আশপাশের এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালায়। একপর্যায়ে টানা ৩২ ঘণ্টার অভিযানে মীরসরাই ইকোনমিক জোন এলাকা থেকে ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান (২৩), মোঃ রাকিব (২১) ও এমদাদুল হক প্রকাশ এমরান (২৮)-এর দেখানো মতে ১০ আগস্ট ২০২৬ ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৫ মিনিটে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন মেহেদী হাসান (২৩), মোঃ রাকিব (২১), সুজাউল হক প্রকাশ সুজা উল্লাহ (২৪), এমদাদুল হক প্রকাশ এমরান (২৮), মিজান উদ্দিন (৩২), মোঃ সাখাওয়াত হোসেন প্রকাশ নাহিদ (২৪) এবং ইউসুফ (২৬)।

পুলিশ জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিল্পাঞ্চল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।



























