রায় ঘোষণার সময় আদালত মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ, জব্দকৃত আলামত এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ দেন। এর ভিত্তিতেই সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়।
আদালতের রায় অনুযায়ী, পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সাজা কার্যকরের জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
মামলাটি দীর্ঘ সময় বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং পরবর্তীতে সাক্ষীদের সাক্ষ্য, জেরা ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক বার্তা দেয়। তবে বিচারিক রায়ের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগও থাকে।
নিহত সাব্বিরের পরিবারের সদস্যরা আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই আদালত এ রায় দিয়েছেন এবং এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
এদিকে শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বলছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত হলে এ ধরনের অপরাধ কমাতে তা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।




























