ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন চমেক হাসপাতাল, দুর্ভোগে রোগীরা Logo ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াতে এই ৫টি কাজ করুন আজই Logo মৌলভীবাজারে বাঁধ সংস্কার কাজ বন্ধ, চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা Logo খাগড়াছড়ি জেলা কারাগার থেকে পলাতক আসামি শফিকুল চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার Logo মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে ‘বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ বলল ইরান Logo মার্কিন শুল্ক আরোপের যুক্তি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা Logo ইলিশ বিক্রির নামে অনলাইন প্রতারণা, গ্রেফতার ২জন Logo নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন, প্রজ্ঞাপন জারি Logo বৃষ্টি হলেও কমছে না ভ্যাপসা গরম Logo নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা

ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াতে এই ৫টি কাজ করুন আজই

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০২

রাউটারের সঠিক অবস্থান ও প্রয়োজনীয় ডিভাইস ব্যবহারে বাড়ানো যায় ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কভারেজ।

ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াতে করুন কয়েকটি সহজ কাজবাড়ির এক ঘরে রাউটার রাখলে অন্য ঘরে ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই পড়েন।সিগন্যাল দুর্বল হওয়ায় ঘরের সব জায়গায় সমান গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।তবে রাউটার সঠিক জায়গায় রাখা ও কিছু সেটিংস পরিবর্তন করলে এই সমস্যা অনেকটাই কমানো যায়।এ ছাড়া রেঞ্জ এক্সটেন্ডার, মেশ ওয়াই-ফাই বা রিপিটার ব্যবহার করেও বাড়ানো যায় কভারেজ।

রাউটারের অবস্থান ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কভারেজের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।তাই রাউটার বাড়ির এমন একটি কেন্দ্রীয় জায়গায় রাখা ভালো, যেখান থেকে সবদিকে সিগন্যাল ছড়াতে পারে।রাউটার মেঝেতে না রেখে কিছুটা উঁচু জায়গায় রাখলে সিগন্যাল ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ বাড়ে।এ ছাড়া রাউটার খোলা জায়গায় রাখা উচিত এবং এর ওপর কোনো ঢাকনা দেওয়া ঠিক নয়।

রাউটারের আশপাশে দেয়াল, আসবাব বা অন্য কোনো বড় বাধা থাকলে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে।বিশেষ করে ধাতব বস্তু ও মোটা দেয়াল সিগন্যালের বিস্তারে বাধা তৈরি করতে পারে।তাই রাউটার রাখার সময় আশপাশের পরিবেশও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।সঠিক অবস্থানে রাউটার রাখলে অতিরিক্ত যন্ত্র ছাড়াই কভারেজ কিছুটা উন্নত হতে পারে।

বড় বাড়ি বা একাধিক কক্ষের ক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই রেঞ্জ এক্সটেন্ডার ব্যবহার করা যেতে পারে।এই যন্ত্র মূল রাউটারের সিগন্যাল গ্রহণ করে বাড়ির অপেক্ষাকৃত দূরের জায়গায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।ফলে যেখানে আগে দুর্বল সিগন্যাল পাওয়া যেত, সেখানে তুলনামূলক ভালো সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়।তবে এক্সটেন্ডার এমন জায়গায় বসাতে হবে, যেখানে মূল রাউটারের সিগন্যাল ভালোভাবে পাওয়া যায়।

আরও ভালো কভারেজের জন্য মেশ ওয়াই-ফাই সিস্টেমও ব্যবহার করা যেতে পারে।বিশেষ করে বড় বাড়ি বা একাধিক তলার ভবনে এই ধরনের ব্যবস্থা বেশ কার্যকর হতে পারে।মেশ সিস্টেমে একাধিক নোড একসঙ্গে কাজ করে পুরো এলাকায় ওয়াই-ফাই কভারেজ তৈরি করে।ফলে বাড়ির বিভিন্ন অংশে চলাফেরা করার সময় সংযোগ তুলনামূলক স্থিতিশীল রাখা যায়।

অনেক দিন ধরে পুরোনো রাউটার ব্যবহার করলেও ওয়াই-ফাই নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।পুরোনো প্রযুক্তির রাউটারে নতুন ডিভাইসের চাহিদা অনুযায়ী কর্মক্ষমতা পাওয়া সবসময় সম্ভব হয় না।এমন পরিস্থিতিতে ভালো পরিসর ও আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন  রাউটারের আধুনিকীকরণ করা যেতে পারে।নতুন রাউটার কেনার আগে বাড়ির আকার ও ব্যবহারের প্রয়োজন অনুযায়ী মডেল নির্বাচন করা উচিত।

ওয়াই-ফাইয়ের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ঠিকভাবে পরিবর্তন করেও সংযোগের মান উন্নত করা সম্ভব।আশপাশের অন্য নেটওয়ার্কের কারণে একই চ্যানেলে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হলে গতি কমে যেতে পারে।তাই প্রয়োজন অনুযায়ী রাউটারের ওয়াই-ফাই চ্যানেল পরিবর্তন করে বাধা কমানোর চেষ্টা করা যায়।
একই সঙ্গে অননুমোদিত ব্যবহার রোধ করতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও নিরাপত্তা কার্যাবলি চালু রাখা জরুরি।

ওয়াই-ফাই সংকেত বর্ধক ও দুর্বলসংকেতপূর্ণ  জায়গায় সংযোগ পৌঁছে দিতে কাজে আসতে পারে।রিপিটার মূল ওয়াই-ফাই সিগন্যাল গ্রহণ করে সেটি আবার বাড়ির অন্য অংশে ছড়িয়ে দেয়।তবে রিপিটারও এমন জায়গায় স্থাপন করা দরকার, যেখানে মূল রাউটারের সিগন্যাল যথেষ্ট শক্তিশালী।সঠিকভাবে ব্যবহার করলে বাড়ির দূরের কক্ষগুলোতেও ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সুবিধা বাড়তে পারে।

তাই ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে গেলে শুধু ইন্টারনেট সংযোগের ওপর দায় না দিয়ে রাউটার ও নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাও পরীক্ষা করা উচিত।রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ডিভাইস ব্যবহার করা যেতে পারে।বাড়ির আকার ও ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনুযায়ী সঠিক সমাধান বেছে নিলে ওয়াই-ফাই কভারেজ উন্নত করা সম্ভব।এসব সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করলে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় আরও ভালো ওয়াই-ফাই সংযোগ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন চমেক হাসপাতাল, দুর্ভোগে রোগীরা

ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াতে এই ৫টি কাজ করুন আজই

Update Time : ০২:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াতে করুন কয়েকটি সহজ কাজবাড়ির এক ঘরে রাউটার রাখলে অন্য ঘরে ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই পড়েন।সিগন্যাল দুর্বল হওয়ায় ঘরের সব জায়গায় সমান গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।তবে রাউটার সঠিক জায়গায় রাখা ও কিছু সেটিংস পরিবর্তন করলে এই সমস্যা অনেকটাই কমানো যায়।এ ছাড়া রেঞ্জ এক্সটেন্ডার, মেশ ওয়াই-ফাই বা রিপিটার ব্যবহার করেও বাড়ানো যায় কভারেজ।

রাউটারের অবস্থান ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কভারেজের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।তাই রাউটার বাড়ির এমন একটি কেন্দ্রীয় জায়গায় রাখা ভালো, যেখান থেকে সবদিকে সিগন্যাল ছড়াতে পারে।রাউটার মেঝেতে না রেখে কিছুটা উঁচু জায়গায় রাখলে সিগন্যাল ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ বাড়ে।এ ছাড়া রাউটার খোলা জায়গায় রাখা উচিত এবং এর ওপর কোনো ঢাকনা দেওয়া ঠিক নয়।

রাউটারের আশপাশে দেয়াল, আসবাব বা অন্য কোনো বড় বাধা থাকলে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে।বিশেষ করে ধাতব বস্তু ও মোটা দেয়াল সিগন্যালের বিস্তারে বাধা তৈরি করতে পারে।তাই রাউটার রাখার সময় আশপাশের পরিবেশও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।সঠিক অবস্থানে রাউটার রাখলে অতিরিক্ত যন্ত্র ছাড়াই কভারেজ কিছুটা উন্নত হতে পারে।

আরও পড়ুন  প্রেম নিয়ে ৪ ভুল ধারণা, যা ভাঙতে পারে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ

বড় বাড়ি বা একাধিক কক্ষের ক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই রেঞ্জ এক্সটেন্ডার ব্যবহার করা যেতে পারে।এই যন্ত্র মূল রাউটারের সিগন্যাল গ্রহণ করে বাড়ির অপেক্ষাকৃত দূরের জায়গায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।ফলে যেখানে আগে দুর্বল সিগন্যাল পাওয়া যেত, সেখানে তুলনামূলক ভালো সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়।তবে এক্সটেন্ডার এমন জায়গায় বসাতে হবে, যেখানে মূল রাউটারের সিগন্যাল ভালোভাবে পাওয়া যায়।

আরও ভালো কভারেজের জন্য মেশ ওয়াই-ফাই সিস্টেমও ব্যবহার করা যেতে পারে।বিশেষ করে বড় বাড়ি বা একাধিক তলার ভবনে এই ধরনের ব্যবস্থা বেশ কার্যকর হতে পারে।মেশ সিস্টেমে একাধিক নোড একসঙ্গে কাজ করে পুরো এলাকায় ওয়াই-ফাই কভারেজ তৈরি করে।ফলে বাড়ির বিভিন্ন অংশে চলাফেরা করার সময় সংযোগ তুলনামূলক স্থিতিশীল রাখা যায়।

আরও পড়ুন  হার্ট ও কিডনি ভালো রাখতে খান এই ৪ মাছ

অনেক দিন ধরে পুরোনো রাউটার ব্যবহার করলেও ওয়াই-ফাই নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।পুরোনো প্রযুক্তির রাউটারে নতুন ডিভাইসের চাহিদা অনুযায়ী কর্মক্ষমতা পাওয়া সবসময় সম্ভব হয় না।এমন পরিস্থিতিতে ভালো পরিসর ও আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন  রাউটারের আধুনিকীকরণ করা যেতে পারে।নতুন রাউটার কেনার আগে বাড়ির আকার ও ব্যবহারের প্রয়োজন অনুযায়ী মডেল নির্বাচন করা উচিত।

ওয়াই-ফাইয়ের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ঠিকভাবে পরিবর্তন করেও সংযোগের মান উন্নত করা সম্ভব।আশপাশের অন্য নেটওয়ার্কের কারণে একই চ্যানেলে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হলে গতি কমে যেতে পারে।তাই প্রয়োজন অনুযায়ী রাউটারের ওয়াই-ফাই চ্যানেল পরিবর্তন করে বাধা কমানোর চেষ্টা করা যায়।
একই সঙ্গে অননুমোদিত ব্যবহার রোধ করতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও নিরাপত্তা কার্যাবলি চালু রাখা জরুরি।

আরও পড়ুন  অন্যের হাই দেখে আপনারও হাই ওঠে? রহস্য জানালেন গবেষকরা

ওয়াই-ফাই সংকেত বর্ধক ও দুর্বলসংকেতপূর্ণ  জায়গায় সংযোগ পৌঁছে দিতে কাজে আসতে পারে।রিপিটার মূল ওয়াই-ফাই সিগন্যাল গ্রহণ করে সেটি আবার বাড়ির অন্য অংশে ছড়িয়ে দেয়।তবে রিপিটারও এমন জায়গায় স্থাপন করা দরকার, যেখানে মূল রাউটারের সিগন্যাল যথেষ্ট শক্তিশালী।সঠিকভাবে ব্যবহার করলে বাড়ির দূরের কক্ষগুলোতেও ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সুবিধা বাড়তে পারে।

তাই ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে গেলে শুধু ইন্টারনেট সংযোগের ওপর দায় না দিয়ে রাউটার ও নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাও পরীক্ষা করা উচিত।রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ডিভাইস ব্যবহার করা যেতে পারে।বাড়ির আকার ও ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনুযায়ী সঠিক সমাধান বেছে নিলে ওয়াই-ফাই কভারেজ উন্নত করা সম্ভব।এসব সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করলে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় আরও ভালো ওয়াই-ফাই সংযোগ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।