মালয়েশিয়ায় প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ও ধর্মপ্রচারক ড. জাকির নায়েকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের ইসলামি বক্তা ও গবেষক শায়খ আহমাদুল্লাহ। এ সময় নিজের লেখা ‘সকাল-সন্ধ্যা দুআ’ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণ জাকির নায়েকের হাতে তুলে দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে সাক্ষাতের বিষয়টি জানান আহমাদুল্লাহ। পোস্টে জাকির নায়েকের সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবিও প্রকাশ করেন তিনি।
সেখানে আহমাদুল্লাহ জানান, মালয়েশিয়ায় জাকির নায়েকের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছে। সাক্ষাতের সময় নিজের লেখা ‘সকাল-সন্ধ্যা দুআ’ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণ তার হাতে তুলে দেন তিনি।
বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। পোস্টের নিচে দেশ-বিদেশের অনেক পাঠক ও আলেম মন্তব্য করেন। তারা দুজনের সুস্থতা এবং দাওয়াহ কার্যক্রমের অগ্রগতির জন্য শুভকামনা জানান।
বাংলাদেশের ইসলামি অঙ্গনে শায়খ আহমাদুল্লাহ একজন পরিচিত বক্তা ও গবেষক হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন ধর্মীয় বিষয়ে আলোচনা এবং লেখালেখির পাশাপাশি তিনি ইসলামি জ্ঞানভিত্তিক বইও প্রকাশ করেছেন।
তার লেখা ‘সকাল-সন্ধ্যা দুআ’ বইটি দুআ ও যিকিরের বিষয়কে কেন্দ্র করে লেখা। বইটিতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সকাল-সন্ধ্যার দুআ ও যিকির বিষয়ক আলোচনা স্থান পেয়েছে। বইটির ইংরেজি সংস্করণও প্রকাশিত হয়েছে।
এর আগে এক পোস্টে আহমাদুল্লাহ জানিয়েছিলেন, তার লেখা এই বইটি বিপুলসংখ্যক পাঠকের কাছে পৌঁছেছে। তার দাবি অনুযায়ী, ‘সকাল-সন্ধ্যা দুআ’ বইটি ১২ লাখ মানুষের হাতে পৌঁছেছে।
মালয়েশিয়ায় জাকির নায়েকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বইটির ইংরেজি সংস্করণ উপহার দেওয়ার বিষয়টি তাই তার জন্যও উল্লেখযোগ্য ঘটনা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একজন ইসলামি চিন্তাবিদের হাতে বইটি তুলে দেওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
অন্যদিকে ড. জাকির নায়েক আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একজন ইসলামি বক্তা ও ধর্মপ্রচারক। বিভিন্ন দেশে তার বক্তব্য ও ইসলামি আলোচনার জন্য তিনি পরিচিত। মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালে তার সঙ্গে আহমাদুল্লাহর এই সাক্ষাতের খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে অনুসারীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সাক্ষাতের বিস্তারিত আলোচনা বা ভবিষ্যৎ কোনো যৌথ কার্যক্রমের বিষয়ে আহমাদুল্লাহর পোস্টে অতিরিক্ত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তবে দুই ইসলামি বক্তার সাক্ষাতের ছবি এবং বই উপহার দেওয়ার বিষয়টি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।




























