ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনোয়ারা উপকূলে ভেসে এল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ

জোয়ারের পানিতে ভেসে এলো মরদেহ।ছবি: সংগৃহীত

আনোয়ারা উপকূলে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পরুয়া এলাকার ছাত্তার মাঝির ঘাটসংলগ্ন বেড়িবাঁধের পাথরের ব্লকের ফাঁক থেকে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে আনোয়ারা থানা পুলিশ।

জোয়ারের পানিতে ভেসে আসে মরদেহ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে জোয়ারের পানির সঙ্গে একটি মরদেহ ভেসে এসে বেড়িবাঁধের পাথরের ব্লকের মধ্যে আটকে যায়। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা দ্রুত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।

নিহতের পরিচয় এখনো জানা যায়নি

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির আনুমানিক বয়স ৩৫ বছর। তার পরনে একটি গেঞ্জি ছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

মরদেহে কোনো পরিচয়পত্র বা এমন কোনো আলামত পাওয়া যায়নি, যার মাধ্যমে সহজে পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্যের বক্তব্য

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং পরে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

তিনি বলেন, মরদেহটি জোয়ারের পানিতে ভেসে এসে পাথরের ব্লকের ফাঁকে আটকে ছিল।

ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে।

তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ

পুলিশ বলছে, মরদেহটি কোথা থেকে ভেসে এসেছে এবং এটি কোনো দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ছাড়া আশপাশের থানাগুলোতে কোনো নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা হবে। পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আনোয়ারা উপকূলে ভেসে এল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ

Update Time : ০৮:১৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

আনোয়ারা উপকূলে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পরুয়া এলাকার ছাত্তার মাঝির ঘাটসংলগ্ন বেড়িবাঁধের পাথরের ব্লকের ফাঁক থেকে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে আনোয়ারা থানা পুলিশ।

জোয়ারের পানিতে ভেসে আসে মরদেহ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে জোয়ারের পানির সঙ্গে একটি মরদেহ ভেসে এসে বেড়িবাঁধের পাথরের ব্লকের মধ্যে আটকে যায়। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা দ্রুত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশকে খবর দেন।

আরও পড়ুন  জুনে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি, ৩ দিন তাপপ্রবাহের শঙ্কা

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।

নিহতের পরিচয় এখনো জানা যায়নি

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির আনুমানিক বয়স ৩৫ বছর। তার পরনে একটি গেঞ্জি ছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

মরদেহে কোনো পরিচয়পত্র বা এমন কোনো আলামত পাওয়া যায়নি, যার মাধ্যমে সহজে পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।

আরও পড়ুন  কক্সবাজারের আকাশে হঠাৎ মিসাইল আকৃতির আলো

স্থানীয় ইউপি সদস্যের বক্তব্য

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং পরে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

তিনি বলেন, মরদেহটি জোয়ারের পানিতে ভেসে এসে পাথরের ব্লকের ফাঁকে আটকে ছিল।

ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বৃষ্টিবলয় ‘গর্জন’ আসছে: কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রসহ বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির শঙ্কা কয়েক বিভাগে

তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ

পুলিশ বলছে, মরদেহটি কোথা থেকে ভেসে এসেছে এবং এটি কোনো দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ছাড়া আশপাশের থানাগুলোতে কোনো নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা হবে। পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।