ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাশিয়ায় কর্মী পাঠানো বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ Logo মার্তিনেজকে দলে চায় জুভেন্তাস, বিশ্বকাপের আগে জোর গুঞ্জন Logo অনার্স কোর্স: উচ্চশিক্ষায় নতুন সংস্কার পরিকল্পনা Logo ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল এখন কোথায়? Logo বিশ্ববাজারে নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে Logo আদিতমারীতে কিশোর মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু, ছুরিকাঘাতের ঘটনায় চাঞ্চল্য Logo ব্রাজিলের খারাপ সময়ও অনেক দলের সেরা সময়ের চেয়ে বড় Logo জুলাইয়ের আহতদের পাশে প্রশাসন, পুনর্বাসনের আশ্বাস জেলা প্রশাসকের Logo তারকা জুটির বিলাসবহুল বিয়ে ঘিরে ক্ষোভ, ইতালির শহরে প্রতিবাদে নামলেন বাসিন্দারা Logo স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায়, আপিলে শুনানি কাল

গাজার মতো লেবাননে একই প্ল্যান নিয়ে ‘হলুদ রেখা’ দিচ্ছে ইসরায়েল

লেবানন সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ইসরায়েলি সেনারা।

গাজায় ব্যবহৃত কৌশল অনুসরণ করে এবার লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, এই সীমারেখা যুদ্ধবিরতি-পরবর্তী বাস্তবতায় একটি নতুন নিয়ন্ত্রণরেখা হিসেবে কাজ করবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে নির্ধারিত এলাকার ভেতরে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হতে পারে। অর্থাৎ, যেসব অঞ্চল আইডিএফের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সেখানে সাধারণ মানুষের ফিরে যাওয়ার সুযোগ সীমিত বা পুরোপুরি বন্ধ থাকতে পারে।

আইডিএফ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাজায় যে ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি মূলত একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণসীমা—যেখানে বেসামরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকে। একই মডেল এখন লেবাননেও প্রয়োগ করা হচ্ছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে আইডিএফ জানায়, ইতোমধ্যে লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় এই সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে ওই সীমা পর্যন্তই তাদের সামরিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফেরার সুযোগ নেই

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, নির্ধারিত সীমার ভেতরে থাকা লেবাননের অন্তত ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের আপাতত তাদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যেতে দেওয়া হবে না। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও অভিযান চলবে

আইডিএফ আরও জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংসের লক্ষ্যে এসব এলাকায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি তাদের রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Israel Katz বলেন, দখল ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এলাকাগুলোতে ভবিষ্যতেও ইসরায়েলি বাহিনী তাদের উপস্থিতি বজায় রাখবে।

সংক্ষেপে:

  • গাজার মতো কৌশল লেবাননেও প্রয়োগ করছে ইসরায়েল
  • ‘হলুদ রেখা’ নতুন নিয়ন্ত্রণসীমা হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা
  • ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফেরার অনুমতি নেই
  • যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা
জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়ায় কর্মী পাঠানো বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ

গাজার মতো লেবাননে একই প্ল্যান নিয়ে ‘হলুদ রেখা’ দিচ্ছে ইসরায়েল

Update Time : ০২:২৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

গাজায় ব্যবহৃত কৌশল অনুসরণ করে এবার লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, এই সীমারেখা যুদ্ধবিরতি-পরবর্তী বাস্তবতায় একটি নতুন নিয়ন্ত্রণরেখা হিসেবে কাজ করবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে নির্ধারিত এলাকার ভেতরে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হতে পারে। অর্থাৎ, যেসব অঞ্চল আইডিএফের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সেখানে সাধারণ মানুষের ফিরে যাওয়ার সুযোগ সীমিত বা পুরোপুরি বন্ধ থাকতে পারে।

আরও পড়ুন  আরাল সাগর এখন মরুভূমি, বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হ্রদের পতন

আইডিএফ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাজায় যে ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি মূলত একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণসীমা—যেখানে বেসামরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকে। একই মডেল এখন লেবাননেও প্রয়োগ করা হচ্ছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে আইডিএফ জানায়, ইতোমধ্যে লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় এই সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে ওই সীমা পর্যন্তই তাদের সামরিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ঢাকা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক জোরদারে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র

৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফেরার সুযোগ নেই

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, নির্ধারিত সীমার ভেতরে থাকা লেবাননের অন্তত ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের আপাতত তাদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যেতে দেওয়া হবে না। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও অভিযান চলবে

আইডিএফ আরও জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংসের লক্ষ্যে এসব এলাকায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি তাদের রয়েছে।

আরও পড়ুন  ইসরাইলকে নিয়ে কঠোর বার্তা খামেনির, বাড়ছে উত্তেজনা

এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Israel Katz বলেন, দখল ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এলাকাগুলোতে ভবিষ্যতেও ইসরায়েলি বাহিনী তাদের উপস্থিতি বজায় রাখবে।

সংক্ষেপে:

  • গাজার মতো কৌশল লেবাননেও প্রয়োগ করছে ইসরায়েল
  • ‘হলুদ রেখা’ নতুন নিয়ন্ত্রণসীমা হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা
  • ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফেরার অনুমতি নেই
  • যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা