ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ডায়াবেটিসের নতুন ট্রিপল-অ্যাকশন টিকা, ওজন কমাতেও আশাব্যঞ্জক Logo বাংলাদেশ ব্যাংকে নগদ জমা রাখতে ব্যর্থ ইসলামী ব্যাংক, বাড়ছে সংকট Logo সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত, শুনানি ১৬ জুন Logo রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় সৈয়দ আব্দুল হাদী, শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ আয়োজন Logo প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাক্ষাৎ: সামরিক সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা Logo এভারেস্ট অভিযান: মৃত্যুঝুঁকির মুখে বাংলাদেশের পতাকা তুললেন নুরুননাহার নিম্নি Logo চবিতে দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন চালু Logo মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখবেন যেভাবে, জেনে নিন লাইভ স্ট্রিমিং গাইড Logo মেসির প্রত্যাবর্তন ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে Logo বন্যপ্রাণী পাচারকারী গ্রেপ্তার: কক্সবাজারে উদ্ধার ক্যাপড ল্যাঙ্গুর ও ১২ কচ্ছপ

গাজার মতো লেবাননে একই প্ল্যান নিয়ে ‘হলুদ রেখা’ দিচ্ছে ইসরায়েল

লেবানন সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ইসরায়েলি সেনারা।

গাজায় ব্যবহৃত কৌশল অনুসরণ করে এবার লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, এই সীমারেখা যুদ্ধবিরতি-পরবর্তী বাস্তবতায় একটি নতুন নিয়ন্ত্রণরেখা হিসেবে কাজ করবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে নির্ধারিত এলাকার ভেতরে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হতে পারে। অর্থাৎ, যেসব অঞ্চল আইডিএফের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সেখানে সাধারণ মানুষের ফিরে যাওয়ার সুযোগ সীমিত বা পুরোপুরি বন্ধ থাকতে পারে।

আইডিএফ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাজায় যে ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি মূলত একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণসীমা—যেখানে বেসামরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকে। একই মডেল এখন লেবাননেও প্রয়োগ করা হচ্ছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে আইডিএফ জানায়, ইতোমধ্যে লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় এই সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে ওই সীমা পর্যন্তই তাদের সামরিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফেরার সুযোগ নেই

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, নির্ধারিত সীমার ভেতরে থাকা লেবাননের অন্তত ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের আপাতত তাদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যেতে দেওয়া হবে না। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও অভিযান চলবে

আইডিএফ আরও জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংসের লক্ষ্যে এসব এলাকায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি তাদের রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Israel Katz বলেন, দখল ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এলাকাগুলোতে ভবিষ্যতেও ইসরায়েলি বাহিনী তাদের উপস্থিতি বজায় রাখবে।

সংক্ষেপে:

  • গাজার মতো কৌশল লেবাননেও প্রয়োগ করছে ইসরায়েল
  • ‘হলুদ রেখা’ নতুন নিয়ন্ত্রণসীমা হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা
  • ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফেরার অনুমতি নেই
  • যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা
জনপ্রিয় সংবাদ

ডায়াবেটিসের নতুন ট্রিপল-অ্যাকশন টিকা, ওজন কমাতেও আশাব্যঞ্জক

গাজার মতো লেবাননে একই প্ল্যান নিয়ে ‘হলুদ রেখা’ দিচ্ছে ইসরায়েল

Update Time : ০২:২৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

গাজায় ব্যবহৃত কৌশল অনুসরণ করে এবার লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, এই সীমারেখা যুদ্ধবিরতি-পরবর্তী বাস্তবতায় একটি নতুন নিয়ন্ত্রণরেখা হিসেবে কাজ করবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে নির্ধারিত এলাকার ভেতরে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হতে পারে। অর্থাৎ, যেসব অঞ্চল আইডিএফের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সেখানে সাধারণ মানুষের ফিরে যাওয়ার সুযোগ সীমিত বা পুরোপুরি বন্ধ থাকতে পারে।

আরও পড়ুন  ফ্রি বাসা ও চাকরির সুযোগ দিচ্ছে স্পেনের গ্রাম, তবে সবার জন্য নয়

আইডিএফ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাজায় যে ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি মূলত একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণসীমা—যেখানে বেসামরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকে। একই মডেল এখন লেবাননেও প্রয়োগ করা হচ্ছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে আইডিএফ জানায়, ইতোমধ্যে লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় এই সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে ওই সীমা পর্যন্তই তাদের সামরিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  পশ্চিমবঙ্গ ভোটে বিজেপির বড় সাফল্য, মোদিকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের

৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফেরার সুযোগ নেই

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, নির্ধারিত সীমার ভেতরে থাকা লেবাননের অন্তত ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের আপাতত তাদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যেতে দেওয়া হবে না। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও অভিযান চলবে

আইডিএফ আরও জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংসের লক্ষ্যে এসব এলাকায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি তাদের রয়েছে।

আরও পড়ুন  কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে জাতিসংঘে পাকিস্তানের নতুন দাবি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Israel Katz বলেন, দখল ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এলাকাগুলোতে ভবিষ্যতেও ইসরায়েলি বাহিনী তাদের উপস্থিতি বজায় রাখবে।

সংক্ষেপে:

  • গাজার মতো কৌশল লেবাননেও প্রয়োগ করছে ইসরায়েল
  • ‘হলুদ রেখা’ নতুন নিয়ন্ত্রণসীমা হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা
  • ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফেরার অনুমতি নেই
  • যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা