পলাশ হত্যা মামলা দায়ের হওয়ার পর রামপুরার শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে এক নাটকীয় মোড় নিয়েছে আন্ডারওয়ার্ল্ডের রাজনীতিতে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পলাশের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় একটি এজাহার জমা দিলে পুলিশ তা গ্রহণ করে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর গোয়েন্দা শাখার তৎপরতায় মামলার পরপরই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তড়িৎ এই অভিযানের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত সন্দেহে ইমাম হোসেন ও ফেরদৌস নামের দুই যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
থানা পুলিশ জানায়, আটককৃত দুই আসামিকে এই চাঞ্চল্যকর মামলার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
স্ত্রীর করা এই পলাশ হত্যা মামলা দায়ের-এর পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বাকি অপরাধীদেরও আইনের আওতায় আনার জোরালো আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।





























