সোনাক্ষী সিনহা প্রেম নিয়ে নতুন এক মজার তথ্য সামনে এসেছে। দীর্ঘদিন সম্পর্ক গোপন রাখলেও জহির ইকবালের সঙ্গে তাঁর প্রেমের বিষয়টি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে সোনাক্ষী ও জহির নিজেদের সম্পর্কের শুরুর দিনের নানা স্মৃতি ভাগ করে নেন। সেখানেই উঠে আসে সালমান খানের সেই মজার পর্যবেক্ষণের গল্প।
সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদির সঞ্চালনায় ‘ডাবল ডেট’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন সোনাক্ষী সিনহা ও জহির ইকবাল। আলোচনার একপর্যায়ে তাঁরা জানান, ২০১৭ সালে তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। যদিও শুরুতে বিষয়টি তাঁরা সবার কাছ থেকে গোপন রেখেছিলেন। তবে তাঁদের কিছু বলার আগেই সম্পর্কের বিষয়টি আঁচ করে ফেলেছিলেন সালমান খান।
জহির ইকবালের ভাষ্য অনুযায়ী, সালমান খান তাঁদের একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখে বিষয়টি বুঝে যান। তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে কিছু বলিনি, কিন্তু সালমান ভাই সব বুঝে ফেলেছিলেন।’ অন্যদিকে সোনাক্ষী জানান, সালমান যখনই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করতেন, তখন তাঁরা বিষয়টি অস্বীকার করার চেষ্টা করতেন। কিন্তু সালমান কখনোই তাঁদের কথা বিশ্বাস করেননি।
অনুষ্ঠানে সোনাক্ষী আরও একটি মজার ঘটনার কথা শোনান। একদিন সালমান খান মজা করে তাঁকে বলেছিলেন, ‘একদিন তোমাদের বিচ্ছেদ হবে। তখন তুমি কাঁদতে কাঁদতে আমার কাছে আসবে, আর জহিরও কাঁদতে কাঁদতে আমার কাছে আসবে। আমি তোমাদের দুজনকেই ভালোবাসি, তাই কারও পক্ষ নিতে চাই না।’ সালমানের এমন মন্তব্য শুনে তখন বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। কারণ, তখনও সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসেনি।
আরেকটি স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে সোনাক্ষী জানান, একবার ট্রেকিং ভ্রমণের সময় সালমান খান জহিরের কাছে গিয়ে শুধু বলেছিলেন, ‘সবই দেখছি।’ এই একটি বাক্যই তাঁদের বুঝিয়ে দিয়েছিল যে সম্পর্কটি আর গোপন নেই। এরপরও তাঁরা কয়েক বছর বিষয়টি ব্যক্তিগত রাখার চেষ্টা করেন এবং নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি কথা বলেননি।
দীর্ঘ সময় সম্পর্কের পর ২০২২ সালে ‘ডাবল এক্সএল’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন সোনাক্ষী ও জহির। পরে ২০২৪ সালের জুন মাসে মুম্বাইয়ে বিশেষ বিবাহ আইনের অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেন তাঁরা। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ছোট পরিসরে উদযাপনও করেন এই তারকা দম্পতি। বর্তমানে বলিউডের সুখী দম্পতিদের তালিকায় অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন সোনাক্ষী সিনহা ও জহির ইকবাল।

























