ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাঙ্গামাটিতে বন্যায় কৃষি-মৎস্যে ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি Logo ৬৪ দলের বিশ্বকাপ, কতটা সম্ভব ফিফার নতুন পরিকল্পনা Logo ছাত্রাবাসে ধর্ষণ অভিযোগ: ৪ দিন আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ Logo প্লাস্টিকের ব্যাগে বিশ্বকাপ ট্রফি? কুকুরেয়ার ভিডিওর আসল রহস্য Logo হুতিদের নৌ অবরোধ ঘোষণা: সৌদির জন্য বড় হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা Logo ধূমপান ছাড়ার ৪ সহজ উপায়, জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ Logo চরমোনাই পীরের কড়া বার্তা: ইসলামের নামে একাধিক দল নিয়ে প্রশ্ন Logo ইয়ামালের প্রেমিকা ইনেস, এক রাতেই ফলোয়ারে চমক Logo এআই প্রযুক্তিতে পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ: ৭ পরিবর্তনে নতুন সম্ভাবনা Logo ঘুম না এলে রাতে করুন এই ৭ ব্যায়াম, মিলবে স্বস্তির ঘুম

জাবেদের গুলশানের ফ্ল্যাট খুলতেই রোলেক্সের বক্স, বিএমডব্লিউর ৫ চাবি, ৫৩২ টাই, ৩০০ কোট

জাবেদের গুলশান ফ্ল্যাটে দুদকের অভিযান। ছবি: সংগৃহীত

আদালতের নির্দেশে রাজধানীর গুলশানে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের দুটি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ বিলাসবহুল সামগ্রী উদ্ধার ও তালিকাভুক্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৯ জুলাই) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পরিচালিত এ অভিযানে শত শত কোট-টাই, রোলেক্স ব্র্যান্ডের ঘড়ির বক্স ও ওয়ারেন্টি কার্ড, বিলাসবহুল গাড়ির চাবিসহ নানা মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া যায়।

দুদক সূত্র জানায়, আদালতের ক্রোক আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গুলশানের ৬৬ নম্বর সড়কের নর্থওয়েস্ট (বি) ব্লকের দুটি ফ্ল্যাট খুলে ভেতরে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়। বিকেল পর্যন্ত অভিযান চললেও কাজ শেষ না হওয়ায় সোমবারও তালিকা তৈরির কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক তালিকায় ৩০০টির বেশি কোট, ৫৩২টির বেশি টাই, ১০০টির বেশি কামিজ, তিন সেট মুক্তার অলঙ্কার, চারটি ঝাড়বাতি, একাধিক দামি খাট, সোফা ও অন্যান্য আসবাবপত্রের তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া আটটি বিলাসবহুল ঘড়ির খালি বক্স পাওয়া গেছে, যার মধ্যে চারটি রোলেক্স ব্র্যান্ডের। উদ্ধার হয়েছে রোলেক্স ঘড়ির ওয়ারেন্টি কার্ড এবং পাঁচটি বিলাসবহুল গাড়ির চাবি, যার মধ্যে একটি বিএমডব্লিউর।

দুদকের কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া একটি রোলেক্স ঘড়ির ওয়ারেন্টি কার্ডে দেখা যায়, সেটি ১৮ ক্যারেট হোয়াইট গোল্ডের Rolex Cellini Date (মডেল-৫০৫১৯)। কার্ডে উল্লেখ রয়েছে, ঘড়িটি ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি লন্ডনের বিখ্যাত Harrods ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে কেনা হয়েছিল। এতে মালিক হিসেবে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের নাম, মডেল নম্বর ও সিরিয়াল নম্বরও উল্লেখ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিলাসবহুল ঘড়ির বাজার অনুযায়ী, এই মডেলের ব্যবহৃত একটি ঘড়ির বর্তমান মূল্য প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ লাখ টাকারও বেশি।

দুদক জানিয়েছে, ফ্ল্যাট দুটির ভেতরে থাকা প্রতিটি সামগ্রীর পৃথক ইনভেন্টরি তৈরি করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আলোকচিত্র ও ভিডিও ধারণের মাধ্যমে আদালতে জমা দেওয়ার জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে। তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে মাত্র; এগুলো অবৈধ সম্পদ কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

জানা গেছে, গুলশানের ৬৬ নম্বর সড়কের এ-৭ নম্বর ফ্ল্যাটটির আয়তন ৩ হাজার ৭৪৭ বর্গফুট এবং বি-৭ নম্বর ফ্ল্যাটটির আয়তন ৩ হাজার ৮৩২ বর্গফুট। মোট ৭ হাজার ৫৭৯ বর্গফুট আয়তনের এই দুটি ফ্ল্যাট গত বছরের ১৮ নভেম্বর দুদকের আবেদনের পর ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত ক্রোকের আদেশ দেন। আদালত দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের পরিচালককে ফ্ল্যাট দুটির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেন।

ফ্ল্যাট দুটি দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ থাকায় রিসিভার সেখানে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে দুদকের আবেদনের পর আদালত গত ২৯ এপ্রিল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ এবং মালামালের তালিকা তৈরির অনুমতি দেন। সেই আদেশের ভিত্তিতেই রোববার অভিযান পরিচালিত হয়।

এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিলাসবহুল জীবনযাপনের নানা তথ্য প্রকাশিত হয়। সেখানে দাবি করা হয়, লন্ডনে তাঁর প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার মূল্যের পাঁচতলা বাড়ি, ব্যক্তিগত সিনেমা হল, বিলাসবহুল গাড়ি এবং হ্যারডস থেকে নিয়মিত দামি পোশাক ও কাস্টম-মেড জুতা কেনার তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের দেশ-বিদেশের সম্পদ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। সংস্থাটির আবেদনের ভিত্তিতে আদালত ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ফিলিপাইনে থাকা তাঁর শত শত বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর ৩৯টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং ২৩টি কোম্পানির শেয়ার জব্দ করা হয়েছে।

এছাড়া ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকে ঋণের নামে প্রায় ২৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রীসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি রয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, অভিযানে জব্দ করা সব সামগ্রী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ ও হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিচারিক প্রক্রিয়া এখনো চলমান এবং আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে বন্যায় কৃষি-মৎস্যে ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি

জাবেদের গুলশানের ফ্ল্যাট খুলতেই রোলেক্সের বক্স, বিএমডব্লিউর ৫ চাবি, ৫৩২ টাই, ৩০০ কোট

Update Time : ০৪:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

আদালতের নির্দেশে রাজধানীর গুলশানে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের দুটি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ বিলাসবহুল সামগ্রী উদ্ধার ও তালিকাভুক্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৯ জুলাই) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পরিচালিত এ অভিযানে শত শত কোট-টাই, রোলেক্স ব্র্যান্ডের ঘড়ির বক্স ও ওয়ারেন্টি কার্ড, বিলাসবহুল গাড়ির চাবিসহ নানা মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া যায়।

দুদক সূত্র জানায়, আদালতের ক্রোক আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গুলশানের ৬৬ নম্বর সড়কের নর্থওয়েস্ট (বি) ব্লকের দুটি ফ্ল্যাট খুলে ভেতরে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়। বিকেল পর্যন্ত অভিযান চললেও কাজ শেষ না হওয়ায় সোমবারও তালিকা তৈরির কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক তালিকায় ৩০০টির বেশি কোট, ৫৩২টির বেশি টাই, ১০০টির বেশি কামিজ, তিন সেট মুক্তার অলঙ্কার, চারটি ঝাড়বাতি, একাধিক দামি খাট, সোফা ও অন্যান্য আসবাবপত্রের তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া আটটি বিলাসবহুল ঘড়ির খালি বক্স পাওয়া গেছে, যার মধ্যে চারটি রোলেক্স ব্র্যান্ডের। উদ্ধার হয়েছে রোলেক্স ঘড়ির ওয়ারেন্টি কার্ড এবং পাঁচটি বিলাসবহুল গাড়ির চাবি, যার মধ্যে একটি বিএমডব্লিউর।

আরও পড়ুন  খাগড়াছড়িতে মাদকবিরোধী মেন্টর তৈরিতে কর্মশালা

দুদকের কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া একটি রোলেক্স ঘড়ির ওয়ারেন্টি কার্ডে দেখা যায়, সেটি ১৮ ক্যারেট হোয়াইট গোল্ডের Rolex Cellini Date (মডেল-৫০৫১৯)। কার্ডে উল্লেখ রয়েছে, ঘড়িটি ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি লন্ডনের বিখ্যাত Harrods ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে কেনা হয়েছিল। এতে মালিক হিসেবে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের নাম, মডেল নম্বর ও সিরিয়াল নম্বরও উল্লেখ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিলাসবহুল ঘড়ির বাজার অনুযায়ী, এই মডেলের ব্যবহৃত একটি ঘড়ির বর্তমান মূল্য প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ লাখ টাকারও বেশি।

দুদক জানিয়েছে, ফ্ল্যাট দুটির ভেতরে থাকা প্রতিটি সামগ্রীর পৃথক ইনভেন্টরি তৈরি করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আলোকচিত্র ও ভিডিও ধারণের মাধ্যমে আদালতে জমা দেওয়ার জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে। তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে মাত্র; এগুলো অবৈধ সম্পদ কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

জানা গেছে, গুলশানের ৬৬ নম্বর সড়কের এ-৭ নম্বর ফ্ল্যাটটির আয়তন ৩ হাজার ৭৪৭ বর্গফুট এবং বি-৭ নম্বর ফ্ল্যাটটির আয়তন ৩ হাজার ৮৩২ বর্গফুট। মোট ৭ হাজার ৫৭৯ বর্গফুট আয়তনের এই দুটি ফ্ল্যাট গত বছরের ১৮ নভেম্বর দুদকের আবেদনের পর ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত ক্রোকের আদেশ দেন। আদালত দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের পরিচালককে ফ্ল্যাট দুটির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেন।

আরও পড়ুন  জরুরি ঘোষণা: ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এই এলাকাগুলোতে

ফ্ল্যাট দুটি দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ থাকায় রিসিভার সেখানে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে দুদকের আবেদনের পর আদালত গত ২৯ এপ্রিল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ এবং মালামালের তালিকা তৈরির অনুমতি দেন। সেই আদেশের ভিত্তিতেই রোববার অভিযান পরিচালিত হয়।

এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিলাসবহুল জীবনযাপনের নানা তথ্য প্রকাশিত হয়। সেখানে দাবি করা হয়, লন্ডনে তাঁর প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার মূল্যের পাঁচতলা বাড়ি, ব্যক্তিগত সিনেমা হল, বিলাসবহুল গাড়ি এবং হ্যারডস থেকে নিয়মিত দামি পোশাক ও কাস্টম-মেড জুতা কেনার তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের দেশ-বিদেশের সম্পদ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। সংস্থাটির আবেদনের ভিত্তিতে আদালত ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ফিলিপাইনে থাকা তাঁর শত শত বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর ৩৯টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং ২৩টি কোম্পানির শেয়ার জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  তেজগাঁও বস্তিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘প্রজেক্ট বর্ণমালা’র শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

এছাড়া ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকে ঋণের নামে প্রায় ২৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রীসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি রয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, অভিযানে জব্দ করা সব সামগ্রী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ ও হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিচারিক প্রক্রিয়া এখনো চলমান এবং আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।