ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডলার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ছাড়াল, নতুন তথ্য প্রকাশ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৭:৪১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ৫১২

বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সর্বশেষ চিত্র | ছবি: সংগৃহীত

ডলার রিজার্ভ নিয়ে নতুন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ডলারে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের রিজার্ভের পরিমাণ রয়েছে ৩১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নিজস্ব হিসাব পদ্ধতিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬০৮ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আর আইএমএফের নির্ধারিত পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩ হাজার ১৫৩ কোটি ২৩ লাখ ডলার।

এর আগে ২৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে ডলার রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৬১০ কোটি ৩৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১৫৫ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২৩ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৭৯ কোটি ৮১ লাখ ১০ হাজার ডলার। আইএমএফ পদ্ধতিতে তা ছিল ৩ হাজার ১২৪ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ডলার।

এর আগে ১৭ জুন নিজস্ব হিসাবে দেশের রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৮০ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। একই সময়ে আইএমএফ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১২৩ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ডলার রিজার্ভ দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। বৈদেশিক বাণিজ্য, আমদানি ব্যয়, ঋণ পরিশোধ এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনে এই রিজার্ভ বড় ভূমিকা রাখে।

গত ১৫ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৬৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতিতে তখন রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১০৮ কোটি ৬ লাখ ১০ হাজার ডলার। ১৪ জুনের হিসাব অনুযায়ী, নিজস্ব পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৬২ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। পরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বাজেট সহায়তার ঋণ পাওয়ার পর রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডলার রিজার্ভ শক্তিশালী থাকা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক। পর্যাপ্ত রিজার্ভ থাকলে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি ও বৈদেশিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিতভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের তথ্য প্রকাশ করে থাকে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভকেও গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দেশের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে ডলার রিজার্ভের এই অবস্থান বাজার ও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডলার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ছাড়াল, নতুন তথ্য প্রকাশ

Update Time : ০৭:৪১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ডলার রিজার্ভ নিয়ে নতুন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ডলারে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের রিজার্ভের পরিমাণ রয়েছে ৩১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নিজস্ব হিসাব পদ্ধতিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬০৮ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আর আইএমএফের নির্ধারিত পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩ হাজার ১৫৩ কোটি ২৩ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন  রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ: দারুণ ১ উদ্যোগে বিদ্যুৎ লক্ষ্যমাত্রায় বড় ভরসা

এর আগে ২৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে ডলার রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৬১০ কোটি ৩৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১৫৫ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২৩ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৭৯ কোটি ৮১ লাখ ১০ হাজার ডলার। আইএমএফ পদ্ধতিতে তা ছিল ৩ হাজার ১২৪ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ডলার।

এর আগে ১৭ জুন নিজস্ব হিসাবে দেশের রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৮০ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। একই সময়ে আইএমএফ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১২৩ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ডলার রিজার্ভ দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। বৈদেশিক বাণিজ্য, আমদানি ব্যয়, ঋণ পরিশোধ এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনে এই রিজার্ভ বড় ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুন  হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত, প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’

গত ১৫ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৬৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতিতে তখন রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১০৮ কোটি ৬ লাখ ১০ হাজার ডলার। ১৪ জুনের হিসাব অনুযায়ী, নিজস্ব পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৬২ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। পরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বাজেট সহায়তার ঋণ পাওয়ার পর রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে।

আরও পড়ুন  প্রবাসী আয়ে নতুন গতি, ৯ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডলার রিজার্ভ শক্তিশালী থাকা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক। পর্যাপ্ত রিজার্ভ থাকলে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি ও বৈদেশিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিতভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের তথ্য প্রকাশ করে থাকে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভকেও গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দেশের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে ডলার রিজার্ভের এই অবস্থান বাজার ও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে।