ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo তাং ওয়েই: ৪৭ বছর বয়সে মা হয়ে দিলেন সুখবর! Logo দুই দিনেই ১০০ কোটি পার, মুক্তির পরেই ঝড় তুলেছে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের শেষ ছবি Logo নতুন ডিজিটাল বিজ্ঞাপন নীতিমালা ২০২৬: বিদেশি কোম্পানির নিবন্ধন বাধ্যতামূলক Logo দারুণ আপডেট: আকিজ এভিয়েশন হেলিকপ্টার সেবা চালু, রোগী ও যাত্রী পরিবহনে নতুন যুগ Logo চট্টগ্রাম পরিচ্ছন্নতা অভিযান: মেয়রের বড় বার্তা নাগরিকদের Logo জরুরি আপডেট: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী অধিবেশনেই? আইনমন্ত্রীর বড় ইঙ্গিত Logo ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ দাবি: বড় অচলাবস্থায় মোদি সরকারের কঠোর অবস্থান Logo উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার: মহানায়ককে ঘিরে বড় ঘোষণা Logo সম্মানজনক কোরিয়ার নতুন রাষ্ট্রদূত সংবর্ধনা: কেবিসিসিআইয়ের নতুন উদ্যোগ Logo ফেসবুক ভেরিফাই: বিনামূল্যে ব্লু ব্যাজ পাওয়ার সহজ উপায়

নতুন ডিজিটাল বিজ্ঞাপন নীতিমালা ২০২৬: বিদেশি কোম্পানির নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

ডিজিটাল বাণিজ্যে স্বচ্ছতা ও ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ। ছবি: সংগৃহীত

ডিজিটাল বিজ্ঞাপন নীতিমালা ২০২৬ বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘ক্রস-বর্ডার ডিজিটাল বাণিজ্য নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে, যেখানে বিদেশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য নতুন কিছু নিয়ম প্রস্তাব করা হয়েছে। নীতিমালাটি কার্যকর হলে বাংলাদেশে নিবন্ধন ছাড়া কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবে না।

বর্তমানে বাংলাদেশে ফেসবুক, গুগল, ইউটিউবসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বিজ্ঞাপন প্রচার হয়। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেরই দেশে আনুষ্ঠানিক ব্যবসায়িক নিবন্ধন নেই। ফলে সরকার রাজস্ব আদায়ে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এই খাতকে একটি সুসংগঠিত কাঠামোর মধ্যে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

খসড়া অনুযায়ী, বিদেশি কোনো ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান যদি বাংলাদেশে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে চায়, তাহলে তাদের আগে ডিজিটাল বিজনেস আইডেনটিটি (DBID) নিবন্ধন নিতে হবে। পাশাপাশি ভ্যাট, কর এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুসরণ করতে হবে। শুধু বিজ্ঞাপন নয়, বাংলাদেশে ডিজিটাল মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রি করতেও একই ধরনের নিবন্ধন প্রয়োজন হবে।

এই নিয়ম কার্যকর হলে মেটা, গুগল, ইউটিউবসহ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। এর ফলে সরকার সহজে রাজস্ব সংগ্রহ করতে পারবে এবং ডিজিটাল বাণিজ্যে আরও স্বচ্ছতা আসবে।

কেন এই নীতিমালা আনা হচ্ছে?

সরকারের লক্ষ্য শুধু রাজস্ব আদায় নয়। এর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল বাণিজ্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ সহজ করা এবং আন্তসীমান্ত ডিজিটাল বাণিজ্যে জবাবদিহি নিশ্চিত করাও অন্যতম উদ্দেশ্য।

খসড়ায় বলা হয়েছে, উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পণ্য ও সেবা সরবরাহের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হবে। ডিজিটাল মাধ্যমে অর্জিত রপ্তানি আয়কে প্রচলিত রপ্তানির মতো স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।

নিষিদ্ধ পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধ

নতুন নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই নিষিদ্ধ পণ্য বা সেবার ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। এছাড়া এমন কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না যা ভোক্তাকে বিভ্রান্ত করতে পারে অথবা প্রতারণার সুযোগ সৃষ্টি করে।

এ ছাড়া নকল, ভেজাল ও প্রতারণামূলক পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হবে। অনলাইন জুয়া, বেটিং, লটারি এবং আমদানি-রপ্তানি আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য বা সেবার ডিজিটাল বাণিজ্যও অনুমোদন পাবে না।

ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের বাজার কত বড়?

বাংলাদেশে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের বাজারের সুনির্দিষ্ট সরকারি তথ্য নেই। তবে আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ডিজিটাল বিজ্ঞাপন বাজারের আকার প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে পারে।

বিশ্বব্যাপীও এই বাজার দ্রুত বাড়ছে। প্রযুক্তিনির্ভর বিজ্ঞাপনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী কয়েক বছরে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের বাজার আরও বড় হবে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

মূল্য পরিশোধ ও ভোক্তা সুরক্ষা

নতুন নীতিমালায় আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের পেমেন্ট অবকাঠামোর সঙ্গে বৈশ্বিক পেমেন্ট নেটওয়ার্ক যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনলাইন লেনদেনে ক্রেতা ও বিক্রেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্রস-বর্ডার এসক্রো সেবা চালুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে অর্থ লেনদেন আরও নিরাপদ হবে।

ভোক্তা সুরক্ষার জন্য পণ্য ফেরত, অর্থ ফেরত এবং বিক্রয়োত্তর সেবা সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। যদি কোনো পণ্য ত্রুটিপূর্ণ, নকল বা বিজ্ঞাপনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে বিক্রেতাকে সেই পণ্য ফেরত নিয়ে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দিতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। তাই এই খাতকে একটি কার্যকর নীতিমালার আওতায় আনা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে, বাজারে স্বচ্ছতা আসবে এবং আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকেও বাংলাদেশের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।

তবে তারা মনে করেন, শুধু নীতিমালা প্রণয়ন করলেই হবে না; বাস্তবে বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্ষেত্রে এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সার্বিকভাবে, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন নীতিমালা ২০২৬ বাস্তবায়িত হলে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে, ভোক্তা সুরক্ষা বাড়বে, অনলাইন প্রতারণা কমবে এবং বৈধ ডিজিটাল ব্যবসার জন্য একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তাং ওয়েই: ৪৭ বছর বয়সে মা হয়ে দিলেন সুখবর!

নতুন ডিজিটাল বিজ্ঞাপন নীতিমালা ২০২৬: বিদেশি কোম্পানির নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

Update Time : ০৬:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

ডিজিটাল বিজ্ঞাপন নীতিমালা ২০২৬ বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘ক্রস-বর্ডার ডিজিটাল বাণিজ্য নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে, যেখানে বিদেশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য নতুন কিছু নিয়ম প্রস্তাব করা হয়েছে। নীতিমালাটি কার্যকর হলে বাংলাদেশে নিবন্ধন ছাড়া কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবে না।

বর্তমানে বাংলাদেশে ফেসবুক, গুগল, ইউটিউবসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বিজ্ঞাপন প্রচার হয়। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেরই দেশে আনুষ্ঠানিক ব্যবসায়িক নিবন্ধন নেই। ফলে সরকার রাজস্ব আদায়ে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এই খাতকে একটি সুসংগঠিত কাঠামোর মধ্যে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

খসড়া অনুযায়ী, বিদেশি কোনো ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান যদি বাংলাদেশে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে চায়, তাহলে তাদের আগে ডিজিটাল বিজনেস আইডেনটিটি (DBID) নিবন্ধন নিতে হবে। পাশাপাশি ভ্যাট, কর এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুসরণ করতে হবে। শুধু বিজ্ঞাপন নয়, বাংলাদেশে ডিজিটাল মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রি করতেও একই ধরনের নিবন্ধন প্রয়োজন হবে।

এই নিয়ম কার্যকর হলে মেটা, গুগল, ইউটিউবসহ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। এর ফলে সরকার সহজে রাজস্ব সংগ্রহ করতে পারবে এবং ডিজিটাল বাণিজ্যে আরও স্বচ্ছতা আসবে।

কেন এই নীতিমালা আনা হচ্ছে?

সরকারের লক্ষ্য শুধু রাজস্ব আদায় নয়। এর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল বাণিজ্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ সহজ করা এবং আন্তসীমান্ত ডিজিটাল বাণিজ্যে জবাবদিহি নিশ্চিত করাও অন্যতম উদ্দেশ্য।

খসড়ায় বলা হয়েছে, উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পণ্য ও সেবা সরবরাহের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হবে। ডিজিটাল মাধ্যমে অর্জিত রপ্তানি আয়কে প্রচলিত রপ্তানির মতো স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।

নিষিদ্ধ পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধ

নতুন নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই নিষিদ্ধ পণ্য বা সেবার ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। এছাড়া এমন কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না যা ভোক্তাকে বিভ্রান্ত করতে পারে অথবা প্রতারণার সুযোগ সৃষ্টি করে।

এ ছাড়া নকল, ভেজাল ও প্রতারণামূলক পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হবে। অনলাইন জুয়া, বেটিং, লটারি এবং আমদানি-রপ্তানি আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য বা সেবার ডিজিটাল বাণিজ্যও অনুমোদন পাবে না।

ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের বাজার কত বড়?

বাংলাদেশে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের বাজারের সুনির্দিষ্ট সরকারি তথ্য নেই। তবে আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ডিজিটাল বিজ্ঞাপন বাজারের আকার প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে পারে।

বিশ্বব্যাপীও এই বাজার দ্রুত বাড়ছে। প্রযুক্তিনির্ভর বিজ্ঞাপনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী কয়েক বছরে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের বাজার আরও বড় হবে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

মূল্য পরিশোধ ও ভোক্তা সুরক্ষা

নতুন নীতিমালায় আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের পেমেন্ট অবকাঠামোর সঙ্গে বৈশ্বিক পেমেন্ট নেটওয়ার্ক যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনলাইন লেনদেনে ক্রেতা ও বিক্রেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্রস-বর্ডার এসক্রো সেবা চালুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে অর্থ লেনদেন আরও নিরাপদ হবে।

ভোক্তা সুরক্ষার জন্য পণ্য ফেরত, অর্থ ফেরত এবং বিক্রয়োত্তর সেবা সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। যদি কোনো পণ্য ত্রুটিপূর্ণ, নকল বা বিজ্ঞাপনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে বিক্রেতাকে সেই পণ্য ফেরত নিয়ে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দিতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। তাই এই খাতকে একটি কার্যকর নীতিমালার আওতায় আনা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে, বাজারে স্বচ্ছতা আসবে এবং আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকেও বাংলাদেশের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।

তবে তারা মনে করেন, শুধু নীতিমালা প্রণয়ন করলেই হবে না; বাস্তবে বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্ষেত্রে এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সার্বিকভাবে, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন নীতিমালা ২০২৬ বাস্তবায়িত হলে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে, ভোক্তা সুরক্ষা বাড়বে, অনলাইন প্রতারণা কমবে এবং বৈধ ডিজিটাল ব্যবসার জন্য একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে।