সায়মা ওয়াজেদের পদত্যাগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চলা জালিয়াতির তদন্তের মুখেই তিনি এই পদ ছেড়েছেন।
২০২৪ সালের শুরুর দিকে পাঁচ বছরের মেয়াদে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। তবে গত বছরের জুলাই মাসে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা করার পর তাকে প্রথমবার ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল।
ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুসের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে সায়মা ওয়াজেদ উল্লেখ করেছেন যে, তার কাজে ক্রমাগত বাধা দেওয়া এবং প্রায় এক বছর ধরে কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক না পাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা অসহনীয় হয়ে উঠেছে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে চীন সফরে আর্থিক জালিয়াতি, শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুল তথ্য দেওয়া এবং অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে সায়মা ওয়াজেদ তার আইনজীবীদের মাধ্যমে এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে একে প্রশাসনিক ত্রুটি বলে দাবি করেছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডব্লিউএইচও আগামী ২৪ জানুয়ারি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে নতুন নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।

























