মোস্ট সাসটেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতে আবারও টেকসই ব্যবসার ক্ষেত্রে নিজেদের নেতৃত্বের প্রমাণ দিল ইউনিলিভার বাংলাদেশ। এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ প্রতিষ্ঠানটি শুধু শীর্ষ সম্মাননাই নয়, মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছে। দেশের টেকসই উন্নয়ন ও দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এই অর্জনকে বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত বাংলাদেশ সাসটেইনেবিলিটি সামিটের অংশ হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিবছর এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। এবারের আয়োজনে মোস্ট সাসটেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার এবং মোস্ট সাসটেইনেবল এফএমসিজি কোম্পানি অব দ্য ইয়ার—দুই বিভাগেই বিজয়ী হয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির ‘সহযাত্রা: কো-ক্রিয়েটিং ইমপ্যাক্ট’ উদ্যোগ সাসটেইনেবল পার্টনারশিপস অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনস বিভাগে এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার অর্জন করেছে। একই অনুষ্ঠানে ‘স্মার্ট কাস্টমার লজিস্টিকস অ্যান্ড ট্রেড’ এবং ‘ইউ-রিফিল ২.০ অ্যান্ড রি-ইঞ্জিনিয়ারিং প্যাকেজিং’ উদ্যোগের জন্য আরও দুটি সম্মানজনক স্বীকৃতি পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
পুরস্কার গ্রহণ করেন ইউনিলিভার বাংলাদেশের হিউম্যান রিসোর্স ডিরেক্টর সৈয়দা দুরদানা কবির এবং কাস্টমার বিজনেস ডেভেলপমেন্ট হেড মো. শাদমান সাদেকীন। অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী, উন্নয়ন সহযোগী এবং টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে এই সম্মাননা গ্রহণ প্রতিষ্ঠানটির জন্য আরও গৌরবের বিষয় হয়ে ওঠে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইউনিলিভার বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু ব্যবসার উন্নয়ন নয়, বরং সমাজ ও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা।
ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ। ব্যবসার প্রতিটি পর্যায়ে টেকসই উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে ব্র্যান্ড, উদ্ভাবন এবং অংশীদারত্বের মাধ্যমে ভোক্তা, সমাজ ও পরিবেশের জন্য দীর্ঘস্থায়ী মূল্য সৃষ্টি করছে প্রতিষ্ঠানটি। মোস্ট সাসটেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।


























