সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির জোড়া ধাক্কা: নুসরাতের মনোনয়ন বাতিল, স্থগিত মনিরার প্রার্থিতা
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ঘিরে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) চলছে টানটান উত্তেজনা। দলটির মনোনীত মূল প্রার্থী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা দেওয়ায়, শেষ মুহূর্তে বিকল্প হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দলের যুগ্ম সদস্য সচিব নুসরাত তাবাসসুম। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় তার সেই মনোনয়নপত্র আমলে নেয়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দিন খান। তিনি জানান, মঙ্গলবার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর নুসরাত তাবাসসুম তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় সেটি নির্বাচন কমিশনের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে গিয়ে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন নুসরাত। এনসিপির এক দায়িত্বশীল নেতার মতে, মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা নিয়ে হঠাৎ তৈরি হওয়া আইনি সংকটের কারণে মূলত ‘প্ল্যান বি’ বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই নুসরাতের কাগজ জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দল।
মনিরা শারমিনের প্রার্থিতাও ঝুলছে নুসরাতের মনোনয়নপত্র বাতিলের পাশাপাশি মূল প্রার্থী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতাও এখন নির্বাচন কমিশনের কাছে স্থগিত রয়েছে। তবে জোটের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, ১১ দলীয় জোটের বাকি ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ বলে ঘোষণা করেছে ইসি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান জানান, মনিরা শারমিন তার কাগজপত্রে সরকারি পে-স্কেলে বেতন তোলার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি কবে বা কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন, কিংবা চাকরি থেকে যথাযথভাবে পদত্যাগ করেছেন কি না—এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য সংযুক্ত করেননি।
এই তথ্য ঘাটতি পূরণের জন্য তাকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে কমিশন। রোববারের এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের প্রয়োজনীয় ও সঠিক প্রমাণপত্র জমা দিতে পারলেই তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ইসি।


























