ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চন্দনাইশে দ্বীনী ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে আলো ছড়াচ্ছে ‘মোহাম্মদিয়া কবিরিয়া মডেল মাদ্রাসা’ Logo ৭ জেলায় নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুই কোটি শিশুকে হামের ভ্যাকসিন দিতে পারবে প্রধানমন্ত্রী Logo চন্দনাইশে দিনব্যাপী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প: বিনামূল্যে ছানি অপারেশনসহ চিকিৎসা পেলেন সহস্রাধিক মানুষ Logo তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার আদালতে Logo নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল করল ইসি, আটকে আছেন মনিরাও! Logo পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত : বিস্তারিত জানুন Logo বোরো মৌসুমের ধান-চালের সংগ্রহ মূল্য- ২০২৬ : কৃষক কত পাবে? Logo নিতা আম্বানির লাল শাড়ি নিয়ে তোলপাড়! আসলেই কি জামদানি, নাকি রহস্যই রয়ে গেল? Logo দুপুরের ঘুম শিশু বিকাশে কেন জরুরি

তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার আদালতে

  • Kamrun Nahar Sumi
  • Update Time : ০৭:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৪

তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর প্রথম গ্রেফতার। ছবি: সংগৃহীত।

তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘ এক দশক পর কুমিল্লার বহুল আলোচিত এই মামলায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে হাজির করা হলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বুধবার বিকালে আদালত এই আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন  এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রাফে-রিফাতসহ ৪৭ নেতা

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এই ঘটনাকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার বিষয়টি। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই মামলায় এতদিন কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়নি।

আরও পড়ুন  হাসান নাসিম কারাগারে: চিফ হুইপকে নিয়ে অপপ্রচার ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

এর আগে মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজন ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করেন। সন্দেহভাজনরা হলেন সাবেক সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক জাহাঙ্গীর।২০১৭ সালে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। নতুন তদন্তে সেই ডিএনএ পরীক্ষার তথ্যও গুরুত্ব পাচ্ছে।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের কাছে জঙ্গলের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত এক দশকে থানা পুলিশ, ডিবি, সিআইডি এবং পিবিআইসহ চারটি সংস্থা এই মামলার তদন্ত করেছে। এখন পর্যন্ত সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রায় ৮০টি শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  খুলনায় বন্ধুর হাতে হাসিব হত্যা, নাটকীয় তদন্তে উদ্ঘাটন

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশে দ্বীনী ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে আলো ছড়াচ্ছে ‘মোহাম্মদিয়া কবিরিয়া মডেল মাদ্রাসা’

তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার আদালতে

Update Time : ০৭:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘ এক দশক পর কুমিল্লার বহুল আলোচিত এই মামলায় নতুন অগ্রগতি দেখা গেছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে হাজির করা হলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বুধবার বিকালে আদালত এই আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন  তীব্র গরমে লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এই ঘটনাকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার বিষয়টি। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই মামলায় এতদিন কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়নি।

আরও পড়ুন  হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিনে মুক্ত শিরীন শারমিন

এর আগে মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজন ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করেন। সন্দেহভাজনরা হলেন সাবেক সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক জাহাঙ্গীর।২০১৭ সালে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। নতুন তদন্তে সেই ডিএনএ পরীক্ষার তথ্যও গুরুত্ব পাচ্ছে।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের কাছে জঙ্গলের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত এক দশকে থানা পুলিশ, ডিবি, সিআইডি এবং পিবিআইসহ চারটি সংস্থা এই মামলার তদন্ত করেছে। এখন পর্যন্ত সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রায় ৮০টি শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  রাজধানীর ভাড়া বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার