বর্তমানে খামার পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের উৎপাদন খরচ ও পোলট্রি খামারিদের বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। প্রতিটি ডিম উৎপাদনে ১০ টাকা খরচ হলেও খামারিরা তা মাত্র ৬ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
ভোক্তা পর্যায়ে দাম বেশি থাকলেও প্রতিটি ডিমে ৪ টাকা লোকসান হওয়ায় ডিমের উৎপাদন খরচ ও পোলট্রি খামারিদের রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ এবং লাভজনক বিক্রয়মূল্য নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিআইএ)।
সংগঠনটির সভাপতি মোশারফ হোসেন চৌধুরী জানান, খাদ্য, ওষুধ ও পরিবহনের দাম বাড়ায় ডিমের উৎপাদন খরচ ও পোলট্রি খামারিদের লোকসান মাসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকায় ঠেকেছে। ফলে গত ৫ বছরে ৬৪ হাজার খামারি ঝরে পড়েছেন।
এই সংকট উত্তরণে ধান ও আখের মতো ডিমের উৎপাদন খরচ ও পোলট্রি খামারিদের জন্য ‘ফেয়ার প্রাইস’ বা ন্যায্যমূল্য ব্যবস্থা চালু এবং করপোরেট কর কমানোর জোর দাবি জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।
বিপিআইএর মহাসচিব মো. সাফির রহমান বলেন, খাদ্য আমদানিতে ৪ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করা জরুরি, যা ডিমের উৎপাদন খরচ ও পোলট্রি খামারিদের খরচের ৭০-৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষায় একটি জাতীয় ডিজিটাল ডেটাবেজ এবং ফার্মার আইডি চালুর আহ্বান জানানো হয়েছে, যা ডিমের উৎপাদন খরচ ও পোলট্রি খামারিদের জন্য সরকারি ভর্তুকি ও স্বল্পসুদে ঋণ পাওয়া সহজ করবে।




























