ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হোয়াইক্যং ইউনিয়ন সীমানা নির্ধারণ সভায় হামলা Logo চন্দনাইশ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড দক্ষিণ জোয়ারা জিহস ফকির পাড়া এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তরা ত্রাণসামগ্রী পাইনি, ত্রাণের জন্য বন্যার্তদের আকুতি Logo স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান নিয়ে কোরআন-হাদিস কী বলে? Logo বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনে আইনের খসড়া অনুমোদন Logo সিয়া গোয়েল তার হবু বরকে মারতে চাননি Logo ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার হবে সেনা আইনে’ Logo এআইয়ের চাহিদা বাড়ায় চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করছে ইন্টেল–এএমডি Logo শিক্ষার্থী বিক্ষোভে দিল্লির একাধিক এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ Logo চেলসি থেকে অ্যাস্টন ভিলায় যোগ দিলেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার গার্নাচো Logo রাজশাহীতে মাদক মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বার্ন আউল ছানা: এক বাসায় ৬টি পেঁচাশাবকের বিরল সন্ধান

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:০৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৫১৩

এক বাসায় পাওয়া ৬টি বার্ন আউল ছানা। ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাজ্যের পিটারবরোর কাছের মুর ফার্মে একসঙ্গে ৬টি বার্ন আউল ছানার সন্ধান মিলেছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরে এটি সবচেয়ে বড় বার্ন আউল পরিবারের অন্যতম। সম্প্রতি একাধিক অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারটির জন্য এই বিরল ঘটনা যেন নতুন আশার বার্তা নিয়ে এসেছে।

পিটারবরো সিটি কাউন্সিলের বার্ন আউল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ সাইমন ডাডহিল জানান, ২০২৬ সালে তিনি ২৬০টিরও বেশি বার্ন আউল ছানাকে শনাক্তকরণ রিং পরিয়েছেন। তবে একটি বাসায় একসঙ্গে ৬টি ছানা পাওয়া এ বছরের প্রথম ঘটনা এবং এটি অত্যন্ত বিরল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংরক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিটি ছানার পায়ে ব্রিটিশ ট্রাস্ট ফর অরনিথোলজির (BTO) বিশেষ নম্বরযুক্ত ধাতব রিং পরানো হয়েছে। এসব রিংয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে তাদের চলাচল, বেঁচে থাকা এবং প্রজনন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

মুর ফার্মের মালিক জুডিথ জ্যাকবস জানান, গত বছর খামারে একটি বার্ন আউল ছানাও দেখা যায়নি। তবে এ বছর তিনটি স্ত্রী ও তিনটি পুরুষ ছানার জন্ম হয়েছে। তিনি বলেন, খামারের আশপাশে নিরাপদ শিকারের পথ তৈরি করায় পেঁচাগুলো এখন ব্যস্ত সড়ক এড়িয়ে সহজেই খাবার সংগ্রহ করতে পারছে, যা তাদের প্রজননে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, গত কয়েক বছরে পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাবে অনেক পূর্ণবয়স্ক বার্ন আউল বাসা তৈরি করলেও ডিম দেয়নি। কিন্তু চলতি বছরে খাদ্যের প্রাপ্যতা বেড়ে যাওয়ায় তাদের সফল প্রজননের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ক্যামব্রিজশায়ারের সব এলাকায় একই রকম ফলাফল দেখা যায়নি।

সম্প্রতি মুর ফার্মে ছয়বার সন্দেহজনক অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। এমন কঠিন সময়ের মধ্যেই একসঙ্গে ৬টি বার্ন আউল ছানার জন্ম খামারের মালিক ও সংরক্ষণকর্মীদের মুখে হাসি ফিরিয়ে এনেছে। তাদের আশা, এই নতুন প্রজন্ম ভবিষ্যতে বার্ন আউলের সংখ্যা বাড়াতে এবং সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন সীমানা নির্ধারণ সভায় হামলা

বার্ন আউল ছানা: এক বাসায় ৬টি পেঁচাশাবকের বিরল সন্ধান

Update Time : ০৯:০৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাজ্যের পিটারবরোর কাছের মুর ফার্মে একসঙ্গে ৬টি বার্ন আউল ছানার সন্ধান মিলেছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরে এটি সবচেয়ে বড় বার্ন আউল পরিবারের অন্যতম। সম্প্রতি একাধিক অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারটির জন্য এই বিরল ঘটনা যেন নতুন আশার বার্তা নিয়ে এসেছে।

পিটারবরো সিটি কাউন্সিলের বার্ন আউল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ সাইমন ডাডহিল জানান, ২০২৬ সালে তিনি ২৬০টিরও বেশি বার্ন আউল ছানাকে শনাক্তকরণ রিং পরিয়েছেন। তবে একটি বাসায় একসঙ্গে ৬টি ছানা পাওয়া এ বছরের প্রথম ঘটনা এবং এটি অত্যন্ত বিরল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা

সংরক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিটি ছানার পায়ে ব্রিটিশ ট্রাস্ট ফর অরনিথোলজির (BTO) বিশেষ নম্বরযুক্ত ধাতব রিং পরানো হয়েছে। এসব রিংয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে তাদের চলাচল, বেঁচে থাকা এবং প্রজনন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

মুর ফার্মের মালিক জুডিথ জ্যাকবস জানান, গত বছর খামারে একটি বার্ন আউল ছানাও দেখা যায়নি। তবে এ বছর তিনটি স্ত্রী ও তিনটি পুরুষ ছানার জন্ম হয়েছে। তিনি বলেন, খামারের আশপাশে নিরাপদ শিকারের পথ তৈরি করায় পেঁচাগুলো এখন ব্যস্ত সড়ক এড়িয়ে সহজেই খাবার সংগ্রহ করতে পারছে, যা তাদের প্রজননে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

আরও পড়ুন  ভেঙে গেল রোনালদোর বিশ্বকাপ স্বপ্ন

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, গত কয়েক বছরে পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাবে অনেক পূর্ণবয়স্ক বার্ন আউল বাসা তৈরি করলেও ডিম দেয়নি। কিন্তু চলতি বছরে খাদ্যের প্রাপ্যতা বেড়ে যাওয়ায় তাদের সফল প্রজননের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ক্যামব্রিজশায়ারের সব এলাকায় একই রকম ফলাফল দেখা যায়নি।

সম্প্রতি মুর ফার্মে ছয়বার সন্দেহজনক অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। এমন কঠিন সময়ের মধ্যেই একসঙ্গে ৬টি বার্ন আউল ছানার জন্ম খামারের মালিক ও সংরক্ষণকর্মীদের মুখে হাসি ফিরিয়ে এনেছে। তাদের আশা, এই নতুন প্রজন্ম ভবিষ্যতে বার্ন আউলের সংখ্যা বাড়াতে এবং সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয় চিড়িয়াখানায় গেল হাতি ‘বাদশা বাহাদুর’