চড়া সবজি-মুরগি-ডিমের বাজার এখন ঢাকার সাধারণ মানুষের জন্য বড় চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শাক-সবজি, মাছ-মাংস ও ডিমের দাম একসঙ্গে বাড়ায় ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকায় পৌঁছেছে। এতে বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের খরচ আরও বেড়ে গেছে।
সবজির বাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। ঢেঁড়স ও টমেটো ছাড়া অধিকাংশ সবজির দাম ৬০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। করলা, শিমসহ বিভিন্ন সবজির দামও বেড়েছে। সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারে ক্রেতারা বলছেন, প্রায় সব সবজির দাম বেশি থাকায় কেনাকাটা কমিয়ে দিতে হচ্ছে। ক্রেতাদের মতে, দাম একবার বাড়লে আর আগের অবস্থায় ফিরে আসে না।
বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ ও বাজারে একাধিক হাতবদলের কারণে দাম বাড়ছে। ফলে চড়া সবজি-মুরগি-ডিমের বাজার আরও চাপ তৈরি করছে। মাছের বাজারেও দাম বেড়েছে। রুই, পাঙ্গাস ও শিং মাছসহ বিভিন্ন মাছের দাম বাজারভেদে পরিবর্তিত হচ্ছে।

মুরগির দামেও উঠানামা দেখা গেছে। ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম কিছুটা কমলেও এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।ডিমের বাজারে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে। এক ডজন ডিমের দাম ১৩০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা ক্রেতাদের জন্য বড় চাপ তৈরি করেছে।
ক্রেতারা বলছেন, প্রতিদিনের বাজারে এমন দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলছে। অনেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা কমিয়ে দিয়েছেন। তাদের মতে, সরকারকে বাজার নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়েই মনে করছেন, পরিবহন ব্যয় ও মধ্যস্বত্বভোগী কমানো গেলে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে।বর্তমান পরিস্থি তিতে চড়া সবজি-মুরগি-ডিমের বাজার সাধারণ মানুষের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।






















