ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি: সুস্থ জীবনের ভারসাম্য

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৬:৩১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৫৭

স্থ্যকর জীবনযাপনে পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টির ভূমিকা। ছবি: সংগৃহীত।

পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি সুস্থ জীবনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। অনেকেই মনে করেন শুধু ভালো খাবার খেলেই শরীর সুস্থ থাকে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে শরীরকে সেই পুষ্টি গ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রামও প্রয়োজন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ঘুম শরীরের কোষ পুনর্গঠন এবং শক্তি পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি একসঙ্গে কাজ করে শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে।

মানবদেহে খাবার থেকে পুষ্টি শোষণের একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে কাজ করতে হলে শরীরের বিশ্রাম প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম শরীরকে খাবারের পুষ্টি সঠিকভাবে গ্রহণে সহায়তা করে। ফলে পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি একসঙ্গে শরীরের শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

ঘুম কম হলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। বিশেষ করে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের উপর এর প্রভাব পড়ে।স্বাস্থ্য গবেষণায় দেখা গেছে, অনিদ্রা ক্ষুধা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে। ফলে পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি না থাকলে ওজন বৃদ্ধি ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও জাগার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে সুষম খাবার গ্রহণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।বিশেষজ্ঞরা বলেন, পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে হলে রাত জাগা কমানো, ক্যাফেইন গ্রহণ সীমিত রাখা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের Washington University in St. Louis-এর গবেষণায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তুলতে ঘুম ও পুষ্টির সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তাদের ২০২৬ সালের Healthy Habits গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি শরীরের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি: সুস্থ জীবনের ভারসাম্য

Update Time : ০৬:৩১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি সুস্থ জীবনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। অনেকেই মনে করেন শুধু ভালো খাবার খেলেই শরীর সুস্থ থাকে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে শরীরকে সেই পুষ্টি গ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রামও প্রয়োজন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ঘুম শরীরের কোষ পুনর্গঠন এবং শক্তি পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি একসঙ্গে কাজ করে শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে।

মানবদেহে খাবার থেকে পুষ্টি শোষণের একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে কাজ করতে হলে শরীরের বিশ্রাম প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম শরীরকে খাবারের পুষ্টি সঠিকভাবে গ্রহণে সহায়তা করে। ফলে পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি একসঙ্গে শরীরের শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুন  কম খরচে বাউবিতে ব্যাচেলর-মাস্টার্স, নেই বয়সের বাধা

ঘুম কম হলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। বিশেষ করে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের উপর এর প্রভাব পড়ে।স্বাস্থ্য গবেষণায় দেখা গেছে, অনিদ্রা ক্ষুধা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে। ফলে পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি না থাকলে ওজন বৃদ্ধি ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন  আজ আন্তর্জাতিক পরী দিবস: শৈশবের জাদুময় স্মৃতির উদযাপন

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও জাগার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে সুষম খাবার গ্রহণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।বিশেষজ্ঞরা বলেন, পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে হলে রাত জাগা কমানো, ক্যাফেইন গ্রহণ সীমিত রাখা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের Washington University in St. Louis-এর গবেষণায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তুলতে ঘুম ও পুষ্টির সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তাদের ২০২৬ সালের Healthy Habits গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টি শরীরের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন  গভীর ঘুমের উপায়: চিকিৎসকের কার্যকর পরামর্শ