ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রিপেইড মিটার চার্জ বাতিল ২০২৬: গ্রাহকদের বড় স্বস্তির ঘোষণা Logo আমির খানের বিয়ে: গৌরীর সঙ্গে নতুন অধ্যায়ের প্রস্তুতি Logo তাপপ্রবাহ পূর্বাভাস: জুনজুড়ে গরম ও কম বৃষ্টির বিশেষ চিত্র Logo ওয়ালটন চাকরি ২০২৬: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে আবেদন অনলাইনে Logo লাইভ শপিং চাকরি সার্কুলার: আকর্ষণীয় বেতনে নিয়োগের সুযোগ Logo সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে নতুন জটিলতা, খুঁজে মিলছে না কর্মকর্তাদের Logo হাম মৃত্যু ছাড়াল ৬০০, নতুন আক্রান্ত আরও ৫৫ Logo আর্জেন্টিনা নয়, ব্রাজিলও নয়; সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স Logo সুন্দরবন ভ্রমণ প্যাকেজ: খরচ, দর্শনীয় স্থান ও পূর্ণ গাইড Logo খুরশিদ আলম ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, স্ত্রীর ঋণ খেলাপি হওয়া বাধা নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ছেন? ডেকে আনছেন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!

সুস্থ থাকতে খাবার ও ঘুমের মধ্যে অন্তত ৩ ঘণ্টা গ্যাপ রাখুন।

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দিনের ক্লান্তি শেষে রাতের খাবার খেয়েই দ্রুত বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু এই অভ্যাসটি আপনার শরীরের জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা কি জানেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের খাবার খেয়ে সাথে সাথে ঘুমানো শরীরের জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে, যা থেকে স্ট্রোক পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কেন সাথে সাথে ঘুমানো বিপজ্জনক?

১. হজমে মারাত্মক বিঘ্ন: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। নিউট্রিশনিস্ট রূপালী দত্তের মতে, এর ফলে খাবার অন্ত্রের দেয়ালে বাধা পায়, যা থেকে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং তীব্র বুকজ্বালা দেখা দেয়।

২. ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিজম: আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা হজম ক্ষমতা সূর্যের গতিবিধির সাথে সম্পর্কযুক্ত। রাতের দিকে এটি এমনিতেই কমে যায়। ফলে দেরি করে খেলে বা খাওয়ার পর না হাঁটলে সেই ক্যালরি বার্ন হয় না এবং তা চর্বি বা ফ্যাট হিসেবে শরীরে জমতে থাকে।

৩. ঘুমের ব্যাঘাত: বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঘুমালে শরীরে শক্তির মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, যা গভীর ঘুমে বাধা সৃষ্টি করে। অপর্যাপ্ত ঘুম আবার ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

৪. স্ট্রোকের ঝুঁকি: গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের বদহজম ও অ্যাসিডিটির ফলে স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে। এর ফলে রক্তে কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে।

কখন ঘুমানো উচিত? চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, রাতের খাবার এবং ঘুমের মধ্যে অন্তত ৩ ঘণ্টা ব্যবধান থাকা জরুরি। এই সময়ের মধ্যে খাবার অনেকটা হজম হয়ে যায় এবং শরীরের মেটাবলিজম ঠিক থাকে, যা আপনাকে স্লিপ ডিসঅর্ডার ও স্থূলতা থেকে রক্ষা করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রিপেইড মিটার চার্জ বাতিল ২০২৬: গ্রাহকদের বড় স্বস্তির ঘোষণা

রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ছেন? ডেকে আনছেন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!

Update Time : ০৯:৫০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দিনের ক্লান্তি শেষে রাতের খাবার খেয়েই দ্রুত বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু এই অভ্যাসটি আপনার শরীরের জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা কি জানেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের খাবার খেয়ে সাথে সাথে ঘুমানো শরীরের জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে, যা থেকে স্ট্রোক পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কেন সাথে সাথে ঘুমানো বিপজ্জনক?

১. হজমে মারাত্মক বিঘ্ন: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। নিউট্রিশনিস্ট রূপালী দত্তের মতে, এর ফলে খাবার অন্ত্রের দেয়ালে বাধা পায়, যা থেকে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং তীব্র বুকজ্বালা দেখা দেয়।

আরও পড়ুন  হামের সংক্রমণ বেড়েছে ,বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় পরিস্থিতি ভয়াবহ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২. ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিজম: আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা হজম ক্ষমতা সূর্যের গতিবিধির সাথে সম্পর্কযুক্ত। রাতের দিকে এটি এমনিতেই কমে যায়। ফলে দেরি করে খেলে বা খাওয়ার পর না হাঁটলে সেই ক্যালরি বার্ন হয় না এবং তা চর্বি বা ফ্যাট হিসেবে শরীরে জমতে থাকে।

৩. ঘুমের ব্যাঘাত: বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঘুমালে শরীরে শক্তির মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, যা গভীর ঘুমে বাধা সৃষ্টি করে। অপর্যাপ্ত ঘুম আবার ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

আরও পড়ুন  হামের প্রকোপে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু: সারাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে

৪. স্ট্রোকের ঝুঁকি: গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের বদহজম ও অ্যাসিডিটির ফলে স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে। এর ফলে রক্তে কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে।

কখন ঘুমানো উচিত? চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, রাতের খাবার এবং ঘুমের মধ্যে অন্তত ৩ ঘণ্টা ব্যবধান থাকা জরুরি। এই সময়ের মধ্যে খাবার অনেকটা হজম হয়ে যায় এবং শরীরের মেটাবলিজম ঠিক থাকে, যা আপনাকে স্লিপ ডিসঅর্ডার ও স্থূলতা থেকে রক্ষা করবে।

আরও পড়ুন  জিবে জল আনার মতো তেলাপিয়া মাছের ভিন্ন স্বাদের রেসিপি ‘লেবু তেলাপিয়া’