ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিশ্বকাপ ফাইনাল বিশ্রাম সুবিধা: আর্জেন্টিনা কি ইতিহাসের চাপে? Logo বিশ্বকাপের হাফটাইমে তারকাখচিত জমজমাট আয়োজন Logo সৌদি ইস্যুতে ইরানকে কড়া বার্তা দিল পাকিস্তান Logo সয়াবিন নয়, সরিষার তেল কি সত্যিই স্বাস্থ্যকর? জানুন সত্য Logo বায়ু ও শব্দদূষণ কমাতে নতুন নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo প্রেমের টানে চীনা নাগরিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, ধর্মান্তরিত হয়ে করলেন বিয়ে Logo এমিলিয়ানো মার্তিনেজ: অবিশ্বাস্য ত্যাগে খেলছেন বিশ্বকাপ ফাইনাল Logo ভৈরব নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ গৃহবধূ, ৩০ ঘণ্টা পর মিলল মরদেহ Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে তরুণ নিহত, আহত ১ Logo কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযান, জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার ৩

রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ছেন? ডেকে আনছেন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!

সুস্থ থাকতে খাবার ও ঘুমের মধ্যে অন্তত ৩ ঘণ্টা গ্যাপ রাখুন।

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দিনের ক্লান্তি শেষে রাতের খাবার খেয়েই দ্রুত বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু এই অভ্যাসটি আপনার শরীরের জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা কি জানেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের খাবার খেয়ে সাথে সাথে ঘুমানো শরীরের জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে, যা থেকে স্ট্রোক পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কেন সাথে সাথে ঘুমানো বিপজ্জনক?

১. হজমে মারাত্মক বিঘ্ন: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। নিউট্রিশনিস্ট রূপালী দত্তের মতে, এর ফলে খাবার অন্ত্রের দেয়ালে বাধা পায়, যা থেকে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং তীব্র বুকজ্বালা দেখা দেয়।

২. ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিজম: আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা হজম ক্ষমতা সূর্যের গতিবিধির সাথে সম্পর্কযুক্ত। রাতের দিকে এটি এমনিতেই কমে যায়। ফলে দেরি করে খেলে বা খাওয়ার পর না হাঁটলে সেই ক্যালরি বার্ন হয় না এবং তা চর্বি বা ফ্যাট হিসেবে শরীরে জমতে থাকে।

৩. ঘুমের ব্যাঘাত: বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঘুমালে শরীরে শক্তির মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, যা গভীর ঘুমে বাধা সৃষ্টি করে। অপর্যাপ্ত ঘুম আবার ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

৪. স্ট্রোকের ঝুঁকি: গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের বদহজম ও অ্যাসিডিটির ফলে স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে। এর ফলে রক্তে কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে।

কখন ঘুমানো উচিত? চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, রাতের খাবার এবং ঘুমের মধ্যে অন্তত ৩ ঘণ্টা ব্যবধান থাকা জরুরি। এই সময়ের মধ্যে খাবার অনেকটা হজম হয়ে যায় এবং শরীরের মেটাবলিজম ঠিক থাকে, যা আপনাকে স্লিপ ডিসঅর্ডার ও স্থূলতা থেকে রক্ষা করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ ফাইনাল বিশ্রাম সুবিধা: আর্জেন্টিনা কি ইতিহাসের চাপে?

রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ছেন? ডেকে আনছেন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!

Update Time : ০৯:৫০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দিনের ক্লান্তি শেষে রাতের খাবার খেয়েই দ্রুত বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু এই অভ্যাসটি আপনার শরীরের জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা কি জানেন? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের খাবার খেয়ে সাথে সাথে ঘুমানো শরীরের জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে, যা থেকে স্ট্রোক পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কেন সাথে সাথে ঘুমানো বিপজ্জনক?

১. হজমে মারাত্মক বিঘ্ন: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে শরীরের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। নিউট্রিশনিস্ট রূপালী দত্তের মতে, এর ফলে খাবার অন্ত্রের দেয়ালে বাধা পায়, যা থেকে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং তীব্র বুকজ্বালা দেখা দেয়।

আরও পড়ুন  হামের সংক্রমণ বেড়েছে ,বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতায় পরিস্থিতি ভয়াবহ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২. ওজন বৃদ্ধি ও মেটাবলিজম: আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা হজম ক্ষমতা সূর্যের গতিবিধির সাথে সম্পর্কযুক্ত। রাতের দিকে এটি এমনিতেই কমে যায়। ফলে দেরি করে খেলে বা খাওয়ার পর না হাঁটলে সেই ক্যালরি বার্ন হয় না এবং তা চর্বি বা ফ্যাট হিসেবে শরীরে জমতে থাকে।

৩. ঘুমের ব্যাঘাত: বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে ঘুমালে শরীরে শক্তির মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, যা গভীর ঘুমে বাধা সৃষ্টি করে। অপর্যাপ্ত ঘুম আবার ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

আরও পড়ুন  মায়ের দুধের বিকল্প নেই : শিশুর বিকাশে গুরুত্ব জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪. স্ট্রোকের ঝুঁকি: গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের বদহজম ও অ্যাসিডিটির ফলে স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে। এর ফলে রক্তে কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে।

কখন ঘুমানো উচিত? চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, রাতের খাবার এবং ঘুমের মধ্যে অন্তত ৩ ঘণ্টা ব্যবধান থাকা জরুরি। এই সময়ের মধ্যে খাবার অনেকটা হজম হয়ে যায় এবং শরীরের মেটাবলিজম ঠিক থাকে, যা আপনাকে স্লিপ ডিসঅর্ডার ও স্থূলতা থেকে রক্ষা করবে।

আরও পড়ুন  সৌন্দর্যচর্চায় ইনজেকশন ব্যবহার: ঝুঁকি, সতর্কতা ও করণীয়