ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাইক হাসির পরামর্শ, নাজমুলের জন্য বিশেষ শিক্ষা Logo সততা-যোগ্যতায় পদোন্নতি, বড় নির্দেশ তারেক রহমানের Logo আরাকান আর্মির বন্দিশালায় ৮ মাস, ফিরলেন ২৪ বাংলাদেশি জেলে Logo নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo খাদ্য অনিয়মে চট্টগ্রামে বড় জরিমানা, ফ্লেভারস-মেরিডিয়ানসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার Logo বাকলিয়া এক্সেস রোডে অটোরিকশার দাপট, বাড়ছে আতঙ্ক Logo কৃতি শ্যাননের বিজ্ঞাপন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, উঠল যেসব প্রশ্ন Logo অনুরাগ কাশ্যপের ২০ বছরের ছোট প্রেমিকা, ভয় কাটিয়ে সুখের ১১ বছর Logo দীর্ঘ বিরতির পর নতুন চমক নিয়ে ফিরছেন তানিম রহমান অংশু!

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া শুরু ৬ জুলাই

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:০২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ৫২৩

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেওয়া যুদ্ধজাহাজ। ছবি: সংগৃহীত

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া আগামী ৬ জুলাই থেকে চীনের উপকূলীয় শহর চিংদাওয়ের জলসীমা ও আকাশসীমায় শুরু হচ্ছে। চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনী যৌথভাবে এই বার্ষিক সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে।

রোববার চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মহড়া শেষে উভয় দেশের কিছু নৌযান প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহলে অংশ নেবে। এই উদ্যোগ দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।

বেইজিংয়ের দাবি, এটি একটি নিয়মিত বার্ষিক মহড়া। এর উদ্দেশ্য যৌথভাবে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, মহড়ায় অংশ নিতে দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি কর্ভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ইতোমধ্যে চিংদাও উপকূলে পৌঁছেছে।

৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলা এই চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতার অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের যৌথ মহড়া সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সমন্বয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও রাশিয়া নিয়মিতভাবে স্থল, নৌ ও আকাশপথে যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে দুই দেশ তাদের সামরিক সক্ষমতা, সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দক্ষতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের মহড়া কেবল সামরিক প্রস্তুতির অংশ নয়, বরং কৌশলগত বার্তাও বহন করে। প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সমুদ্রপথে যৌথ কার্যক্রম পরিচালনায় এ ধরনের অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মহড়া কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। বরং এটি বার্ষিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই আয়োজন করা হয়েছে।

রাশিয়ার অংশগ্রহণকারী নৌবহরের উপস্থিতির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী ১৩ জুলাই মহড়া শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সমুদ্র এলাকায় যৌথ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে উভয় দেশের নৌবাহিনী।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক হাসির পরামর্শ, নাজমুলের জন্য বিশেষ শিক্ষা

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া শুরু ৬ জুলাই

Update Time : ০৯:০২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া আগামী ৬ জুলাই থেকে চীনের উপকূলীয় শহর চিংদাওয়ের জলসীমা ও আকাশসীমায় শুরু হচ্ছে। চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনী যৌথভাবে এই বার্ষিক সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে।

রোববার চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মহড়া শেষে উভয় দেশের কিছু নৌযান প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহলে অংশ নেবে। এই উদ্যোগ দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।

বেইজিংয়ের দাবি, এটি একটি নিয়মিত বার্ষিক মহড়া। এর উদ্দেশ্য যৌথভাবে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রীর চীন ও মালয়েশিয়া সফর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ‘গেম চেঞ্জার’

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, মহড়ায় অংশ নিতে দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি কর্ভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ইতোমধ্যে চিংদাও উপকূলে পৌঁছেছে।

৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলা এই চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতার অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের যৌথ মহড়া সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সমন্বয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও রাশিয়া নিয়মিতভাবে স্থল, নৌ ও আকাশপথে যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে দুই দেশ তাদের সামরিক সক্ষমতা, সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দক্ষতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন  ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত ১৬৪, ১০ হাজার প্রাণহানির আশঙ্কায় উৎকণ্ঠা

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের মহড়া কেবল সামরিক প্রস্তুতির অংশ নয়, বরং কৌশলগত বার্তাও বহন করে। প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সমুদ্রপথে যৌথ কার্যক্রম পরিচালনায় এ ধরনের অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মহড়া কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। বরং এটি বার্ষিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই আয়োজন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইরান মুদ্রাস্ফীতি: ভয়াবহ সংকটে সাধারণ মানুষের জীবন

রাশিয়ার অংশগ্রহণকারী নৌবহরের উপস্থিতির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী ১৩ জুলাই মহড়া শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সমুদ্র এলাকায় যৌথ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে উভয় দেশের নৌবাহিনী।