কিয়ারা আদভানি বিতর্ক আবারও শিরোনামে। যশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা টক্সিক মুক্তির আগেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ছবির ‘তাবাহি’ গান। গানটিতে যশ ও কিয়ারা আদভানির রোমান্টিক দৃশ্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। তবে আশ্চর্যের বিষয়, একই দৃশ্যে অভিনয় করলেও যশ প্রশংসা পেলেও সমালোচনার বড় অংশের মুখোমুখি হতে হয়েছে কিয়ারাকে। এই বৈষম্যমূলক আচরণ নিয়ে সরব হয়েছেন ছবির অভিনেতা বেনেডিক্ট গ্যারেট।
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে বেনেডিক্ট গ্যারেট বলেন, একজন অভিনেত্রীকে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে বিচার করা অনুচিত। তাঁর মতে, যশ যেমন একজন বিবাহিত অভিনেতা, কিয়ারাও তেমনই একজন পেশাদার অভিনেত্রী। অথচ যশকে প্রশংসা করা হলেও কিয়ারাকে ‘স্ত্রী’ ও ‘মা’ পরিচয় সামনে এনে সমালোচনা করা হচ্ছে, যা দ্বিমুখী মানসিকতার পরিচয় দেয়।
বেনেডিক্ট আরও বলেন, অভিনয়শিল্পীদের কাজ হলো চরিত্রকে বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরা। বাস্তব জীবনের সম্পর্কের সঙ্গে পর্দার চরিত্রের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই কোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে শুধু রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করার কারণে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা উচিত নয়।
নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন এই ব্রিটিশ অভিনেতা। তিনি জানান, ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে গল্পের প্রয়োজনে তাঁকে নগ্ন দৃশ্যেও অভিনয় করতে হয়েছে। একজন শিল্পী হিসেবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের সম্পর্ক টেনে এনে সমালোচনা করাকে তিনি অযৌক্তিক বলে মনে করেন।
ভিডিওর ক্যাপশনেও একই বক্তব্য তুলে ধরে বেনেডিক্ট লিখেছেন, যশ একই দৃশ্যের জন্য প্রশংসা পাচ্ছেন, অথচ কিয়ারা আদভানিকে আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে। তাঁর মতে, এই প্রতিক্রিয়া অভিনেতা-অভিনেত্রীর চেয়ে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকেই বেশি প্রকাশ করে। একজন শিল্পীর কাজকে পেশাগত দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করা উচিত, ব্যক্তিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়।
গীতু মোহনদাস পরিচালিত টক্সিক সিনেমায় যশ ও কিয়ারা আদভানির পাশাপাশি অভিনয় করেছেন নয়নতারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া এবং রুক্মিণী বসন্ত। কেভিএন প্রোডাকশনস ও মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনের প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি আগামী ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা। ‘তাবাহি’ গান ঘিরে শুরু হওয়া কিয়ারা আদভানি বিতর্ক এখন সিনেমাটির প্রচারণার অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।




























