ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

চরম গরমে বদলাচ্ছে ভ্রমণ, জনপ্রিয় হচ্ছে কুলকেশন

চরম গরমে শীতল গন্তব্যেই এখন পর্যটকদের স্বস্তি।

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। এর প্রভাব এখন শুধু মানুষের দৈনন্দিন জীবনেই নয়, পর্যটন শিল্পেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। প্রচণ্ড গরম, তাপপ্রবাহ এবং অনিশ্চিত আবহাওয়ার কারণে পর্যটকেরা আগের মতো গরমের সময়ে সমুদ্রসৈকত বা উষ্ণ অঞ্চলে না গিয়ে অপেক্ষাকৃত শীতল পরিবেশের গন্তব্য বেছে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সন্ধ্যাকালীন ভ্রমণ এবং ‘লাস্ট চান্স ট্যুরিজম’ নামের নতুন ভ্রমণধারা।

গরম এড়িয়ে ‘কুলকেশন’-এর দিকে ঝুঁকছেন পর্যটকেরা

পর্যটনবিশ্বে নতুন একটি শব্দ এখন বেশ আলোচিত—কুলকেশন (Coolcation)। অর্থাৎ, তীব্র গরম এড়িয়ে ঠান্ডা বা মনোরম আবহাওয়ার অঞ্চলে ছুটি কাটানো।

আগে যেখানে গ্রীষ্মের ছুটিতে সমুদ্রসৈকত ছিল পর্যটকদের প্রথম পছন্দ, সেখানে এখন তারা বেছে নিচ্ছেন পাহাড়ি বা শীতল আবহাওয়ার গন্তব্য।

বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা কয়েকটি গন্তব্য হলো—

  • চীনের ইউনান প্রদেশের দালি ও লিজিয়াং
  • ফিনল্যান্ড
  • ডেনমার্ক
  • মঙ্গোলিয়া
  • কাজাখস্তান
  • নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ড
  • অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া

জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে এসব অঞ্চলে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে মঙ্গোলিয়ায় পর্যটক বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে ২০২৫ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত তাসমানিয়ায় রেকর্ড আড়াই লাখের বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।

এশিয়া ও ইউরোপে বাড়ছে তাপপ্রবাহের প্রভাব

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO)-এর তথ্যমতে, এশিয়া বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দ্রুত উষ্ণ হয়ে উঠছে।

জাপানে একদিকে যেমন পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে, অন্যদিকে দেশটিতে তাপমাত্রা ১০৭.২ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এতটাই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে দেশটি চরম গরমের দিনের জন্য ‘কোকুশো-বি’ নামে নতুন একটি শব্দ ব্যবহার শুরু করেছে, যার অর্থ ‘নিষ্ঠুর গরমের দিন’।

ইউরোপেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

  • ফ্রান্সে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার ‘হিট ডোম’ তৈরি হয়।
  • পানিশূন্যতা ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে প্যারিসে কিছু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মদ বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
  • স্পেন ও যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্রে তীব্র গরমের কারণে দর্শনার্থীদের জন্য সময়সূচি কমিয়ে আনা হয়েছে।

জনপ্রিয় হচ্ছে সন্ধ্যাকালীন বা রাতের ভ্রমণ

চরম গরমের কারণে পর্যটন প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের সেবায় পরিবর্তন আনছে।

এখন দিনের বেলায় পর্যটকদের বাইরে না নিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান সকাল কিংবা সন্ধ্যার পর ভ্রমণ আয়োজন করছে। এই প্রবণতাকে অনেকেই ‘ডার্ক আফটার ডাস্ক’ বা সন্ধ্যাকালীন ভ্রমণ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

অনলাইন বুকিং প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী—

  • সন্ধ্যার পর ভ্রমণ কার্যক্রমের বুকিং বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ
  • এশিয়ার বাজারে এই প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৭০ শতাংশ

পর্যটকদের পছন্দের রাতের ভ্রমণের মধ্যে রয়েছে—

  • জাপানের কিয়োটোর ফুশিমি ইনারি মন্দিরে নৈশ ভ্রমণ
  • থাইল্যান্ডের মেকং নদীতে সূর্যাস্তের বোট ট্যুর
  • বিভিন্ন দেশের নাইট মার্কেট ঘুরে দেখা
  • সন্ধ্যার সাংস্কৃতিক আয়োজন ও স্থানীয় উৎসব

পর্যটন শিল্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব শুধু গরম বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

দীর্ঘস্থায়ী বন্যা, অনিয়মিত বর্ষা, টাইফুন এবং মৌসুমি আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে পর্যটন খাতকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

নেপালের মতো পাহাড়ি অঞ্চলের হোটেল ও পর্যটন ব্যবসাগুলো এখন সারা বছর আবহাওয়াজনিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করছে। নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে তাদের নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হচ্ছে।

‘লাস্ট চান্স ট্যুরিজম’ কেন বাড়ছে?

জলবায়ু পরিবর্তনের আরেকটি প্রভাব হলো ‘লাস্ট চান্স ট্যুরিজম’

এর অর্থ, এমন কোনো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা পর্যটনস্থল যা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত বা বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে, সেটি শেষবারের মতো দেখে আসার আগ্রহ।

এ কারণে অনেক পর্যটক এখন ভ্রমণ করছেন—

  • মালদ্বীপ
  • গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
  • হিমবাহসমৃদ্ধ বিভিন্ন অঞ্চল
  • প্রবালপ্রাচীর ও উপকূলীয় এলাকা

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে এসব স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভবিষ্যতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহ ভ্রমণের ধরণ বদলে দিচ্ছে।
  • ঠান্ডা আবহাওয়ার গন্তব্যে বাড়ছে পর্যটকের ভিড়।
  • কুলকেশন এখন নতুন বৈশ্বিক ভ্রমণ ট্রেন্ড।
  • সন্ধ্যা ও রাতের ভ্রমণের বুকিং দ্রুত বাড়ছে।
  • জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পর্যটন শিল্পকে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হচ্ছে।
  • লাস্ট চান্স ট্যুরিজমের জনপ্রিয়তাও বাড়ছে।

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন পর্যটন শিল্পে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। শুধু বিনোদনের জন্য নয়, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য এবং আবহাওয়ার উপযোগিতাকে গুরুত্ব দিয়েই এখন ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন মানুষ। ফলে কুলকেশন, সন্ধ্যাকালীন ভ্রমণ এবং লাস্ট চান্স ট্যুরিজমের মতো নতুন প্রবণতা আগামী বছরগুলোতে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন পর্যটন বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাজাখস্তানকে হারিয়ে চমক, কাভা চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের জয়

চরম গরমে বদলাচ্ছে ভ্রমণ, জনপ্রিয় হচ্ছে কুলকেশন

Update Time : ০৭:২২:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। এর প্রভাব এখন শুধু মানুষের দৈনন্দিন জীবনেই নয়, পর্যটন শিল্পেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। প্রচণ্ড গরম, তাপপ্রবাহ এবং অনিশ্চিত আবহাওয়ার কারণে পর্যটকেরা আগের মতো গরমের সময়ে সমুদ্রসৈকত বা উষ্ণ অঞ্চলে না গিয়ে অপেক্ষাকৃত শীতল পরিবেশের গন্তব্য বেছে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সন্ধ্যাকালীন ভ্রমণ এবং ‘লাস্ট চান্স ট্যুরিজম’ নামের নতুন ভ্রমণধারা।

গরম এড়িয়ে ‘কুলকেশন’-এর দিকে ঝুঁকছেন পর্যটকেরা

পর্যটনবিশ্বে নতুন একটি শব্দ এখন বেশ আলোচিত—কুলকেশন (Coolcation)। অর্থাৎ, তীব্র গরম এড়িয়ে ঠান্ডা বা মনোরম আবহাওয়ার অঞ্চলে ছুটি কাটানো।

আগে যেখানে গ্রীষ্মের ছুটিতে সমুদ্রসৈকত ছিল পর্যটকদের প্রথম পছন্দ, সেখানে এখন তারা বেছে নিচ্ছেন পাহাড়ি বা শীতল আবহাওয়ার গন্তব্য।

বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা কয়েকটি গন্তব্য হলো—

  • চীনের ইউনান প্রদেশের দালি ও লিজিয়াং
  • ফিনল্যান্ড
  • ডেনমার্ক
  • মঙ্গোলিয়া
  • কাজাখস্তান
  • নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ড
  • অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া

জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে এসব অঞ্চলে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে মঙ্গোলিয়ায় পর্যটক বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে ২০২৫ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত তাসমানিয়ায় রেকর্ড আড়াই লাখের বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।

এশিয়া ও ইউরোপে বাড়ছে তাপপ্রবাহের প্রভাব

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO)-এর তথ্যমতে, এশিয়া বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দ্রুত উষ্ণ হয়ে উঠছে।

জাপানে একদিকে যেমন পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে, অন্যদিকে দেশটিতে তাপমাত্রা ১০৭.২ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এতটাই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে দেশটি চরম গরমের দিনের জন্য ‘কোকুশো-বি’ নামে নতুন একটি শব্দ ব্যবহার শুরু করেছে, যার অর্থ ‘নিষ্ঠুর গরমের দিন’।

ইউরোপেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

  • ফ্রান্সে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার ‘হিট ডোম’ তৈরি হয়।
  • পানিশূন্যতা ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে প্যারিসে কিছু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মদ বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
  • স্পেন ও যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্রে তীব্র গরমের কারণে দর্শনার্থীদের জন্য সময়সূচি কমিয়ে আনা হয়েছে।

জনপ্রিয় হচ্ছে সন্ধ্যাকালীন বা রাতের ভ্রমণ

চরম গরমের কারণে পর্যটন প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের সেবায় পরিবর্তন আনছে।

এখন দিনের বেলায় পর্যটকদের বাইরে না নিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান সকাল কিংবা সন্ধ্যার পর ভ্রমণ আয়োজন করছে। এই প্রবণতাকে অনেকেই ‘ডার্ক আফটার ডাস্ক’ বা সন্ধ্যাকালীন ভ্রমণ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

অনলাইন বুকিং প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী—

  • সন্ধ্যার পর ভ্রমণ কার্যক্রমের বুকিং বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ
  • এশিয়ার বাজারে এই প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৭০ শতাংশ

পর্যটকদের পছন্দের রাতের ভ্রমণের মধ্যে রয়েছে—

  • জাপানের কিয়োটোর ফুশিমি ইনারি মন্দিরে নৈশ ভ্রমণ
  • থাইল্যান্ডের মেকং নদীতে সূর্যাস্তের বোট ট্যুর
  • বিভিন্ন দেশের নাইট মার্কেট ঘুরে দেখা
  • সন্ধ্যার সাংস্কৃতিক আয়োজন ও স্থানীয় উৎসব

পর্যটন শিল্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব শুধু গরম বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

দীর্ঘস্থায়ী বন্যা, অনিয়মিত বর্ষা, টাইফুন এবং মৌসুমি আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে পর্যটন খাতকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

নেপালের মতো পাহাড়ি অঞ্চলের হোটেল ও পর্যটন ব্যবসাগুলো এখন সারা বছর আবহাওয়াজনিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করছে। নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে তাদের নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হচ্ছে।

‘লাস্ট চান্স ট্যুরিজম’ কেন বাড়ছে?

জলবায়ু পরিবর্তনের আরেকটি প্রভাব হলো ‘লাস্ট চান্স ট্যুরিজম’

এর অর্থ, এমন কোনো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা পর্যটনস্থল যা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত বা বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে, সেটি শেষবারের মতো দেখে আসার আগ্রহ।

এ কারণে অনেক পর্যটক এখন ভ্রমণ করছেন—

  • মালদ্বীপ
  • গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
  • হিমবাহসমৃদ্ধ বিভিন্ন অঞ্চল
  • প্রবালপ্রাচীর ও উপকূলীয় এলাকা

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে এসব স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভবিষ্যতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহ ভ্রমণের ধরণ বদলে দিচ্ছে।
  • ঠান্ডা আবহাওয়ার গন্তব্যে বাড়ছে পর্যটকের ভিড়।
  • কুলকেশন এখন নতুন বৈশ্বিক ভ্রমণ ট্রেন্ড।
  • সন্ধ্যা ও রাতের ভ্রমণের বুকিং দ্রুত বাড়ছে।
  • জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পর্যটন শিল্পকে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হচ্ছে।
  • লাস্ট চান্স ট্যুরিজমের জনপ্রিয়তাও বাড়ছে।

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন পর্যটন শিল্পে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। শুধু বিনোদনের জন্য নয়, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য এবং আবহাওয়ার উপযোগিতাকে গুরুত্ব দিয়েই এখন ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন মানুষ। ফলে কুলকেশন, সন্ধ্যাকালীন ভ্রমণ এবং লাস্ট চান্স ট্যুরিজমের মতো নতুন প্রবণতা আগামী বছরগুলোতে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন পর্যটন বিশেষজ্ঞরা।