রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়টির নিষ্পত্তি সম্ভব হতে পারে। সংবিধানে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মানবাধিকারবিষয়ক এক পরামর্শ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সেই হিসেবে এখনো পর্যাপ্ত সময় রয়েছে এবং বিশেষ অধিবেশন ডাকার প্রয়োজন দেখা দেয়নি।
তিনি আরও জানান, সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী ১৫ জুলাই থেকে ৬০ দিনের মধ্যে সংসদের পরবর্তী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তাই ওই অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়টি চূড়ান্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি এখনই বিস্তারিত মন্তব্য করার সময় আসেনি। আইনের ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে তখন সংশ্লিষ্ট আইন ও সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয়গুলো বিবেচনা করা হবে।
মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত ওই সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তি বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধিকারের প্রেসিডেন্ট তাসনিম সিদ্দিকী।
এদিকে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর থাকবে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনের দিকে, যেখানে সাংবিধানিক নিয়ম মেনে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।



























