রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ২০২৬-২৭ নির্ধারণ করে চলতি অর্থবছরের জন্য ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ঘোষণা করেছে সরকার। পণ্য ও সেবা—উভয় খাতেই প্রায় ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, মোট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার পণ্য রপ্তানি এবং ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সেবা রপ্তানি থেকে অর্জনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে কাঙ্ক্ষিত রপ্তানি প্রবৃদ্ধি না এলেও নতুন সরকারের ব্যবসাবান্ধব নীতি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নীতিগত স্থিতিশীলতার কারণে চলতি অর্থবছরে রপ্তানি খাত আবারও শক্ত অবস্থানে ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে। এই নির্ভরতা কমাতে সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, জাহাজ নির্মাণ, শিপ রিসাইক্লিং এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার কাজও দ্রুত চলছে। এসব উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জ্বালানি সরবরাহ উন্নয়ন, নতুন বাণিজ্য চুক্তি এবং এলডিসি উত্তরণের পরও বাজার সুবিধা ধরে রাখার পরিকল্পনার মাধ্যমে সরকার চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ২০২৬-২৭ অর্জনে আশাবাদী। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও রপ্তানি খাতের ইতিবাচক সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


























