ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে নিতে জুভেন্টাসের নতুন প্রস্তাব, জমে উঠেছে চমকপ্রদ লড়াই Logo ক্যাপসিকাম কি কমাতে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি? Logo ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকের বড় পরিবর্তন, শিশু গোপনীয়তা মামলায় মেটার বিপদ Logo ব্রুনো ফার্নান্দেজকে ছাড়বে না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ট্রান্সফারে বড় সিদ্ধান্ত Logo চিকিৎসক না হয়েও চোখের চিকিৎসা, ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর ব্যবস্থা Logo শেষ ইনকা নগরীর চমকপ্রদ রহস্য, হারানো ভিলকাবাম্বা কীভাবে খুঁজে পেলেন ‘রিয়েল ইন্ডিয়ানা জোন্স’ Logo অনুপম রায় বাবা হলেন, এল নতুন অতিথি Logo বাংলাদেশ নারী দল: এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের শক্তিশালী স্কোয়াড Logo নতুন পে স্কেল চলতি বছরেই বাস্তবায়ন হবে : অর্থমন্ত্রী Logo একটি ডিম, একটি কলা এবং বড় একটি স্বপ্ন

জ্বালানি সংকট সমাধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে : নৌপরিবহন মন্ত্রী

জ্বালানি সংকট সমাধানে পরিকল্পনা

জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, জ্বালানি সংকটের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে এবং রাতারাতি সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের সময়ে জ্বালানি খাতে যে সংকট তৈরি হয়েছিল, তার নেতিবাচক প্রভাব এখনো দেখা যাচ্ছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মোংলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেন শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে বর্তমানে দুটি এফআরএসইউ (Floating Storage and Regasification Unit) রয়েছে। এর একটি মোংলায় স্থাপন করা হলে দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের তিনটি বিভাগের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

এফআরএসইউ হচ্ছে সমুদ্রে স্থাপিত এমন একটি ভাসমান ব্যবস্থা, যেখানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সংরক্ষণ ও পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরের কাজ করা হয়। দেশে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ ধরনের অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী জানান, মোংলায় এফআরএসইউ স্থাপনের সম্ভাব্যতা বিবেচনায় আকরাম পয়েন্টসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার নাব্যতা এবং অন্যান্য বাস্তব বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে মোংলায় এফআরএসইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মোংলা বন্দরকে দেশের অর্থনীতির জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নৌপরিবহন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে একটি বন্দর হিসেবে মোংলা দেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৫ থেকে ৬ শতাংশ ভূমিকা রাখছে। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে এই অবদান ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব।

বন্দরটির সক্ষমতা বাড়াতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নৌপথের নাব্যতা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং পণ্য পরিবহনের সুবিধা বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দরকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা গেলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাড়তে পারে।

মতবিনিময় সভায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন বিচ্যুতি হয়েছে, তেমনি সাংবাদিকদের মধ্যেও কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

তিনি সাংবাদিকতার বিস্তার ও পরিবর্তিত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, সাংবাদিকতার বিকাশ এমনভাবে হওয়া উচিত যাতে তা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

সাংবাদিকদের উন্নয়ন শুধু অর্থবিত্ত বা সম্পদের মাধ্যমে হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের প্রকৃত উন্নয়ন হতে হবে মননে। ব্যবসায়ীদের উন্নয়ন অর্থের মাধ্যমে, প্রযুক্তির উন্নয়ন বিজ্ঞানের মাধ্যমে এবং সাংবাদিকদের উন্নয়ন অনুসন্ধানের মাধ্যমে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে সোমবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায় দশানী-রামপাল-মোংলা জেলা মহাসড়কের দশানী থেকে গিলাতলা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়ক পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজ শুরু হয়েছে এবং যথাযথভাবে কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা করেন।

বাগেরহাটের আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে এসব সড়কের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ করা হবে। জনগণের উন্নয়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও তিনি জানান।

বাগেরহাট দশানী থেকে রামপাল হয়ে মোংলা পর্যন্ত প্রায় ৩৪ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়নকাজ চারটি প্যাকেজে ২০২১ সালে শুরু হয়।

এর মধ্যে দশানী থেকে গিলাতলা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশের কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। পরে পুরোনো ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিল করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দেয় সড়ক বিভাগ।

নতুন করে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে মাফুজ খান লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৭২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটির পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারকাজ করছে। প্রকল্পের কাজ ২০২৭ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সড়কটির উন্নয়ন সম্পন্ন হলে বাগেরহাট, রামপাল ও মোংলার মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহন এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বাগেরহাট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন এবং বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটনসহ অন্যরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে নিতে জুভেন্টাসের নতুন প্রস্তাব, জমে উঠেছে চমকপ্রদ লড়াই

জ্বালানি সংকট সমাধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে : নৌপরিবহন মন্ত্রী

Update Time : ০৭:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, জ্বালানি সংকটের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে এবং রাতারাতি সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের সময়ে জ্বালানি খাতে যে সংকট তৈরি হয়েছিল, তার নেতিবাচক প্রভাব এখনো দেখা যাচ্ছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মোংলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেন শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে বর্তমানে দুটি এফআরএসইউ (Floating Storage and Regasification Unit) রয়েছে। এর একটি মোংলায় স্থাপন করা হলে দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের তিনটি বিভাগের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

এফআরএসইউ হচ্ছে সমুদ্রে স্থাপিত এমন একটি ভাসমান ব্যবস্থা, যেখানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সংরক্ষণ ও পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরের কাজ করা হয়। দেশে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ ধরনের অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কর্মকর্তাদের কাজের আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

মন্ত্রী জানান, মোংলায় এফআরএসইউ স্থাপনের সম্ভাব্যতা বিবেচনায় আকরাম পয়েন্টসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার নাব্যতা এবং অন্যান্য বাস্তব বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে মোংলায় এফআরএসইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মোংলা বন্দরকে দেশের অর্থনীতির জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নৌপরিবহন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে একটি বন্দর হিসেবে মোংলা দেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৫ থেকে ৬ শতাংশ ভূমিকা রাখছে। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে এই অবদান ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব।

বন্দরটির সক্ষমতা বাড়াতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নৌপথের নাব্যতা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং পণ্য পরিবহনের সুবিধা বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দরকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা গেলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাড়তে পারে।

মতবিনিময় সভায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন বিচ্যুতি হয়েছে, তেমনি সাংবাদিকদের মধ্যেও কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

আরও পড়ুন  লোডশেডিং কমবে: আগামী সপ্তাহ থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশ্বাস

তিনি সাংবাদিকতার বিস্তার ও পরিবর্তিত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, সাংবাদিকতার বিকাশ এমনভাবে হওয়া উচিত যাতে তা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

সাংবাদিকদের উন্নয়ন শুধু অর্থবিত্ত বা সম্পদের মাধ্যমে হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের প্রকৃত উন্নয়ন হতে হবে মননে। ব্যবসায়ীদের উন্নয়ন অর্থের মাধ্যমে, প্রযুক্তির উন্নয়ন বিজ্ঞানের মাধ্যমে এবং সাংবাদিকদের উন্নয়ন অনুসন্ধানের মাধ্যমে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে সোমবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায় দশানী-রামপাল-মোংলা জেলা মহাসড়কের দশানী থেকে গিলাতলা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়ক পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজ শুরু হয়েছে এবং যথাযথভাবে কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা করেন।

বাগেরহাটের আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে এসব সড়কের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ করা হবে। জনগণের উন্নয়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন  সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ালে কমতে পারে দুর্নীতি: অর্থমন্ত্রী

বাগেরহাট দশানী থেকে রামপাল হয়ে মোংলা পর্যন্ত প্রায় ৩৪ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়নকাজ চারটি প্যাকেজে ২০২১ সালে শুরু হয়।

এর মধ্যে দশানী থেকে গিলাতলা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশের কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। পরে পুরোনো ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিল করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দেয় সড়ক বিভাগ।

নতুন করে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে মাফুজ খান লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৭২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটির পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারকাজ করছে। প্রকল্পের কাজ ২০২৭ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সড়কটির উন্নয়ন সম্পন্ন হলে বাগেরহাট, রামপাল ও মোংলার মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহন এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বাগেরহাট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন এবং বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটনসহ অন্যরা।