ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অফিসের ডেস্কে রাখুন এই গাছ, মন থাকবে ফুরফুরে Logo স্থানীয় উদ্যোক্তা ঋণ পেতে তরুণদের অর্থায়ন কর্মসূচি Logo আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান Logo ইরানে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে ইউনিসেফের নীরবতার সমালোচনা তেহরানের Logo মধ্যপ্রাচ্যকে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের আহ্বান শি জিনপিংয়ের Logo নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা, ওয়ার্ডে ঠাঁই না পেয়ে বারান্দায় রাত কাটছে রোগীদের Logo যে কারণে নভেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের পক্ষে না ট্রাম্পের সহযোগীরা Logo খুলনা নগরীর তাপদাহ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ ও জলাধার সংরক্ষণ Logo রান্নায় তেজপাতা কেন ব্যবহার করবেন, জানুন উপকারিতা Logo এআই দিয়ে লিখলে যে দক্ষতা হারাতে পারে শিক্ষার্থীরা

যে কারণে নভেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের পক্ষে না ট্রাম্পের সহযোগীরা

ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত বর্তমানে নতুন এক নাটকীয় মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীরা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা এড়াতে চান। ওয়াশিংটনের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো জানাচ্ছে, নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য রাজনৈতিক ক্ষতি ঠেকানোর লক্ষ্যেই মূলত লড়াইয়ের গতি কমানোর এই নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার কারণে হোয়াইট হাউসের এই কৌশল মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছে। রিপাবলিকানরা চান না যে নির্বাচন পর্যন্ত এই যুদ্ধ গণমাধ্যমের মূল খবরের শিরোনাম হয়ে থাকুক, যা ভোটারদের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে সীমিত রাখতে চায়। রয়টার্স/ইপসোসের সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধের বিপক্ষে এবং মাত্র ৩১ শতাংশ এটিকে সমর্থন করছেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মার্কিন ভোটারদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিজস্ব জনপ্রিয়তার হার ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৩৩ শতাংশে নেমে এসেছে। নির্বাচন পার করার পর ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপ জোরদার করবে নাকি পূর্ণমাত্রায় অর্থনৈতিক চাপে মনোযোগ দেবে, তা এখনো আলোচনার টেবিলে অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান মূল কৌশল হলো সরাসরি যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে ফেলার বদলে তেহরানের ওপর সর্বাত্মক অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখা, যাতে ভবিষ্যতে কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করা যায়। তবে দীর্ঘ কয়েক মাসের সামরিক অভিযানের পরও এই ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত থামানো বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইতোমধ্যেই সতর্ক করে পিট হেগসেথকে লিখিত মূল্যায়নে জানিয়েছেন যে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নির্দিষ্ট কিছু অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের তীব্র সংকট তৈরি হবে। সম্প্রতি লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলা এবং এর জবাবে জর্ডান ও আমিরাতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ পুরো পরিস্থিতিকে নতুন করে ঘোলাটে করে তুলেছে।

আঞ্চলিক ভূরাজনীতি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, হরমুজ প্রণালিতে ইরান নিজেদের অবস্থান শক্ত ধরে রেখেছে, যা মার্কিন অর্থনীতি ও বৈশ্বিক কৌশলগত জ্বালানি সরবরাহের জন্য বড় ধরনের হুমকি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কৌশলগত নীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন না এলে কিংবা তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলে আঘাত হানলে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা বিমান হামলায় বাধ্য হবে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও সতর্ক করেছেন যে কেবল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়ে ইরানকে চেপে ধরা হলে তারা আরও অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্ররোচিত হতে পারে। এছাড়া চীনের মতো অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলো ওয়াশিংটনের এই একক অর্থনৈতিক জোটে অংশ না দেওয়ায় এই কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের প্রশাসনিক স্তরে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সংঘাত নিয়ন্ত্রণে রাখার এই পলিসির পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। তাদের মূল চিন্তা হলো, নভেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধকে সীমিত পর্যায়ে রাখতে পারলে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াই সহজ হবে। তবে ট্রাম্পের হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রবণতা এবং ইরানের ধারাবাহিক প্রতিআক্রমণের কারণে ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত যেকোনো মুহূর্তে আবার পূর্ণমাত্রার আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। যদিও ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ইরানকে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তবুও তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন যে সামরিক অভিযান খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে তিনি মনে করেন না।

সংঘাত সপ্তম মাসে প্রবেশ করার সাথে সাথে ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত প্রশমনের মার্কিন রাজনৈতিক চেষ্টা বাস্তবে কতটুকু টিকবে তা পুরোপুরি নির্ভর করছে তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। সাবেক মার্কিন কূটনৈতিক কর্মকর্তা বারবারা লিফ মনে করেন, ইরানের কাছে এই মুহূর্তে শান্তি বজায় রাখার চেয়ে মার্কিন পরিকল্পনা নস্যাৎ করা বেশি লাভজনক। একই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখা এবং রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা ট্রাম্পের জন্য কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সৌদি আরব ও উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোও এখন নতুন করে সংঘাত কমানোর আহ্বান জানাচ্ছে। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার যে চেষ্টা ওয়াশিংটন করছে, মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তব রণক্ষেত্র প্রতিদিন সেই হিসাব পাল্টে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অফিসের ডেস্কে রাখুন এই গাছ, মন থাকবে ফুরফুরে

যে কারণে নভেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের পক্ষে না ট্রাম্পের সহযোগীরা

Update Time : ০৬:২৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত বর্তমানে নতুন এক নাটকীয় মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীরা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা এড়াতে চান। ওয়াশিংটনের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো জানাচ্ছে, নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য রাজনৈতিক ক্ষতি ঠেকানোর লক্ষ্যেই মূলত লড়াইয়ের গতি কমানোর এই নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার কারণে হোয়াইট হাউসের এই কৌশল মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছে। রিপাবলিকানরা চান না যে নির্বাচন পর্যন্ত এই যুদ্ধ গণমাধ্যমের মূল খবরের শিরোনাম হয়ে থাকুক, যা ভোটারদের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে সীমিত রাখতে চায়। রয়টার্স/ইপসোসের সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধের বিপক্ষে এবং মাত্র ৩১ শতাংশ এটিকে সমর্থন করছেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মার্কিন ভোটারদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিজস্ব জনপ্রিয়তার হার ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৩৩ শতাংশে নেমে এসেছে। নির্বাচন পার করার পর ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপ জোরদার করবে নাকি পূর্ণমাত্রায় অর্থনৈতিক চাপে মনোযোগ দেবে, তা এখনো আলোচনার টেবিলে অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান মূল কৌশল হলো সরাসরি যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে ফেলার বদলে তেহরানের ওপর সর্বাত্মক অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখা, যাতে ভবিষ্যতে কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করা যায়। তবে দীর্ঘ কয়েক মাসের সামরিক অভিযানের পরও এই ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত থামানো বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইতোমধ্যেই সতর্ক করে পিট হেগসেথকে লিখিত মূল্যায়নে জানিয়েছেন যে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নির্দিষ্ট কিছু অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের তীব্র সংকট তৈরি হবে। সম্প্রতি লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলা এবং এর জবাবে জর্ডান ও আমিরাতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ পুরো পরিস্থিতিকে নতুন করে ঘোলাটে করে তুলেছে।

আঞ্চলিক ভূরাজনীতি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, হরমুজ প্রণালিতে ইরান নিজেদের অবস্থান শক্ত ধরে রেখেছে, যা মার্কিন অর্থনীতি ও বৈশ্বিক কৌশলগত জ্বালানি সরবরাহের জন্য বড় ধরনের হুমকি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কৌশলগত নীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন না এলে কিংবা তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলে আঘাত হানলে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা বিমান হামলায় বাধ্য হবে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও সতর্ক করেছেন যে কেবল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়ে ইরানকে চেপে ধরা হলে তারা আরও অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্ররোচিত হতে পারে। এছাড়া চীনের মতো অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলো ওয়াশিংটনের এই একক অর্থনৈতিক জোটে অংশ না দেওয়ায় এই কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন  ইরানে মার্কিন হামলা, সেচপাম্পকেন্দ্রে নিহত ১

হোয়াইট হাউসের প্রশাসনিক স্তরে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সংঘাত নিয়ন্ত্রণে রাখার এই পলিসির পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। তাদের মূল চিন্তা হলো, নভেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধকে সীমিত পর্যায়ে রাখতে পারলে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াই সহজ হবে। তবে ট্রাম্পের হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রবণতা এবং ইরানের ধারাবাহিক প্রতিআক্রমণের কারণে ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত যেকোনো মুহূর্তে আবার পূর্ণমাত্রার আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। যদিও ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ইরানকে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তবুও তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন যে সামরিক অভিযান খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে তিনি মনে করেন না।

আরও পড়ুন  ইরানি বিপ্লবী গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী’ ঘোষণা করছে যুক্তরাজ্য!

সংঘাত সপ্তম মাসে প্রবেশ করার সাথে সাথে ইরান যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত প্রশমনের মার্কিন রাজনৈতিক চেষ্টা বাস্তবে কতটুকু টিকবে তা পুরোপুরি নির্ভর করছে তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। সাবেক মার্কিন কূটনৈতিক কর্মকর্তা বারবারা লিফ মনে করেন, ইরানের কাছে এই মুহূর্তে শান্তি বজায় রাখার চেয়ে মার্কিন পরিকল্পনা নস্যাৎ করা বেশি লাভজনক। একই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখা এবং রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা ট্রাম্পের জন্য কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সৌদি আরব ও উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোও এখন নতুন করে সংঘাত কমানোর আহ্বান জানাচ্ছে। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার যে চেষ্টা ওয়াশিংটন করছে, মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তব রণক্ষেত্র প্রতিদিন সেই হিসাব পাল্টে দিচ্ছে।