আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সরাসরি দাবি করেছেন তিনি। তাঁর মতে, আসিফ মাহমুদের বিতর্কিত ভূমিকার কারণেই ঢাকা-১০ আসনে জামায়াতে ইসলামী তাঁকে মনোনয়ন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের ঢাকা-১০ আসনের মনোনয়ন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াত আমিরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। তবে জামায়াত আমির স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তিনি অন্য আসন ছাড়তে প্রস্তুত হলেও দুর্নীতির কোনো দায় নিতে চান না। ১৮ মাস উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া এনসিপির ভেতরেও ‘ওপেন সিক্রেট’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খানের মতে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কোনো কর্মকর্তার বক্তব্যের জের ধরে আসিফ মাহমুদ তাঁর দায় এড়াতে পারেন না। তিনি অভিযোগ করেন, এক বড় অঙ্কের সন্দেহজনক অর্থ লেনদেনের ঘটনা তিনি নিজে জানেন, যা একজন সাধারণ উপদেষ্টার বেতন দিয়ে প্রদান করা অসম্ভব। আসিফ মাহমুদ সাম্প্রতিক সময়ে ওমরাহ পালন করে আসায় রাশেদ মন্তব্য করেন যে অল্প বয়সে করা অনিয়মের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করাই হবে সঠিক পদক্ষেপ। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার কারণে এনসিপি ও সমমনা দলগুলোর মধ্যকার আসন সমঝোতা এখন গভীর রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে।




























