ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শাপলা চত্বরের হত্যা মামলার বিচার দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৮

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। (ছবি সংগৃহীত)

শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মামলাটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বিচারপ্রত্যাশী মানুষ যে অপেক্ষায় রয়েছেন, তা বিবেচনায় নিয়ে মামলার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

মামলাটিতে বর্তমানে ১১ জন আসামি কারাগারে রয়েছেন। এছাড়া আরও ৩০ জন আসামি পলাতক বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন। পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এরই মধ্যে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ ঠিকানায় খোঁজ করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের অনুপস্থিতির কারণে যাতে বিচার কার্যক্রম অযথা দীর্ঘায়িত না হয়, সে বিষয়েও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। চিফ প্রসিকিউটর অভিযোগ করেন, আগের আওয়ামী লীগ সরকার নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে এই মামলার প্রকৃত বিষয় থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করেছিল। এর ফলে বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে বর্তমানে মামলাটির বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ধর্মীয় অঙ্গনের মানুষের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে আসছেন এবং সেই প্রত্যাশাকে সম্মান জানিয়েই ট্রাইব্যুনাল দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার দিকে এগোবে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন এবং যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পরিবার ও স্বজনদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটানো প্রয়োজন। এজন্য মামলার কার্যক্রমে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করে দ্রুত মামলার বিচার শেষ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মামলার অন্যান্য কার্যক্রমও নিয়ম অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাউজানে আবারও গুলিতে যুবক খুন, মাদক বিরোধের সন্দেহ

শাপলা চত্বরের হত্যা মামলার বিচার দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ

Update Time : ১১:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মামলাটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বিচারপ্রত্যাশী মানুষ যে অপেক্ষায় রয়েছেন, তা বিবেচনায় নিয়ে মামলার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ওবায়দুল কাদেরের রায়: আগামী সপ্তাহেই আসতে পারে সিদ্ধান্ত

মামলাটিতে বর্তমানে ১১ জন আসামি কারাগারে রয়েছেন। এছাড়া আরও ৩০ জন আসামি পলাতক বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন। পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এরই মধ্যে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ ঠিকানায় খোঁজ করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের বিষয়টিও মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের অনুপস্থিতির কারণে যাতে বিচার কার্যক্রম অযথা দীর্ঘায়িত না হয়, সে বিষয়েও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৬: সত্য প্রকাশের লড়াই ও আগামীর সাংবাদিকতা

শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। চিফ প্রসিকিউটর অভিযোগ করেন, আগের আওয়ামী লীগ সরকার নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে এই মামলার প্রকৃত বিষয় থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করেছিল। এর ফলে বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে বর্তমানে মামলাটির বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ধর্মীয় অঙ্গনের মানুষের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে আসছেন এবং সেই প্রত্যাশাকে সম্মান জানিয়েই ট্রাইব্যুনাল দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার দিকে এগোবে।

আরও পড়ুন  মানব পাচার প্রতিরোধ আইন ২০২৬ কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন এবং যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পরিবার ও স্বজনদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটানো প্রয়োজন। এজন্য মামলার কার্যক্রমে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করে দ্রুত মামলার বিচার শেষ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মামলার অন্যান্য কার্যক্রমও নিয়ম অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া হবে।