ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইসরায়েলি বসতির বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য ফ্রান্সসহ ১২ দেশের নিষেধাজ্ঞা Logo স্কিনকেয়ারের পর ফোন চালালে কি ত্বকের ক্ষতি হয়? জানুন আসল তথ্য Logo স্ক্যাল্পের যত্নে ইতালিয়ান হেয়ার ওয়াশিং মেথডের ৫ সহজ কৌশল Logo পাকিস্তান ক্রিকেট ১০ বছর পিছিয়ে গেছে: সাঈদ আজমল Logo বেনজীর আহমেদকে ফেরাতে ইউএইর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি গ্রেপ্তার Logo বাঁধনকে নিয়ে ফারুকীর ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন সরকার ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিয়ে Logo জ্ঞান ও সংলাপের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে হবে : ঢাবি উপাচার্য Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান Logo ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র?

ইরানের ২৭ এয়ারলাইনসহ ৩৬ প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের এয়ারলাইনের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের বিমান চলাচল খাতকে কেন্দ্র করে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ২৭টি এয়ারলাইনসহ মোট ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। ইরান সরকারের হয়ে বিমান চলাচল খাত ব্যবহার করে অস্ত্র, জনবল ও অবৈধ পণ্য পরিবহনে সহায়তার অভিযোগে এসব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান সরকার বিমান চলাচল খাতকে বিভিন্ন ধরনের সামরিক ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহার করছে। বিশেষ করে অস্ত্র ও জনবল পরিবহন এবং অবৈধ পণ্য স্থানান্তরে বিমান পরিবহনব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তার পথ তৈরি করে দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি ওয়াশিংটন দিয়েছিল, নতুন নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ।

নতুন নিষেধাজ্ঞার সবচেয়ে বড় অংশ পড়েছে ইরানের বিমান পরিবহন খাতে। দেশটির ২৭টি এয়ারলাইনকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখা নিয়েও সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরানের অবশিষ্ট এয়ারলাইনগুলোর সঙ্গে যারা ব্যবসা করছে, তাদের জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা। তাঁর ভাষায়, ইরানের এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ ও আর্থিক কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ কার্যকর হতে পারে। একই সঙ্গে মার্কিন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের লেনদেনও সীমিত বা নিষিদ্ধ হতে পারে।

মার্কিন সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের বিমান চলাচল খাত দেশটির সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিমান ও সংশ্লিষ্ট পরিবহনব্যবস্থার মাধ্যমে অস্ত্র, সামরিক জনবল এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ বা অবৈধ পণ্য পরিবহনে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন।

এ ছাড়া ইরানের ওপর আগে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে দেশটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কীভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, সেটিও মার্কিন কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে রয়েছে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের বিমান পরিবহন খাতের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও আর্থিক লেনদেন আরও সীমিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিমান চলাচল খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসা পরিচালনা আরও কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংকিং, বীমা, বিমানযন্ত্রাংশ সংগ্রহ, জ্বালানি ও আন্তর্জাতিক পেমেন্টের ক্ষেত্রে বাড়তি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত এয়ারলাইন বা সংস্থার সঙ্গে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে ঝুঁকি বিবেচনা করতে পারে। ফলে ইরানের এয়ারলাইনগুলোর আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, সামরিক কার্যক্রম, আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড এবং নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তেহরানের ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের বিমান চলাচল খাতের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের ওপরও চাপ বাড়ানো হয়েছে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো ইরান সরকারের জন্য অর্থনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার পথগুলো সীমিত করা।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোও আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় সমস্যার মুখে পড়তে পারে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরানের বিমান চলাচল খাতের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও অর্থ লেনদেনে বাধা তৈরি হলে এয়ারলাইনগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা, বিদেশি সেবা গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহে সমস্যা হতে পারে।

বিশেষ করে বিমান রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তিগত সেবা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহ করা কঠিন হলে ইরানের বিমান পরিবহন খাত দীর্ঘমেয়াদে আরও চাপে পড়তে পারে।

তবে নিষেধাজ্ঞার প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক আর্থিক ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থার ওপর কতটা নির্ভরশীল এবং বিকল্প উৎস বা ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা কতটা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে তার ওপর।

সব মিলিয়ে, ২৭টি এয়ারলাইনসহ ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ইরানের বিমান চলাচল খাতে ওয়াশিংটনের চাপ আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও নতুন করে ঝুঁকি ও সতর্কতার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলি বসতির বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য ফ্রান্সসহ ১২ দেশের নিষেধাজ্ঞা

ইরানের ২৭ এয়ারলাইনসহ ৩৬ প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

Update Time : ০৯:২৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের বিমান চলাচল খাতকে কেন্দ্র করে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ২৭টি এয়ারলাইনসহ মোট ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। ইরান সরকারের হয়ে বিমান চলাচল খাত ব্যবহার করে অস্ত্র, জনবল ও অবৈধ পণ্য পরিবহনে সহায়তার অভিযোগে এসব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান সরকার বিমান চলাচল খাতকে বিভিন্ন ধরনের সামরিক ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহার করছে। বিশেষ করে অস্ত্র ও জনবল পরিবহন এবং অবৈধ পণ্য স্থানান্তরে বিমান পরিবহনব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তার পথ তৈরি করে দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি ওয়াশিংটন দিয়েছিল, নতুন নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ।

নতুন নিষেধাজ্ঞার সবচেয়ে বড় অংশ পড়েছে ইরানের বিমান পরিবহন খাতে। দেশটির ২৭টি এয়ারলাইনকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখা নিয়েও সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরানের অবশিষ্ট এয়ারলাইনগুলোর সঙ্গে যারা ব্যবসা করছে, তাদের জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা। তাঁর ভাষায়, ইরানের এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন  চীনে আঘাত হানল ‘বাভি’, আগেই নিরাপদে ২০ লাখ মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ ও আর্থিক কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ কার্যকর হতে পারে। একই সঙ্গে মার্কিন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের লেনদেনও সীমিত বা নিষিদ্ধ হতে পারে।

মার্কিন সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের বিমান চলাচল খাত দেশটির সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিমান ও সংশ্লিষ্ট পরিবহনব্যবস্থার মাধ্যমে অস্ত্র, সামরিক জনবল এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ বা অবৈধ পণ্য পরিবহনে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন।

এ ছাড়া ইরানের ওপর আগে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে দেশটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কীভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, সেটিও মার্কিন কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে রয়েছে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের বিমান পরিবহন খাতের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও আর্থিক লেনদেন আরও সীমিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা ট্রাম্পের

নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিমান চলাচল খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসা পরিচালনা আরও কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংকিং, বীমা, বিমানযন্ত্রাংশ সংগ্রহ, জ্বালানি ও আন্তর্জাতিক পেমেন্টের ক্ষেত্রে বাড়তি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত এয়ারলাইন বা সংস্থার সঙ্গে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে ঝুঁকি বিবেচনা করতে পারে। ফলে ইরানের এয়ারলাইনগুলোর আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, সামরিক কার্যক্রম, আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড এবং নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তেহরানের ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের বিমান চলাচল খাতের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের ওপরও চাপ বাড়ানো হয়েছে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো ইরান সরকারের জন্য অর্থনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার পথগুলো সীমিত করা।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোও আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় সমস্যার মুখে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন  মানবসদৃশ রোবট গেমসে বিশ্বরেকর্ড: বোল্টকে টপকে গতির ঝড় তুললো চীন

নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরানের বিমান চলাচল খাতের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও অর্থ লেনদেনে বাধা তৈরি হলে এয়ারলাইনগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা, বিদেশি সেবা গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহে সমস্যা হতে পারে।

বিশেষ করে বিমান রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তিগত সেবা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহ করা কঠিন হলে ইরানের বিমান পরিবহন খাত দীর্ঘমেয়াদে আরও চাপে পড়তে পারে।

তবে নিষেধাজ্ঞার প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক আর্থিক ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থার ওপর কতটা নির্ভরশীল এবং বিকল্প উৎস বা ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা কতটা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে তার ওপর।

সব মিলিয়ে, ২৭টি এয়ারলাইনসহ ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ইরানের বিমান চলাচল খাতে ওয়াশিংটনের চাপ আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও নতুন করে ঝুঁকি ও সতর্কতার বার্তা দেওয়া হয়েছে।