ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নাচ নিয়ে অপমান, সেই কথাই ক্যাটরিনাকে বদলে দেয়

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১৫

নাচ নিয়ে সমালোচনাই ক্যাটরিনার আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর প্রেরণা হয়

বলিউডে অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন ক্যাটরিনা কাইফ। ‘শীলা কী জওয়ানী’, ‘চিকনী চমেলী’ ও ‘কালা চশমা’র মতো গানে তার পারফরম্যান্স আজও দর্শকের মনে দাগ কেটে আছে। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতে নাচ নিয়ে কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এক কোরিয়োগ্রাফারের একটি মন্তব্যই পরে তাকে আরও ভালো করার জেদ তৈরি করে দেয়।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সেই সময়ের কথা বলেন কোরিয়োগ্রাফার বস্কো মার্টিস। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোরিয়োগ্রাফার ফরাহ খানও। তাদের আলোচনায় উঠে আসে, শুরুতে নাচের ক্ষেত্রে ক্যাটরিনা কতটা অনভিজ্ঞ ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে কঠোর পরিশ্রম করে কীভাবে নিজেকে বদলে নেন।

ফরাহ জানান, ক্যাটরিনাকে নিয়ে ‘শীলা কী জওয়ানী’ করার আগে তার নাচের দক্ষতা সম্পর্কে খুব একটা ধারণা ছিল না। এর আগে ‘টাচ মি’ গানে কাজ করলেও নৃত্যশিল্পী হিসেবে ক্যাটরিনার আলাদা পরিচিতি তখনো তৈরি হয়নি। ফরাহর কোরিয়োগ্রাফিতে ক্যাটরিনার প্রথম গান ছিল ‘জাস্ট চিল’।

এরপর ক্যাটরিনার পুরোনো দিনের একটি ঘটনা জানান বস্কো। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যারিয়ারের শুরুতে এক কোরিয়োগ্রাফার প্রচণ্ড পরিশ্রমের পরও ক্যাটরিনাকে বলেছিলেন, তিনি নাচে একেবারেই ভালো নন এবং তার নাচ ছেড়ে দেওয়া উচিত। এমন মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই অভিনেত্রীর আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা দিয়েছিল।

তবে সেই অপমানকে থামার কারণ বানাননি ক্যাটরিনা। বরং নিজের দুর্বলতাকে কাটিয়ে উঠতে আরও বেশি পরিশ্রম করেন। ফরাহও মনে করেন, ক্যাটরিনাকে তখন শূন্য নম্বর দেওয়ার কোনো কারণ ছিল না। তার মতে, শুরুতে হয়তো চার বা পাঁচ নম্বর দেওয়া যেত, কিন্তু পরবর্তী সময়ে অভিনেত্রীর নাচের দক্ষতায় বড় পরিবর্তন আসে।

‘শীলা কী জওয়ানী’কে ক্যাটরিনার নাচের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে দেখেন বস্কো ও ফরাহ। গানটির সাফল্যের পর একের পর এক জনপ্রিয় নাচের গানে দেখা যায় তাকে। ‘চিকনী চমেলী’ ও ‘কালা চশমা’র মতো গান তার নৃত্যশৈলীকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।

নিজের পুরোনো অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্যাটরিনাও আগে জানিয়েছিলেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে নাচতে না পারার কথা শুনতে হয়েছিল। সেই মন্তব্য এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, একটা সময় তার মনে হয়েছিল তিনি হয়তো কখনোই ভালো নাচতে পারবেন না। পরে বস্কোর উৎসাহ ও প্রশিক্ষণ তার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে।

বর্তমানে অবশ্য বড়পর্দা থেকে কিছুটা দূরে রয়েছেন ক্যাটরিনা। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর পুত্রসন্তানের জন্মের পর মাতৃত্ব উপভোগ করছেন তিনি। তার সর্বশেষ সিনেমা ‘মেরি ক্রিসমাস’ মুক্তি পেয়েছিল ২০২৪ সালে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেইল পলিশ ছেড়ে জেল পলিশ কেন জনপ্রিয় হচ্ছে?

নাচ নিয়ে অপমান, সেই কথাই ক্যাটরিনাকে বদলে দেয়

Update Time : ১১:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বলিউডে অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন ক্যাটরিনা কাইফ। ‘শীলা কী জওয়ানী’, ‘চিকনী চমেলী’ ও ‘কালা চশমা’র মতো গানে তার পারফরম্যান্স আজও দর্শকের মনে দাগ কেটে আছে। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতে নাচ নিয়ে কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এক কোরিয়োগ্রাফারের একটি মন্তব্যই পরে তাকে আরও ভালো করার জেদ তৈরি করে দেয়।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সেই সময়ের কথা বলেন কোরিয়োগ্রাফার বস্কো মার্টিস। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোরিয়োগ্রাফার ফরাহ খানও। তাদের আলোচনায় উঠে আসে, শুরুতে নাচের ক্ষেত্রে ক্যাটরিনা কতটা অনভিজ্ঞ ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে কঠোর পরিশ্রম করে কীভাবে নিজেকে বদলে নেন।

আরও পড়ুন  হলিউডে ঘুরছেন সাফা, শুটিং ছেড়ে কী নিয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী?

ফরাহ জানান, ক্যাটরিনাকে নিয়ে ‘শীলা কী জওয়ানী’ করার আগে তার নাচের দক্ষতা সম্পর্কে খুব একটা ধারণা ছিল না। এর আগে ‘টাচ মি’ গানে কাজ করলেও নৃত্যশিল্পী হিসেবে ক্যাটরিনার আলাদা পরিচিতি তখনো তৈরি হয়নি। ফরাহর কোরিয়োগ্রাফিতে ক্যাটরিনার প্রথম গান ছিল ‘জাস্ট চিল’।

এরপর ক্যাটরিনার পুরোনো দিনের একটি ঘটনা জানান বস্কো। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যারিয়ারের শুরুতে এক কোরিয়োগ্রাফার প্রচণ্ড পরিশ্রমের পরও ক্যাটরিনাকে বলেছিলেন, তিনি নাচে একেবারেই ভালো নন এবং তার নাচ ছেড়ে দেওয়া উচিত। এমন মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই অভিনেত্রীর আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা দিয়েছিল।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ উইক জাপান: দারুণ আয়োজনে APU-তে উজ্জ্বল বাংলাদেশের সংস্কৃতি

তবে সেই অপমানকে থামার কারণ বানাননি ক্যাটরিনা। বরং নিজের দুর্বলতাকে কাটিয়ে উঠতে আরও বেশি পরিশ্রম করেন। ফরাহও মনে করেন, ক্যাটরিনাকে তখন শূন্য নম্বর দেওয়ার কোনো কারণ ছিল না। তার মতে, শুরুতে হয়তো চার বা পাঁচ নম্বর দেওয়া যেত, কিন্তু পরবর্তী সময়ে অভিনেত্রীর নাচের দক্ষতায় বড় পরিবর্তন আসে।

‘শীলা কী জওয়ানী’কে ক্যাটরিনার নাচের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে দেখেন বস্কো ও ফরাহ। গানটির সাফল্যের পর একের পর এক জনপ্রিয় নাচের গানে দেখা যায় তাকে। ‘চিকনী চমেলী’ ও ‘কালা চশমা’র মতো গান তার নৃত্যশৈলীকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।

আরও পড়ুন  পূজা চেরির বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন কেন? এবার স্পষ্ট করলেন অভিনেত্রী

নিজের পুরোনো অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্যাটরিনাও আগে জানিয়েছিলেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে নাচতে না পারার কথা শুনতে হয়েছিল। সেই মন্তব্য এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, একটা সময় তার মনে হয়েছিল তিনি হয়তো কখনোই ভালো নাচতে পারবেন না। পরে বস্কোর উৎসাহ ও প্রশিক্ষণ তার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে।

বর্তমানে অবশ্য বড়পর্দা থেকে কিছুটা দূরে রয়েছেন ক্যাটরিনা। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর পুত্রসন্তানের জন্মের পর মাতৃত্ব উপভোগ করছেন তিনি। তার সর্বশেষ সিনেমা ‘মেরি ক্রিসমাস’ মুক্তি পেয়েছিল ২০২৪ সালে।