ঢাকা ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলায় এইচআরএসএসের তীব্র নিন্দা

  • Taslima Khanom
  • Update Time : ০৩:২৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১১

চিত্রঃ সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলায় নিন্দা জানাল এইচআরএসএস

সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি বা এইচআরএসএস। রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে ও আশপাশে সংঘটিত এই হামলাকে তারা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতিও বড় প্রশ্ন তোলে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী হামলায় অন্তত দশজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

একই সঙ্গে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীও হামলার শিকার হয়েছেন বলে জানানো হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এতে ঘটনার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি। সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলা নিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা স্বাধীন সংবাদ পরিবেশের ওপর সরাসরি আঘাত। সাংবাদিকরা জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করেন। তাদের ওপর হামলা মানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করা। তাই এ ধরনের হামলাকে কোনোভাবেই সাধারণ ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন  শুক্রবার ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়, জানাল তিতাস গ্যাস

সংগঠনটি আরও বলেছে, নির্বাচিত ছাত্রনেতাদের ওপর হামলা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মতভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু তা সহিংসতায় রূপ নেওয়া উচিত নয়। ছাত্ররাজনীতির পরিবেশ যদি ভয়ের মধ্যে পড়ে যায়, তবে সুস্থ নেতৃত্ব বিকাশ ব্যাহত হবে। এ কারণে ঘটনাটি শিক্ষা অঙ্গনের জন্যও উদ্বেগজনক। সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরে এইচআরএসএস জানায়, থানার মতো নিরাপদ স্থানে এমন সহিংসতা অত্যন্ত দুঃখজনক। সাধারণ মানুষ থানা এলাকাকে নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে। সেখানে যদি হামলার ঘটনা ঘটে, তাহলে নাগরিকদের আস্থা কমে যেতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদি তা সত্য হয়, তবে এটি প্রশাসনিক দুর্বলতার বিষয়ও সামনে আনে। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা ছিল সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব। তাই পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা জরুরি বলে মত দিয়েছে সংগঠনটি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অবিলম্বে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ এবং বিচারিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে এইচআরএসএস। সংগঠনটির মতে, তদন্ত যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে জনগণের আস্থা ফিরে আসবে না। তাই প্রভাবমুক্ত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে হবে। দোষীদের পরিচয় ও ভূমিকা প্রকাশ করা প্রয়োজন বলেও তারা মনে করে।

আরও পড়ুন  ১৬ বছর পর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চালু: ডিসেম্বরেই ৫ বিষয়ে পরীক্ষা

সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলার ঘটনায় হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা বাড়তে পারে। সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এতে অন্যদের কাছেও কঠোর বার্তা যাবে। আহত সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে এইচআরএসএস। তাদের মতে, যারা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বা গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে আহত হয়েছেন, তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। প্রয়োজন হলে সরকারি সহায়তা দিতে হবে। আহতদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্বও বটে।

সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। সংবাদ সংগ্রহে বাধা, ভয়ভীতি বা হামলার পরিবেশ তৈরি হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জ্ঞানচর্চার স্থানে উন্মুক্ত ও নিরাপদ পরিবেশ থাকা উচিত। সেখানে সাংবাদিকদের অবাধে কাজের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলা প্রসঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এইচআরএসএস মনে করে, মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু তার সমাধান কখনোই সহিংসতা হতে পারে না। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে সংলাপ, যুক্তি এবং আইনি পথই বিরোধ নিষ্পত্তির গ্রহণযোগ্য উপায়। সহিংসতা শুধু অস্থিরতা বাড়ায়।

আরও পড়ুন  ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমাতে ইলেকট্রিক বাস আমদানির সিদ্ধান্ত

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে দায়মুক্তির সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে। এতে ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা ঘটার ঝুঁকি বাড়বে। সমাজে যদি অপরাধ করে পার পাওয়ার ধারণা তৈরি হয়, তবে আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।মানবাধিকার কর্মীদের মতে, সাংবাদিক নিরাপত্তা ও শিক্ষাঙ্গনের সহনশীলতা একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দুটি ক্ষেত্র যদি হুমকির মুখে পড়ে, তবে সামগ্রিক নাগরিক অধিকারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলার ঘটনায় এইচআরএসএসের বিবৃতি নতুন করে জননিরাপত্তা, গণমাধ্যম স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এখন দ্রুত তদন্ত, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচারের মাধ্যমে পরিস্থিতির সমাধান চায় সচেতন মহল। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জোরালো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলায় এইচআরএসএসের তীব্র নিন্দা

Update Time : ০৩:২৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি বা এইচআরএসএস। রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে ও আশপাশে সংঘটিত এই হামলাকে তারা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতিও বড় প্রশ্ন তোলে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী হামলায় অন্তত দশজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

একই সঙ্গে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীও হামলার শিকার হয়েছেন বলে জানানো হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এতে ঘটনার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি। সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলা নিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা স্বাধীন সংবাদ পরিবেশের ওপর সরাসরি আঘাত। সাংবাদিকরা জনগণের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করেন। তাদের ওপর হামলা মানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করা। তাই এ ধরনের হামলাকে কোনোভাবেই সাধারণ ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন  ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক: ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

সংগঠনটি আরও বলেছে, নির্বাচিত ছাত্রনেতাদের ওপর হামলা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মতভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু তা সহিংসতায় রূপ নেওয়া উচিত নয়। ছাত্ররাজনীতির পরিবেশ যদি ভয়ের মধ্যে পড়ে যায়, তবে সুস্থ নেতৃত্ব বিকাশ ব্যাহত হবে। এ কারণে ঘটনাটি শিক্ষা অঙ্গনের জন্যও উদ্বেগজনক। সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরে এইচআরএসএস জানায়, থানার মতো নিরাপদ স্থানে এমন সহিংসতা অত্যন্ত দুঃখজনক। সাধারণ মানুষ থানা এলাকাকে নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে। সেখানে যদি হামলার ঘটনা ঘটে, তাহলে নাগরিকদের আস্থা কমে যেতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদি তা সত্য হয়, তবে এটি প্রশাসনিক দুর্বলতার বিষয়ও সামনে আনে। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা ছিল সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব। তাই পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা জরুরি বলে মত দিয়েছে সংগঠনটি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অবিলম্বে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ এবং বিচারিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে এইচআরএসএস। সংগঠনটির মতে, তদন্ত যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে জনগণের আস্থা ফিরে আসবে না। তাই প্রভাবমুক্ত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে হবে। দোষীদের পরিচয় ও ভূমিকা প্রকাশ করা প্রয়োজন বলেও তারা মনে করে।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংশোধন নয়, পূর্ণ সংস্কার চান শফিকুর রহমান | ছেঁড়া জামা জাতিকে পরানো যাবে না

সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলার ঘটনায় হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা বাড়তে পারে। সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এতে অন্যদের কাছেও কঠোর বার্তা যাবে। আহত সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে এইচআরএসএস। তাদের মতে, যারা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বা গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে আহত হয়েছেন, তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। প্রয়োজন হলে সরকারি সহায়তা দিতে হবে। আহতদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্বও বটে।

সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। সংবাদ সংগ্রহে বাধা, ভয়ভীতি বা হামলার পরিবেশ তৈরি হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জ্ঞানচর্চার স্থানে উন্মুক্ত ও নিরাপদ পরিবেশ থাকা উচিত। সেখানে সাংবাদিকদের অবাধে কাজের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলা প্রসঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এইচআরএসএস মনে করে, মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু তার সমাধান কখনোই সহিংসতা হতে পারে না। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে সংলাপ, যুক্তি এবং আইনি পথই বিরোধ নিষ্পত্তির গ্রহণযোগ্য উপায়। সহিংসতা শুধু অস্থিরতা বাড়ায়।

আরও পড়ুন  শুক্রবার ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়, জানাল তিতাস গ্যাস

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে দায়মুক্তির সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে। এতে ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা ঘটার ঝুঁকি বাড়বে। সমাজে যদি অপরাধ করে পার পাওয়ার ধারণা তৈরি হয়, তবে আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।মানবাধিকার কর্মীদের মতে, সাংবাদিক নিরাপত্তা ও শিক্ষাঙ্গনের সহনশীলতা একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দুটি ক্ষেত্র যদি হুমকির মুখে পড়ে, তবে সামগ্রিক নাগরিক অধিকারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের হামলার ঘটনায় এইচআরএসএসের বিবৃতি নতুন করে জননিরাপত্তা, গণমাধ্যম স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এখন দ্রুত তদন্ত, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচারের মাধ্যমে পরিস্থিতির সমাধান চায় সচেতন মহল। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জোরালো হয়েছে।