ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এমপি জসীমের নেতৃত্বে চন্দনাইশে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ Logo নতুন উপজেলায় সাতকানিয়ার ৬ ইউনিয়নের সাথে দোহাজারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে: এমপি জসীম উদ্দীন আহমেদ Logo চন্দনাইশে গাছবাড়ীয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বাস উপহারের ঘোষণা এমপি জসীম উদ্দীন আহমেদের Logo ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন পেল বিকাশ-রবিসহ চার প্রতিষ্ঠান Logo সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে ঘুষ, আদালতে দুই কর্মচারীর জবানবন্দি Logo মরিয়মের মৃত্যু মামলায় গাজী নজরুল ফের ৪ দিনের রিমান্ডে Logo থানার দরজা ভেঙে পালাল কিশোর গ্যাংয়ের ১৭ সদস্য Logo নেতানিয়াহুর নিউইয়র্ক সফর ঘিরে উত্তেজনা, মামদানির হুমকির পর কী হতে পারে Logo গাজার পুনর্গঠনে ২৪৫ কোটি ডলারের পরিকল্পনা ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের Logo শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন আর নেই, ছয় দশকের সাহিত্যজীবনের অবসান

ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন পেল বিকাশ-রবিসহ চার প্রতিষ্ঠান

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৬:৫৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৪৩

ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা চালুর উদ্যোগ। | ছবি: এআই

ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি এসেছে বাংলাদেশে। বিকাশ, রবি ও বাংলালিংক-সংশ্লিষ্ট উদ্যোগসহ চারটি প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিকভাবে অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এখন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে লেটার অব ইনটেন্ট (LoI) দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোবে।

প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক ও বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক। ভুটানের ডিকে ব্যাংক, বিকাশের শেয়ারধারী, ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ এবং রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা এসব উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে আগে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও LoI দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর আগে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আবেদন আহ্বান করলে বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেয়। আবেদনকারীদের মধ্যে ছিল মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর, শিল্পগোষ্ঠী ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। ২০২৫ সালের আবেদন প্রক্রিয়ায় বিকাশ, রবি, ভিওন ও স্কয়ার-সংশ্লিষ্ট উদ্যোগগুলোও ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন করেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক প্রচলিত ব্যাংকের মতো শাখা বা উপশাখা নির্ভর হবে না। গ্রাহকরা মূলত মোবাইল অ্যাপ ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করবেন। ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনসহ প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবা দেওয়ার সুযোগ থাকবে এসব ব্যাংকের।

তবে প্রাথমিক অনুমোদন পেলেই ব্যাংকগুলো সঙ্গে সঙ্গে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে না। LoI পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শর্ত পূরণসহ পরবর্তী regulatory প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনসহ বিভিন্ন শর্ত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশোধিত গাইডলাইনে আবেদন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথি ও শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং চালুর উদ্যোগ কয়েক বছর ধরে এগোলেও লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া বিভিন্ন পর্যায়ে আটকে ছিল। এখন নতুন করে কয়েকটি উদ্যোগ প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়ায় এই খাতে কার্যক্রম এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে গ্রাহকরা কবে থেকে এসব ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ সেবা পাবেন, তা নির্ভর করবে LoI পাওয়ার পরবর্তী অনুমোদন ও প্রস্তুতির ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এমপি জসীমের নেতৃত্বে চন্দনাইশে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ

ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন পেল বিকাশ-রবিসহ চার প্রতিষ্ঠান

Update Time : ০৬:৫৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি এসেছে বাংলাদেশে। বিকাশ, রবি ও বাংলালিংক-সংশ্লিষ্ট উদ্যোগসহ চারটি প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিকভাবে অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এখন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে লেটার অব ইনটেন্ট (LoI) দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোবে।

প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক ও বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক। ভুটানের ডিকে ব্যাংক, বিকাশের শেয়ারধারী, ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ এবং রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা এসব উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে আগে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও LoI দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২৪ বিলিয়ন ডলারে, কী বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক

এর আগে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আবেদন আহ্বান করলে বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেয়। আবেদনকারীদের মধ্যে ছিল মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর, শিল্পগোষ্ঠী ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। ২০২৫ সালের আবেদন প্রক্রিয়ায় বিকাশ, রবি, ভিওন ও স্কয়ার-সংশ্লিষ্ট উদ্যোগগুলোও ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন করেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক প্রচলিত ব্যাংকের মতো শাখা বা উপশাখা নির্ভর হবে না। গ্রাহকরা মূলত মোবাইল অ্যাপ ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করবেন। ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনসহ প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবা দেওয়ার সুযোগ থাকবে এসব ব্যাংকের।

আরও পড়ুন  স্থানীয় উদ্যোক্তা ঋণ পেতে তরুণদের অর্থায়ন কর্মসূচি

তবে প্রাথমিক অনুমোদন পেলেই ব্যাংকগুলো সঙ্গে সঙ্গে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে না। LoI পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শর্ত পূরণসহ পরবর্তী regulatory প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধনসহ বিভিন্ন শর্ত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশোধিত গাইডলাইনে আবেদন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথি ও শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বাংলা কিউআর দারুণ সাড়া, দুই দিনেই কোটি টাকার লেনদেন

বাংলাদেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং চালুর উদ্যোগ কয়েক বছর ধরে এগোলেও লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া বিভিন্ন পর্যায়ে আটকে ছিল। এখন নতুন করে কয়েকটি উদ্যোগ প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়ায় এই খাতে কার্যক্রম এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে গ্রাহকরা কবে থেকে এসব ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ সেবা পাবেন, তা নির্ভর করবে LoI পাওয়ার পরবর্তী অনুমোদন ও প্রস্তুতির ওপর।