ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস লিকেজ বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫, দুই শিশুর অবস্থাও আশঙ্কাজনক

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

গ্যাস লিকেজ বিস্ফোরণের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় একই পরিবারের সদস্যসহ মোট পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে একটি ফ্ল্যাট বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফ্ল্যাটের ভেতরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন অগ্নিদগ্ধ হন। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

দগ্ধদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা আহতদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু হযরত আলীর শরীরের ৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। অপরদিকে শিশু মীমের শরীরের ৪১ শতাংশ এবং সুলতানা নামের এক নারীর শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্য আহতদের অবস্থাও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

চিকিৎসকদের মতে, গুরুতর দগ্ধ রোগীদের ক্ষেত্রে প্রথম ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আক্রান্তদের সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধান করছে। প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিকেজকেই বিস্ফোরণের মূল কারণ হিসেবে ধারণা করা হলেও তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস লিকেজ বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫, দুই শিশুর অবস্থাও আশঙ্কাজনক

Update Time : ১২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

গ্যাস লিকেজ বিস্ফোরণের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় একই পরিবারের সদস্যসহ মোট পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে একটি ফ্ল্যাট বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফ্ল্যাটের ভেতরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন অগ্নিদগ্ধ হন। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন  সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন পে-স্কেলের গেজেট

দগ্ধদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা আহতদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু হযরত আলীর শরীরের ৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। অপরদিকে শিশু মীমের শরীরের ৪১ শতাংশ এবং সুলতানা নামের এক নারীর শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্য আহতদের অবস্থাও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাকচাপায় কৃষি কর্মকর্তা নিহত: নোয়াখালী দুর্ঘটনার হৃদয়বিদারক ঘটনা

চিকিৎসকদের মতে, গুরুতর দগ্ধ রোগীদের ক্ষেত্রে প্রথম ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আক্রান্তদের সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধান করছে। প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিকেজকেই বিস্ফোরণের মূল কারণ হিসেবে ধারণা করা হলেও তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।