ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এক বছর পর ৯০ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে ফিরে পেলেন ছেলে Logo সাংবাদিক গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের দুঃখ প্রকাশ Logo শনিবার দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় Logo পিরোজপুরে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের Logo আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা Logo ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা এখন আরও খারাপ : বারাক ওবামা Logo আওয়ামী লীগের রাজনীতির প্রাসঙ্গিকতা নেই: আসিফ মাহমুদের মন্তব্য Logo ব্রাজিলের আকাশ ছোঁয়ার যাত্রা এবং চীনা বাঁশের গল্প Logo স্নায়ুবৈচিত্র্যসম্পন্ন শিশুদের গান, ছবি-ভিডিও প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপন Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ছাড়া রাষ্ট্রীয় সংস্কার অসম্ভব: মিয়া গোলাম পরওয়ার

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি: ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে ফেলার দাবি’

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৫১৫

ইসরায়েলের মন্ত্রী ইতামার বেন গিভিরের মন্তব্য | ছবি: সংগৃহীত

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। লেবাননে হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির লেবাননকে লক্ষ্য করে কঠোর মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন গিভির বলেন, লেবাননের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ডিভাইস হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পরই তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। ঘটনাটি ইসরায়েলি রাজনীতিতে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের দাবি জোরালো করেছে।

বেন গিভির দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে বড় পরিসরের সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। এর আগেও তিনি বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তার বক্তব্যের পর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেননি।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে আরও বেড়েছে। সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর মন্তব্য সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক জনগণের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর ইসরায়েল ও লেবাননের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। দুই দেশের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এক বছর পর ৯০ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে ফিরে পেলেন ছেলে

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি: ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে ফেলার দাবি’

Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। লেবাননে হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির লেবাননকে লক্ষ্য করে কঠোর মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন গিভির বলেন, লেবাননের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি চিকিৎসা আপডেট

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ডিভাইস হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পরই তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। ঘটনাটি ইসরায়েলি রাজনীতিতে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের দাবি জোরালো করেছে।

বেন গিভির দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে বড় পরিসরের সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। এর আগেও তিনি বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তার বক্তব্যের পর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় নারীদের হয়রানির অভিযোগে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে কঠোর রায়

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেননি।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে আরও বেড়েছে। সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

আরও পড়ুন  লেবাননে ইসরায়েলি হামলা শিশু নিহত, ইউনিসেফের উদ্বেগ ও ভয়াবহ পরিসংখ্যান

বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর মন্তব্য সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক জনগণের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর ইসরায়েল ও লেবাননের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। দুই দেশের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে।