ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কারাগারের ১৮ দিনের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে, সালমান খানের চিন্তাভাবনা Logo বিতর্কের মুখে সানি লিওনি, এতদিন পর মুখ খুললেন মহেশ ভাট Logo মাত্র ৩৬ বছরের জীবন, কিন্তু আজও বিশ্বজুড়ে অমর মেরিলিন মনরো। Logo দ্য ফিউরিয়াস সিনেমা কেন অ্যাকশনপ্রেমীদের জন্য মাস্ট ওয়াচ Logo রাজনীতি, প্রেম আর হাসির গল্প—আগস্টে চরকিতে নতুন ৩ কনটেন্ট Logo ১৫ টাকার চাল কর্মসূচি: ৫৫ লাখ পরিবার পাচ্ছে খাদ্য সহায়তা Logo বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ, দর-কষাকষি শেষ, চুক্তি সই শিগগিরই Logo গাজা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে নেতানিয়াহু Logo গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমেছে: ছুটি বাড়াচ্ছে শিল্পকারখানা Logo পাট রপ্তানিতে বড় লক্ষ্য: ৫ বছরে দ্বিগুণ আয়ের পরিকল্পনা

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি: ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে ফেলার দাবি’

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৫৩৪

ইসরায়েলের মন্ত্রী ইতামার বেন গিভিরের মন্তব্য | ছবি: সংগৃহীত

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। লেবাননে হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির লেবাননকে লক্ষ্য করে কঠোর মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন গিভির বলেন, লেবাননের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ডিভাইস হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পরই তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। ঘটনাটি ইসরায়েলি রাজনীতিতে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের দাবি জোরালো করেছে।

বেন গিভির দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে বড় পরিসরের সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। এর আগেও তিনি বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তার বক্তব্যের পর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেননি।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে আরও বেড়েছে। সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর মন্তব্য সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক জনগণের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর ইসরায়েল ও লেবাননের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। দুই দেশের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে।

কারাগারের ১৮ দিনের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে, সালমান খানের চিন্তাভাবনা

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি: ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে ফেলার দাবি’

Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। লেবাননে হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির লেবাননকে লক্ষ্য করে কঠোর মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন গিভির বলেন, লেবাননের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিমানের জানালা ভেঙে স্বামী ঝুলে পড়লেন, তারপর কী হলো?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ডিভাইস হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পরই তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। ঘটনাটি ইসরায়েলি রাজনীতিতে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের দাবি জোরালো করেছে।

বেন গিভির দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে বড় পরিসরের সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। এর আগেও তিনি বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তার বক্তব্যের পর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।

আরও পড়ুন  লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল ইসরায়েল, যা বললেন নেতানিয়াহু

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেননি।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে আরও বেড়েছে। সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

আরও পড়ুন  সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার ইসরায়েলি হুমকি, জাতিসংঘে ইরানের কড়া বার্তা

বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর মন্তব্য সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক জনগণের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর ইসরায়েল ও লেবাননের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। দুই দেশের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে।