ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাজধানীতে আজও বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা Logo জুলাইয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পঞ্চগড় জেলা পুলিশ Logo রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হলে মন্ত্রিত্ব ও মহাসচিবের পদ ছাড়তে পারেন মির্জা ফখরুল Logo ওমানের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা Logo মেট্রোরেলে ভাড়া ফাঁকি দিতে গেটের নিচ দিয়ে ঢুকলেন কয়েক নারী Logo রাতে মেট্রোরেলের সময় বাড়ছে, সেপ্টেম্বরে চলবে ১১টা পর্যন্ত Logo জীবন বদলে গেলেও প্রথম প্রেম কেন থেকে যায় হৃদয়ের কোণে! Logo প্রতিদিন রোদ পোহান কিন্তু জানেন কি শরীরের জন্য ঠিক কতটা রোদ প্রয়োজন Logo ওজন কমাতে কঠিন ডায়েট নয় প্রতিদিনের খাবারে আনুন এই ছয়টি বদল Logo তীব্র গরমে বাড়ছে উদ্বেগ ও মানসিক চাপ নিজেকে শান্ত রাখতে যা করবেন

দারুণ সুযোগ! নতুনধরা আবাসন প্রকল্পে ১০ বছরে কিস্তিতে প্লট বুকিং

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে গড়ে উঠছে আধুনিক আবাসন নতুনধরা। ছবি: সংগৃহীত।

নতুনধরা আবাসন প্রকল্প রাজধানীর কাছাকাছি আধুনিক ও সবুজ পরিবেশে নিজের একটি প্লটের স্বপ্ন পূরণের নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও শ্রীনগর এলাকায় গড়ে উঠছে এই পরিকল্পিত আবাসন, যেখানে আবাসন ও বিনিয়োগ—দুই দিক থেকেই সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রায় ৩ হাজার ৫০০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা এই প্রকল্পে ইতোমধ্যে ৫০০টি প্লট প্রস্তুত করা হয়েছে। বর্তমানে ৩, ৪ ও ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বুকিং চলছে। উন্নত সড়ক, প্লট বিন্যাস ও ভূমি উন্নয়নের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বাসিন্দাদের জন্য প্রকল্পে রাখা হয়েছে প্রশস্ত সড়ক, পার্ক, গোল্ডেন গার্ডেন, শিশুদের কিডস জোন এবং বড় খেলার মাঠ। পাশাপাশি বিদ্যুৎ, পানি, ড্রেনেজ, মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, শপিং জোন ও কমিউনিটি সুবিধার জন্যও পর্যাপ্ত জায়গা সংরক্ষণ করা হয়েছে।

আইনি নিরাপত্তার দিক থেকেও নতুনধরা আবাসন প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিবেশগত ছাড়পত্র, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় সনদ এবং ভূমি ব্যবস্থাপনার অনুমোদন রয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

গ্রাহকদের জন্য প্রতি কাঠা প্লটের মূল্য লোকেশন অনুযায়ী প্রায় ১০ লাখ থেকে ৬০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মাত্র ৫০ হাজার টাকা দিয়ে প্লট বুকিং করা যাবে এবং মোট মূল্যের ২৫ শতাংশ পরিশোধ করে বরাদ্দ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বাকি অর্থ সর্বোচ্চ ১০ বছর বা ১২০টি সহজ কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে।

ঢাকার খুব কাছাকাছি অবস্থান, আধুনিক নাগরিক সুবিধা, সরকারি অনুমোদন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সম্ভাবনার কারণে নতুনধরা আবাসন প্রকল্প ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। যারা নিজের আবাসন কিংবা ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে আজও বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

দারুণ সুযোগ! নতুনধরা আবাসন প্রকল্পে ১০ বছরে কিস্তিতে প্লট বুকিং

Update Time : ০১:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

নতুনধরা আবাসন প্রকল্প রাজধানীর কাছাকাছি আধুনিক ও সবুজ পরিবেশে নিজের একটি প্লটের স্বপ্ন পূরণের নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও শ্রীনগর এলাকায় গড়ে উঠছে এই পরিকল্পিত আবাসন, যেখানে আবাসন ও বিনিয়োগ—দুই দিক থেকেই সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রায় ৩ হাজার ৫০০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা এই প্রকল্পে ইতোমধ্যে ৫০০টি প্লট প্রস্তুত করা হয়েছে। বর্তমানে ৩, ৪ ও ৫ কাঠা আয়তনের প্লট বুকিং চলছে। উন্নত সড়ক, প্লট বিন্যাস ও ভূমি উন্নয়নের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  ইসলামী ব্যাংকে অস্থিরতায় উদ্বেগ প্রকাশ ব্যাংক এমডিদের, দ্রুত সমাধানের তাগিদ

বাসিন্দাদের জন্য প্রকল্পে রাখা হয়েছে প্রশস্ত সড়ক, পার্ক, গোল্ডেন গার্ডেন, শিশুদের কিডস জোন এবং বড় খেলার মাঠ। পাশাপাশি বিদ্যুৎ, পানি, ড্রেনেজ, মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, শপিং জোন ও কমিউনিটি সুবিধার জন্যও পর্যাপ্ত জায়গা সংরক্ষণ করা হয়েছে।

আইনি নিরাপত্তার দিক থেকেও নতুনধরা আবাসন প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিবেশগত ছাড়পত্র, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় সনদ এবং ভূমি ব্যবস্থাপনার অনুমোদন রয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  সিঙ্গার বাংলাদেশে দারুণ প্রত্যাবর্তন, লোকসান কাটিয়ে মুনাফায় ফিরল

গ্রাহকদের জন্য প্রতি কাঠা প্লটের মূল্য লোকেশন অনুযায়ী প্রায় ১০ লাখ থেকে ৬০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মাত্র ৫০ হাজার টাকা দিয়ে প্লট বুকিং করা যাবে এবং মোট মূল্যের ২৫ শতাংশ পরিশোধ করে বরাদ্দ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বাকি অর্থ সর্বোচ্চ ১০ বছর বা ১২০টি সহজ কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে।

আরও পড়ুন  ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ফরেন ল্যাংগুয়েজ সেন্টারের উদ্বোধন

ঢাকার খুব কাছাকাছি অবস্থান, আধুনিক নাগরিক সুবিধা, সরকারি অনুমোদন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সম্ভাবনার কারণে নতুনধরা আবাসন প্রকল্প ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। যারা নিজের আবাসন কিংবা ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হতে পারে।