ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ওজন কমাতে চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড না ইসবগুল?

ওজন নিয়ন্ত্রণে জনপ্রিয় তিন ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড ও ইসবগুল। ছবি: সংগৃহীত

চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড না ইসবগুল  ওজন কমাতে কোনটা সবচেয়ে কার্যকর, এই প্রশ্ন এখন অনেকের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে, কারণ এটি হজম স্বাস্থ্য ভালো রাখে, কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। তবে তিনটির মধ্যে কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত, তা জানা জরুরি।

ফাইবার মূলত দুই ধরনের  দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয়। দ্রবণীয় ফাইবার পানিতে গলে জেল তৈরি করে, হজমের গতি ধীর করে এবং অন্ত্রের ভেতরে সুরক্ষামূলক আবরণ গড়ে তোলে। অদ্রবণীয় ফাইবার পানিতে দ্রবীভূত হয় না, বরং হজম প্রক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড ও ইসবগুল  তিনটিতেই মূলত দ্রবণীয় ফাইবার পাওয়া যায়।

ওজন কমাতে চাইলে চিয়া সিড এগিয়ে থাকে। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এটি ফুলে জেলে পরিণত হয়, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং অহেতুক খাওয়ার প্রবণতা কমায়। এছাড়া এটি রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।

হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ফ্ল্যাক্সসিড বেশি উপকারী বলে মনে করা হয়। এতে থাকা আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, আর লিগনান হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে ও খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। তবে খোসার কারণে অনেকের হজমে সমস্যা হতে পারে, তাই গুঁড়ো করে খাওয়াই ভালো।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগলে ইসবগুলের ভুসি সবচেয়ে কার্যকর। এটি প্রচুর পানি শোষণ করে মলকে নরম করে এবং হজমপ্রক্রিয়া সহজ করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও এর ভূমিকা রয়েছে।

চাইলে তিনটিই একসঙ্গে, তবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়  সকালে চিয়া সিড, দুপুরে ফ্ল্যাক্সসিড আর রাতে ইসবগুলের ভুসি। তবে যেকোনো ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার সময় প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করা জরুরি, নয়তো উল্টো কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ওজন কমাতে চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড না ইসবগুল?

ওজন কমাতে চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড না ইসবগুল?

Update Time : ১১:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড না ইসবগুল  ওজন কমাতে কোনটা সবচেয়ে কার্যকর, এই প্রশ্ন এখন অনেকের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে, কারণ এটি হজম স্বাস্থ্য ভালো রাখে, কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। তবে তিনটির মধ্যে কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত, তা জানা জরুরি।

ফাইবার মূলত দুই ধরনের  দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয়। দ্রবণীয় ফাইবার পানিতে গলে জেল তৈরি করে, হজমের গতি ধীর করে এবং অন্ত্রের ভেতরে সুরক্ষামূলক আবরণ গড়ে তোলে। অদ্রবণীয় ফাইবার পানিতে দ্রবীভূত হয় না, বরং হজম প্রক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড ও ইসবগুল  তিনটিতেই মূলত দ্রবণীয় ফাইবার পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন  পেস্তা নাকি চিনাবাদাম: ওজন কমাতে কোনটি ভালো?

ওজন কমাতে চাইলে চিয়া সিড এগিয়ে থাকে। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এটি ফুলে জেলে পরিণত হয়, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং অহেতুক খাওয়ার প্রবণতা কমায়। এছাড়া এটি রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।

হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ফ্ল্যাক্সসিড বেশি উপকারী বলে মনে করা হয়। এতে থাকা আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, আর লিগনান হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে ও খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। তবে খোসার কারণে অনেকের হজমে সমস্যা হতে পারে, তাই গুঁড়ো করে খাওয়াই ভালো।

আরও পড়ুন  বারবার চাকরি বদল, ক্যারিয়ারে লাভ না ক্ষতি?

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগলে ইসবগুলের ভুসি সবচেয়ে কার্যকর। এটি প্রচুর পানি শোষণ করে মলকে নরম করে এবং হজমপ্রক্রিয়া সহজ করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও এর ভূমিকা রয়েছে।

চাইলে তিনটিই একসঙ্গে, তবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়  সকালে চিয়া সিড, দুপুরে ফ্ল্যাক্সসিড আর রাতে ইসবগুলের ভুসি। তবে যেকোনো ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার সময় প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করা জরুরি, নয়তো উল্টো কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন  মশা কামড়ের পর অসহ্য চুলকানি? মুহূর্তেই আরাম দেবে এই ৪ উপায়